
সৈয়দ মোঃ কায়সার আশরাফি:৭ জুন(চট্টগ্রাম)
“সতর্ক হোন, সচেতন হোন”-এই আহ্বান কে সামনে রেখে চট্টগ্রামের পতেঙ্গা এলাকায় আবারও জোরালো হয়ে উঠেছে মাদকবিরোধী জনমত।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সমাজের কিছু ব্যক্তি প্রকাশ্যে নিজেকে ভদ্র, দায়িত্বশীল ও সুনাগরিক হিসেবে উপস্থাপন করলেও, আড়ালে তারা জড়িয়ে রয়েছে মাদক নামক ভয়াবহ অন্ধকারে।
এ ধরনের দ্বিচারিতা শুধু নৈতিক অবক্ষয়ের উদাহরণ নয়, বরং সমাজ ও রাষ্ট্রের জন্য এক নীরব হুমকি বলে মনে করছেন সচেতন মহল। কারণ, যারা নিজেরাই মাদক সেবনের সঙ্গে যুক্ত থেকেও সমাজে নীতি-নৈতিকতার কথা বলে, তারা মূলত মাদকবিরোধী আন্দোলনকে ভেতর থেকেই দুর্বল করে দিচ্ছে।
পতেঙ্গা এলাকার বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার অবস্থান বজায় রেখে আসছেন। নানা উদ্যোগ ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে তারা একটি সুস্থ ও নিরাপদ সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যয়ে কাজ করে যাচ্ছেন।
তবে দুঃখজনকভাবে, এই লড়াইয়ের মধ্যেই কিছু ব্যক্তি গোপনে মাদকের বিস্তার ঘটাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দক্ষিণ পতেঙ্গার নাজির পাড়া এলাকার এক ব্যক্তি – ইয়াছিন, পিতা: ইলিয়াস, ফুলুবরো বাপের বাড়ি, ৪১ নং ওয়ার্ড, দক্ষিণ পতেঙ্গা নাজির পাড়া, পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম। নিজেকে সমাজের দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিলেও, তার বিরুদ্ধে মাদক সেবনের অভিযোগ এলাকায় ব্যাপকভাবে আলোচিত হচ্ছে।
এধরনের মুখোশধারী দুর্বৃত্ত ও মাদক ব্যবসায়ী,মাদক সেবীদের ব্যাপারে পতেঙ্গা মডেল থানার কোন খবর আছে কিনা জানতে চাইলে, দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ কোন সদুত্তর দিতে পারেননি এবং এই প্রসঙ্গে কেউ অভিযোগ করেনি বলে ডিউটি অফিসার সূত্র জানায়।
এ প্রসঙ্গে এলাকাবাসীর ভাষ্য, “সরিষার মধ্যেই যদি ভূত থাকে, তাহলে সেই সরিষা দিয়ে ভূত তাড়ানো সম্ভব নয়।” তাই এখন সময় এসেছে ভণ্ডামির মুখোশ উন্মোচন করে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের।
সচেতন মহলের দাবি, মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে প্রশাসনের পাশাপাশি সর্বস্তরের জনগণকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
একই সঙ্গে অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও জোর দাবি জানানো হয়েছে।