1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নগর  বিএনপির সদস্য হাজী মুজিবুল হকের ঈদ শুভেচ্ছা বার্তা চট্টগ্রামের সিনিয়র সাংবাদিক ও ক্রীড়া সংগঠক হোসেন বাবলা ‘র ঈদ শুভেচ্ছা… ৩৯নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডে বিভিন্ন মসজিদে ঈদুল আযহা নামাজের সময়সূচী জামালপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী এম শুভ পাঠান।ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছে। শেষ মুহূর্তে বেশ জমে উঠেছে ৩৯ নং ওয়ার্ডের কোরবানির পশুর হাট : দাম কিছুটা কমেছে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের সিসিইউর সামনে রোগীর স্বজনের মোবাইল-মানিব্যাগ চুরি: নিরাপত্তা জোরদার ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি রাজনৈতিক ফায়দা লুটতেই সাবেক এমপি শাহজাহান মিয়ার পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা প্রশাসনকে রাজনৈতিক ঢাল বানানোর অপচেষ্টা! ইউএনও’র নামে মানহানিকর সংবাদের বিরুদ্ধে কুচক্রম হল ইউএনও’র ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা!ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ নগরীর কোরবানি পশুর হাট পরিদর্শন করেন পুলিশ কমিশনার শওকত আলী… হোসেন চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনে ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের 

আইনের রক্ষক না ভঙ্গকারী পুলিশ সদস্য হৃদয় কুমারের বিরুদ্ধে ইয়াবা বাণিজ্যের অভিযোগ নগর জুড়ে তোলপাড়

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৮ বার পড়া হয়েছে

পাভেল ইসলাম মিমুল নিজস্ব প্রতিবেদক 

 

রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের বেলপুকুর থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ উঠে এসেছে।

 

বেলপুকুর ও চারঘাট থানা কেন্দ্রিক এসব অভিযোগ ইতোমধ্যে স্থানীয় জনমনে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

বাণিজ্য

বেলপুকুর ও চারঘাটে অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দু

স্থানীয় সূত্র ও একাধিক অভিযোগের ভিত্তিতে জানা যায়, রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের বেলপুকুর থানায় কর্মরত কনস্টেবল রাজিব কুমার এবং কথিত মাদক ব্যবসায়ী রানা দীর্ঘদিন ধরে একটি সংঘবদ্ধ সিন্ডিকেটের মাধ্যমে ইয়াবা বাণিজ্য পরিচালনা করে আসছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

 

চারঘাট থানার সারদা পুলিশ একাডেমি সংলগ্ন এলাকাকে এই সিন্ডিকেটের অন্যতম কার্যক্রমের কেন্দ্র হিসেবে চিহ্নিত করছেন স্থানীয়রা।তাদের দাবি,দীর্ঘদিন ধরে গোপনে এই কার্যক্রম চললেও সম্প্রতি বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়।

 

ইয়াবা লেনদেন নিয়ে নির্দিষ্ট অভিযোগ:

 

অভিযোগ অনুযায়ী,এক ঘটনায় ১০০ পিস ইয়াবা সরবরাহের কথা থাকলেও বাস্তবে মাত্র ৪০ পিস দেওয়া হয় এবং বাকি অংশ পরে সরবরাহের আশ্বাস দেওয়া হয়। এই ঘটনাকে ঘিরে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 

এ ধরনের অভিযোগ সামনে আসার পর সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের ভাষ্য—“আইনের রক্ষক যদি নিজেই আইনের ভঙ্গকারী হন, তাহলে সাধারণ মানুষ কোথায় নিরাপত্তা পাবে?”

মাদক সেবনের অভিযোগও রয়েছে।

 

কিছু সূত্র আরও দাবি করেছে, অভিযুক্তরা নিজেরাও ইয়াবা ও ফেনসিডিল সেবনের সাথে জড়িত।

 

পারিবারিক প্রভাব ও এলাকায় অবস্থান নিয়ে আলোচনা অভিযোগে আরও উঠে এসেছে,সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যের পারিবারিক প্রভাব ও অতীত অবস্থান নিয়েও নানা আলোচনা রয়েছে। জানা যায়, অভিযুক্ত বিপ্লব কুমারের বাড়ি নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া এলাকায়। তার বাবা একজন পুলিশ সদস্য ছিলেন এবং চাকরিকালীন সময়ে রাজশাহীর চারঘাট থানার এলাকায় বসবাস করতেন এখন রাজিব কুমার সেখানেই থাকেন।

 

স্থানীয়দের দাবি,সেই সূত্র ধরে বর্তমানেও চারঘাটের সারদা এলাকায় অবস্থান নিয়ে অভিযুক্তরা মাদক ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রেখে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন। কেউ কেউ এটিকে “মাদক সিন্ডিকেটের শক্ত ঘাঁটি” হিসেবেও উল্লেখ করছেন।

 

গণমান্য ব্যক্তিবর্গরা বলেন,“মাদক ব্যবসা কমার বদলে উল্টো বাড়ছে। যদি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাই এতে জড়িত থাকে,তাহলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়বে।”

 

প্রশাসনের নীরবতা,বাড়ছে প্রশ্ন এত গুরুতর অভিযোগ ওঠার পরও এবিষয়ে জানতে মুঠোফোনে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে ফোন দিলে ফোন রিসিভ করেননি। থানা বা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে কি না, সে সম্পর্কেও নিশ্চিত তথ্য মেলেনি।

 

এতে করে জনমনে নানা প্রশ্ন তৈরি হয়েছে এবং প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা বাড়ছে।

ড়বিশেষজ্ঞদের মতামত আইন ও সমাজ বিশ্লেষকদের মতে,এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত সংবেদনশীল এবং গুরুত্ব সহকারে দেখা প্রয়োজন। দ্রুত, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে সত্য উদঘাটন না হলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জনগণের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

জনগণের জোর দাবি অভিযোগের নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্ত জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা

মাদক সিন্ডিকেট সম্পূর্ণরূপে ভেঙে দেওয়া

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা

শেষ কথা আইনের রক্ষক হিসেবে পুলিশের ভূমিকা একটি রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

সেই বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধেই যখন মাদক ব্যবসার মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠে, তখন তা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সংকট নয়—বরং পুরো সমাজ ব্যবস্থার জন্যই এক বড় সতর্কবার্তা।

 

সচেতন মহলের মতে, এখনই সময় এসব অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে নিয়ে কার্যকর তদন্ত ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়ার—নয়তো ভবিষ্যতে পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করতে পারে।

 

অভিযুক্তের প্রতিক্রিয়া:

 

এই বিষয়ে অভিযুক্ত কনস্টেবল রাজিব কুমার-র সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি কোনো সুস্পষ্ট জবাব দিতে পারেননি। বরং তিনি বলেছেন, প্রতিবেদনের প্রকাশ হলে তিনি আত্মহত্যা করার হুমকি দিয়েছেন এবং সংশ্লিষ্ট সাংবাদিককে ফাঁসানোর চেষ্টা করবেন।

 

এই মন্তব্য বিষয়টিকে আরও গুরুতর করে তুলেছে এবং নিরাপত্তা ও আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্তের প্রয়োজনীয়তা আরও জোরালো করেছে।

 

অডিও, ভিডিও সংরক্ষিত আছে

 

দ্বিতীয় পর্ব আসছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট