1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০২:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভাঙা ঝুপড়িতে মানবতার জীবন, পুনর্বাসনের আশায় বৃদ্ধ লুৎফর রহমান হোসেন আলী হত্যা: ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এজাহারভুক্ত আরও এক আসামি গ্রেফতার পোরশা থানা পুলিশের মাদকবিরোধী পৃথক অভিযানে ১ কেজি গাঁজা ও ৪ টি পূর্ণাঙ্গ গাঁজা গাছসহ ২ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার। চট্টগ্রামে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার প্রীতি ফুটবল ম্যাচে কেউ হারেনি গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে ৩৯ নং ওয়ার্ডে জামায়াতে মিছিল ও সমাবেশ চট্টগ্রামে ১১দলীয় জোটের সমাবেশ কে সাফল্য কামনায় ইপিজেডে শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মিছিল ও পথসভা মোহনপুরে শহীদ জিয়া প্রীতি ফুটবল টুর্নামেন্ট আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা ডিবি”র বিশেষ অভিযানে মাদকদ্রব্য উদ্ধার গ্রেফতার-২ নওগাঁ পুলিশ সুপারের নামে ভুয়া হোয়াটসঅ্যাপ আইডি ব্যবহার করে প্রতারণা গ্রেফতার প্রতারক শাহজাদপুরে “মেধা, বিজ্ঞান ও উদ্ভাবনের দেশ—সবার আগে বাংলাদেশ”

খুঁনের আসামি যখন ‘মাসুদ মেকার’! চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তঃজেলা বাইক চোরচক্রের রোমহর্ষক অধ্যায়: ক্রাইম রিপোর্টারকে ফাঁদে ফেলার চতুর ছক ধূলিসা গুন্ডাবাহিনীর মুখোশ উন্মোচন !

এসএম রুবেল' সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার' চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১১ জুন, ২০২৬
  • ৪৬ বার পড়া হয়েছে

খুঁনের আসামি যখন ‘মাসুদ মেকার’! চাঁপাইনবাবগঞ্জে আন্তঃজেলা বাইক চোরচক্রের রোমহর্ষক অধ্যায়: ক্রাইম রিপোর্টারকে ফাঁদে ফেলার চতুর ছক ধূলিসা গুন্ডাবাহিনীর মুখোশ উন্মোচন 

এসএম রুবেল অনুসন্ধানী প্রতিবেদক-ইনভেস্টিগেশন টিম ক্রাইম সিন ইউনিট- চাঁপাইনবাবগঞ্জ মিডিয়া- সেল | গণমাধ্যম ১১ জুন, ২০২৬ খ্রি.

সম্প্রতি মোটরসাইকেল মেকানিক বা মিস্ত্রি সেজে দীর্ঘদিন ধরে সুকৌশলে মানুষের বিশ্বাস অর্জন! অতঃপর সুযোগ বুঝে চোখের পলকে মোটরবাইক চুরি করে পার্টস খুলে বিক্রি করে দেওয়া—এমনই এক রোমহর্ষক ও চতুর আন্তঃজেলা চোরচক্রের সন্ধান মিলেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে। তথাকথিত এই ‘মেকার’ পরিচয়ের আড়ালে লুকিয়ে ছিল এক দুর্ধর্ষ অপরাধীর চেহারা। অবশেষে ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় জনতার যৌথ প্রচেষ্টায় রাজশাহীতে আত্মগোপনে থাকা এই চক্রের মূল হোতা! একটি হত্যা মামলার পলাতক আসামি ‘ঢাকাইয়া মার্ডার মাসুদ’ এবং তার সহযোগী স্ত্রীকে আটক করে ভুক্তভোগীরা।  মোটরসাইকেল হারিয়ে সর্বস্বান্ত হওয়া কয়েকজন ভুক্তভোগী মালিক ও স্থানীয় জনতা নিজেদের উদ্যোগে সাঁড়াশি অভিযান চালিয়ে রাজশাহী থেকে এই কুখ্যাত দম্পতিকে ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিয়ে আসতে সক্ষম হন। মেকারের ছদ্মবেশে দীর্ঘদিন ধরে চলা তাদের এই সুদূরপ্রসারী চুরির নেটওয়ার্ক ও অভিনব অপরাধের কৌশল উন্মোচন হওয়ায় বর্তমানে পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

মেকার সেজে মোটরসাইকেল চুরির ভয়ংকর সিন্ডিকেট! ছদ্মবেশী ‘ঢাকাইয়া খুনের আসামি’ মাসুদের অপরাধ সাম্রাজ্য সম্প্রতি জেলা ভিত্তিক মোটরসাইকেল চুরি ছিনতাইকারী!চাঁপাইনবাবগঞ্জে মেকার (মিস্ত্রি) সেজে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস অর্জন করে সুকৌশলে মোটরসাইকেল চুরি এবং যন্ত্রাংশ খুলে বিক্রি করে দেওয়ার এক চাঞ্চল্যকর ও ভয়ংকর আন্তঃজেলা চোরচক্রের সন্ধান মিলেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, এই চক্রের মূল হোতা মূলত ঢাকা গাজীপুরের বাসিন্দা, যার আসল নাম মামুন এবং আন্ডারগ্রাউন্ডে সে ‘ঢাকাইয়া মার্ডার মামুন টোকাই’ নামে পরিচিত। ঢাকার একটি ক্লুলেস হত্যা মামলায় জড়িয়ে গ্রেপ্তারের ভয়ে সে ছদ্মবেশ ধারণ করে চাঁপাইনবাবগঞ্জে এসে আত্মগোপন করে। নিজের অপরাধী পরিচয় আড়াল করতে সে ‘মাসুদ মেকার’ নাম নিয়ে লোকালয়ে বাসা ভাড়া করে মোটরসাইকেল সার্ভিসিংয়ের কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে, তার দোকানের পেছনে আবাসিক এলাকায় কাজের বুয়া হিসেবে কর্মরত লিমা নামের এক ডিভোর্সী নারীর সাথে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকা অবস্থায় স্থানীয়দের হাতে ধরা পড়ে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে স্থানীয়রা তাদের বিয়ে দিয়ে দিলে, চোর মাসুদের অপরাধের ডালপালা দ্বিগুণ গতিতে বিস্তার লাভ করে। স্ত্রীর প্রত্যক্ষ মদদে স্বামী-স্ত্রীর এই চতুর জুটি একের পর এক জেলাভিত্তিক টার্গেট করে গাড়ি চুরি, ছিনতাই ও ব্ল্যাকমেইলের এক রমরমা ও বেপরোয়া ব্যবসা শুরু করে।

বালুগ্রামে মাদকের আস্তানা ও গণধোলাই!  কল্যাণপুরে নতুন ডেরা এবং প্রবাসীর গাড়ি উধাওয়ের নেপথ্য মুখোশ উন্মোচন চিহ্নিত  গুন্ডাবাহিনীরা! সিন্ডিকেটের পরিধি বাড়াতে মাসুদ সদর উপজেলার বালুগ্রাম মোড়ে একটি দোকান ভাড়া নেয়। সেখানে মেকানিক্যালের আড়ালে সে গড়ে তোলে এক ভয়ংকর মাদকের আস্তানা। প্রতিদিন রাত ১০টার পর তার দোকানে অনুসারী কিশোর গ্যাং অপরাধীদের নিয়ে ইয়াবা ও গাঁজা সেবনের আসর বসত! দিনের পর দিন এই মাদক বিস্তার ও চুরির ঘটনায় ক্ষিপ্ত হয়ে স্থানীয় জনতা অবশেষে মাসুদ ও তার স্ত্রীকে হাতেনাতে ধরে গণধোলাই দেয় এবং জরিমানা করে এলাকা ছাড়া করে। বালুগ্রাম থেকে পালিয়ে এসে তারা কল্যাণপুর এক নম্বর ওয়ার্ডে আরেকটি ভাড়া বাড়িতে আস্তানা গাড়ে। সেখানে মেরামত করার অজুহাতে ‘ইঞ্জিনে জটিল সমস্যা’র অজুহাত দেখিয়ে তারা সুকৌশলে কয়েকটি মোটরসাইকেল হাতিয়ে নেয় এবং রাতারাতি সেগুলোর ইঞ্জিন খুলে পাচার করে দেয়। এর মধ্যে কল্যাণপুরের বাসিন্দা ও বর্তমানে প্রবাসী যুবক শহীদের মোটরসাইকেলের ইঞ্জিনটি সম্পূর্ণ উধাও করে দিয়ে এই কুখ্যাত দম্পতি রাতারাতি পালিয়ে যায়। কিছুদিন পর নয়াগোলা ঘাটপাড়ার আতাউর রহমান নামের এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে ইঞ্জিনবিহীন সেই মোটরসাইকেলের বডি বা খোলস উদ্ধার করা হয়।

সাংবাদিক এসএম রুবেলের তৎপরতা ছয় মাসের লড়াই এবং রাজশাহীতে চোর দম্পতি!কোনো জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ছাড়া চোরকে আশ্রয় দেওয়ার অপরাধে এক নম্বর ওয়ার্ডের বিশিষ্ট সাংবাদিক এসএম রুবেল ও স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতিতে বাড়ির মালিক আতাউর রহমানকে সালিশি বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৭,০০০ টাকা জরিমানা করা হয়। উদ্ধারকৃত ইঞ্জিনবিহীন বডিটি ভুক্তভোগী শহীদের বাড়িতে সংরক্ষণ করা হয় এবং চোর চক্রকে ধরতে একটি বিশেষ টিম গঠন করে গত ছয় মাস ধরে তল্লাশি চালানো হয়। এদিকে জীবিকার তাগিদে ভুক্তভোগী শহীদ প্রবাসে চলে গেলেও, গাড়িটি উদ্ধারে এলাকার বড় ভাই হিসেবে সাহসী সাংবাদিক এসএম রুবেলকে দায়িত্ব দিয়ে যান। প্রবাসীর অনুরোধে সাংবাদিক রুবেল নিরলসভাবে চোরের অবস্থান শনাক্ত করার মিশন চালিয়ে যান। অবশেষে দীর্ঘ ছয় মাস পর জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে পালিয়ে মাসুদ রাজশাহীতে গিয়ে পুনরায় একই কায়দায় চুরি শুরু করেছে। গত কাল রাজশাহীতে বালিডাঙ্গা এলাকার রাজীব নামের আরেক ভুক্তভোগী এই চোর দম্পতিকে চিনে ফেলে স্থানীয় জনতা ও রাজশাহী শ্রমিক ইউনিয়নের সহায়তায় হাতেনাতে আটক করে। পরবর্তীতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভুক্তভোগী ও রাজীবের চুরি হওয়া গাড়ি উদ্ধারের স্বার্থে এই কুখ্যাত স্বামী-স্ত্রীকে ধরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে নিয়ে আসা হয়।

চলন্ত গাড়িতেই সাংবাদিককে ‘মুরগি’ বানানোর নীলনকশা! ফেঁসে মুখোশ উন্মোচিত হচ্ছে  চোর মাসুদ ও তার গুন্ডা বাহিনী নয়ন চক্র! অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে মোটরসাইকেল চোর মাসুদ, তার স্ত্রী এবং বালিডাঙ্গার কুখ্যাত গুন্ডা নয়ন ওরফে নয়নের এক রোমহর্ষক ও চাঞ্চল্যকর ষড়যন্ত্রের খতিয়ান। ঘটনার সূত্রপাত মূলত কল্যাণপুর এলাকার ভুক্তভোগী শহীদের চুরি হওয়া গাড়িটি সাহসী সাংবাদিক এসএম রুবেল উদ্ধার করে দেওয়ার পর থেকেই। অপরাধ আড়াল করতে এবং নিজেদের বাঁচাতে চলন্ত গাড়ির ভেতরেই চোর মাসুদ ও তার স্ত্রী এক অভিনব কারসাজির পরিকল্পনা করে। তারা আরেক ভুক্তভোগী রাজীবকে কৌশলগতভাবে একটি বানোয়াট ভিডিও স্টেটমেন্ট দিতে প্ররোচিত করে, যাতে মুহূর্তেই পুরো ঘটনা ভিন্ন খাতে মোড় নেয়। 

তবে এই ষড়যন্ত্রে পূর্ণ সায় দেয় রাজীব এবং তার সহযোগী গুন্ডা নয়ন। বাসের ভেতরে বসেই ফোন কলে তাদের কুৎসিত পরিকল্পনার কথোপকথন ছিল এমন—হ্যালো ভাই, এসএম রুবেলই তো প্রথম গাড়ি উদ্ধার করেছে, সেহেতু তাকেই এবার ‘মুরগি’ বানাতে হবে! আপনি ওকে? রেডি করে ফেলুন এই নীলনকশা! বাস্তবায়নে আলীনগরের একটি সঙ্ঘবদ্ধ ভাড়াটিয়া কিশোর গ্যাং ও গুন্ডা টিমকে প্রস্তুত করা হয়। পরিকল্পনা অনুযায়ী চাঁপাইনবাবগঞ্জে পৌঁছামাত্রই সাংবাদিক এসএম রুবেলকে কৌশলগত কচ দেখিয়ে ফোন করে ডেকে আনা হয়। তাদের মূল লক্ষ্য ছিল—তৈরিকৃত বানোয়াট ভিডিও স্টেটমেন্টের মাধ্যমে সাংবাদিক রুবেলকে চুরির সাথে অভিযুক্ত করা। 

অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে চক্রটির মূল উদ্দেশ্য গাড়ি উদ্ধার ছিল না! বরং তাদের মূল ফায়দা ছিল টাকা! তারা নিশ্চিত ছিল যে চুরির অপবাদ দিয়ে চাপ সৃষ্টি করলেই সাংবাদিকের কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা দ্রুত হাতিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। তবে তাদের এই সুদূরপ্রসারী ও নিখুঁত প্ল্যানের সমস্ত অডিও-ভিডিও রেকর্ড এবং অকাট্য তথ্য-প্রমাণ ইতিমধ্যেই পুলিশের হস্তগত হয়েছে। অপরাধ ঢাকতে চোর মাসুদের নতুন চাল! প্রবাসীর বৃদ্ধ পিতা ও সাংবাদিককে ফাঁসানোর ন্যাক্কারজনক চেষ্টা,ডিজিটাল এভিডেন্স ও পুলিশের তৎপরতায় ফেঁসে গিয়ে চতুর চোর মাসুদ এবং এলাকার একটি কুচক্রী মহল এখন সম্পূর্ণ নতুন এক দেউলিয়া চাল চালছে। প্রবাসী ভুক্তভোগী বাড়িতে না থাকার সুবর্ণ সুযোগ নিয়ে চোর মাসুদ এখন সস্তা দাবি করার চেষ্টা করছে যে—সে প্রবাসীর বাড়ি থেকে কোনো গাড়ি বের করেনি! বরং সেটি রাজীব নামের অন্য কারো গাড়ি ছিল। 

এই সম্পূর্ণ কাল্পনিক ও মিথ্যা বয়ানকে পুঁজি করে সমাজের কিছু অসৎ ব্যক্তি মূল অপরাধীকে আড়াল করতে এবং ঘটনাটি সম্পূর্ণ ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে, শুরু থেকে প্রবাসীর গাড়িটি উদ্ধারে যিনি দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন, সেই সৎ ও নির্ভীক সাংবাদিক এসএম রুবেলকে এই চুরির ঘটনায় জড়ানোর জন্য তীব্র ব্ল্যাকমেইল ও অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আরও ন্যাক্কারজনক বিষয় হলো, প্রবাসীর বৃদ্ধ পিতা আব্দুস সামাদ—যিনি নিজেই এই চুরির ঘটনার প্রধান শিকার এবং সর্বস্ব হারিয়েছেন—উল্টো তাকেই এখন ‘গাড়ি চোর’ বলে মিথ্যা অপবাদ দিচ্ছে এই স্বার্থান্বেষী মহলটি। ভুক্তভোগী পরিবার ও সুশীল সমাজের মতে, একজন নিরপরাধ বৃদ্ধ পিতা এবং সত্যের অতন্দ্র প্রহরী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এমন অপপ্রচার অত্যন্ত দুঃখজনক, কাপুরুষোচিত ও তীব্র নিন্দনীয়, যা দ্রুত আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে দমন করা আবশ্যক।

ক্রাইম রিপোর্টার এসএম রুবেলকে সাথে মোস্ট!  ব্ল্যাকমেইলের চেষ্টা! পুলিশ সুপারের নির্দেশে ২ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার সত্যতা উন্মোচন! একটি চুরির ঘটনার সূত্রপাতকে কেন্দ্র করে মূল অপরাধ আড়াল করতে এবং তদন্ত ভিন্ন খাতে মোড় নিতে চতুর কৌশল অবলম্বন করেছে পেশাদার মোটরসাইকেল চোর মাসুদ ও তার চক্র। গণমাধ্যমকর্মীকে ব্ল্যাকমেইল করে মোটা অঙ্কের অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে আলিনগর এলাকার শীর্ষ ক্যাডার হাসেম ও তার ভাড়াটিয়া গুন্ডা বাহিনীকে মাঠে নামানো হয়। এই চক্রটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে একটি বানোয়াট ভিডিও স্টেটমেন্ট তৈরি করে জেলার সুপরিচিত ও সাহসী অনুসন্ধানী সাংবাদিক (ক্রাইম রিপোর্টার) এসএম  রুবেলকে ব্ল্যাকমেইল করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়। তবে এই চক্রের অর্থ আদায়ের পাঁয়তারা ও ষড়যন্ত্রের অকাট্য প্রমাণাদি (এভিডেন্স) ইতিমধ্যেই প্রশাসনের উচ্চপর্যায়ে দাখিল করা হয়েছে।

বিষয়টির গুরুত্ব বিবেচনা করে দোষীদের শাস্তি  চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস এবং সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একরামুল হোসাইন তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। পুলিশ সুপার সঠিক তথ্য ও ঘটনার গভীরতা যাচাইয়ের জন্য সদর মডেল থানার ওসিকে মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যে সরেজমিনে তদন্ত শেষ করে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কঠোর নির্দেশ দেন। নির্দেশনা অনুযায়ী, সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ একরামুল হোসাইন দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত সম্পন্ন করে জেলা পুলিশ সুপারকে প্রকৃত সত্য অবহিত করেন। পরবর্তীতে ঘটনার সত্যতা ও যৌক্তিকতা নিয়ে গণমাধ্যমকর্মীরা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানানো হয়প্রকৃত হোন্ডা চোর মাসুদ! তার স্ত্রী এবং তাদের সহযোগী গুন্ডাবাহিনী কর্তৃক সাংবাদিককে বানোয়াট ভিডিওর মাধ্যমে ব্ল্যাকমেইল করার বিষয়টি সম্পূর্ণ প্রমাণিত। এই অপকর্মের সাথে জড়িত মূল হোতা ও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অনতিবিলম্বে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ গণমাধ্যম সেলের বিবৃতি ও বুদ্ধিজীবীদের ক্ষোভ! বিশেষজ্ঞ ও সাংবাদিক নির্যাতন প্রতিরোধ গণমাধ্যম মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে সুস্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে যে! গণমাধ্যমকর্মীদের বাক-স্বাধীনতা হরণ করে কোনো কুচক্রী মহলের কায়দা-কানুন বা স্বার্থ হাসিল করার চেষ্টা সরাসরি গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধের শামিল! যা প্রকারান্তরে রাষ্ট্রকে অবমাননা করার মতোই এক গুরুতর অপরাধ। গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর মিথ্যা অপবাদ দেওয়া এবং ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের মতো যেসব নোংরা  ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটছে! তার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। একই সাথে এই সত্য প্রমাণিত হওয়ার পর ঘটনার সাথে জড়িত ব্যক্তিদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক আইনি শাস্তির জোর দাবি জানানো হয়। এই বিষয়ে সংহতি প্রকাশ করে বিশিষ্ট বুদ্ধিজীবী এ কে এম আনিসুর রহমান বলেন! সমাজে মাথাচাড়া দিয়ে ওঠা এ ধরনের অপরাধীদের যদি এখনই ছাড় দেওয়া হয়! তবে দেশে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড জ্যামিতিক হারে বাড়তেই থাকবে। তিনি সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী এই চক্রকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে মিডিয়া সেলের দাবির সাথে সম্পূর্ণ একাত্মতা পোষণ করেন।

আন্তঃজেলা গাড়ি চোরচক্রের হোতা মাসুদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ! একটি চতুর আন্তঃজেলা গাড়ি চোরচক্রের সুদূরপ্রসারী নেটওয়ার্ক ও তাদের নানামুখী অপরাধমূলক তৎপরতার বিরুদ্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ এবং সুষ্ঠু তদন্তের জোর দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী প্রবাসী পরিবার ও স্থানীয় সুশীল সমাজ। অভিযোগ রয়েছে, মেকার বা মিস্ত্রি সেজে গাড়ি চুরি করা এবং পরবর্তীতে ধরা পড়লে প্রভাবশালী বা কুচক্রী মহলের সহায়তায় পার পেয়ে যাওয়ার কৌশল দীর্ঘ দিন ধরে খাটিয়ে আসছে কুখ্যাত এই চোর মাসুদ। এলাকাবাসী ও প্রবাস থেকে ভুক্তভোগী সহিদ জানান! এই চক্রটি অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে অপরাধ কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছে। একটি খুনের মামলার আসামি ও পেশাদার গাড়ি চোর চক্রের মূল হোতা এই মাসুদ এবং তার সহযোগী স্ত্রীর অপরাধ ঢাকতে একটি কুচক্রী মহল মাঠে নেমেছে। তারা উল্টো বানোয়াট অপবাদ ও ব্ল্যাকমেইল করে অর্থ আদায়ের ফাঁদ পেতেছে! যার শিকার হয়েছেন সত্যানুসন্ধানী সাংবাদিক এসএম রুবেল এবং প্রবাসীর পরিবার।

এই পরিস্থিতিতে সুশীল সমাজ নাগরিকসহ ভুক্তভোগীদের জোর দাবি—একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে চোর মাসুদের সাজানো ছক এবং কুচক্রী মহলের এই নোংরা ব্ল্যাকমেইলের রহস্য উন্মোচন করা হোক। একই সাথে সাংবাদিক ও প্রবাসীর পরিবারকে দেওয়া মিথ্যা অপবাদের বিচার নিশ্চিত করে, জড়িত কুচক্রী মহলের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। অবিলম্বে প্রবাসীর চুরি হওয়া গাড়ির ইঞ্জিনটি উদ্ধার করে তার বৃদ্ধ পিতা আব্দুস সামাদের নিকট হস্তান্তর করার দাবি জানান তারা। এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রবাসীদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কুখ্যাত এই চোর মাসুদ ও তার সহযোগী স্ত্রীকে কোনোভাবেই যেন ছাড় দেওয়া না হয়, বরং তাদের আইনের আওতায় এনে কঠোর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়েছেন সর্বস্তরের নাগরিকবৃন্দ। পর্ব – ১। 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট