1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইপিজেড এলাকায় চসিকের জোরালো উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত…! দক্ষিণ হালিশহর উচ্চ বিদ্যালয় ফুটবল দলের প্রাকটিস জার্সি উন্মোচন ও বুট-মোজা বিতরণ পটিয়ায় হয়রত জামাল উদ্দিন শাহ্ (রা:) বার্ষিক ওরশ সম্পন্ন  চসিকের উদ্যোগে ইপিজেডের‌ বেশ কয়েকটি স্থানে ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান প্রস্তুতি ম্যাচে মাইজ পাড়া মাহামুদুন্নবী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় জিতেছে চট্টগ্রামের নালায় বস্তাবন্দি দেড় হাজারের বেশি বুলেট উদ্ধার ,..!  চট্টগ্রামে আর্দশ শিক্ষক ফোরাম এর নবাগত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচে গোল শূন্য ড্র করেছে দক্ষিণ হালিশহর উচ্চ বিদ্যালয় দল ইপিজেডে চীনা নাগরিকের চুরি যাওয়া ডলার ও মালামাল উদ্ধার করেছে পুলিশ..….! দেওয়ান হাটে গণ সংহতি আন্দোলনের মানববন্ধন কর্মসূচি: ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রশাসনের কার্যকরী পদক্ষেপের দাবি 

প্রেমের ফাঁদে সর্বনাশ: অশ্লীল ভিডিও রেকর্ডে কোটিপতি ‘ইমু সেক্স মাস্টার’ বিশাল: জিম্মি করা প্রেমিকাদের দিয়ে অস্ত্র মাদক পাচারের সিন্ডিকেট 

এসএম রুবেল' সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার' চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
  • ৩১ বার পড়া হয়েছে

প্রেমের ফাঁদে সর্বনাশ: অশ্লীল ভিডিও রেকর্ডে কোটিপতি ‘ইমু সেক্স মাস্টার’ বিশাল: জিম্মি করা প্রেমিকাদের দিয়ে অস্ত্র মাদক পাচারের সিন্ডিকেট 

বিশেষ অপরাধ প্রতিবেদক | এসএম রুবেল ইনভেস্টিগেশন টিম অফ ক্রাইম সিন ইউনিট মিডিয়া সেল চাঁপাইনবাবগঞ্জ। ২০- ৭ – ২০২৬
সোশ্যাল মিডিয়ার দেওয়ালে রূপের সুনামি আর ইনবক্সের মিষ্টি কথায় বুঁদ হয়ে নিখাদ প্রেমের স্বপ্ন দেখছিলেন ভুক্তভোগী নারীরা। কিন্তু তারা কেউ ভাবতেও পারেননি, পর্দার ওপারে ওত পেতে থাকা এক শিকারী তাদের জীবনকে নরক বানানোর ছক কষছে। সুন্দরী নারীদের টার্গেট করে প্রেমের জাল বিছানো, অতঃপর কৌশলে অশ্লীল ভিডিও ধারণ করে তা ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার এক ভয়ঙ্কর চক্রের সন্ধান মিলেছে। এই চক্রের মূল হোতা চাঁপাইনবাবগঞ্জের কুখ্যাত প্রতারক, মাদক ব্যবসায়ী ও ব্ল্যাকমেইলার বিশাল— অপরাধ জগতে যার পরিচিতি এখন ‘ইমু সেক্স মাস্টার’ হিসেবে মুখোশধারী চক্র দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন দেশজুড়ে অপরাধচক্রের অন্যতম অপরাধ জগতের মূল হোতা (বিশাল ওরফে ইমু সেক্স মাস্টার ও শীর্ষ মাদক সেসব ব্ল্যাকমেইল কারি বিশাল)।

অপরাধচক্রটি অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার হরিপুর ভাঙা ব্রিজ সংলগ্ন এলাকার এই শীর্ষ প্রতারক বিশালের ব্ল্যাকমেইল নেটওয়ার্ক এখন পুরো অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জন্য এক আতঙ্কের নাম ও সর্বনাশের নীল নকশা! তথ্য অনুসন্ধানে জানা গেছে! ফেসবুক, ইমু, মেসেঞ্জার, বা হোয়াটসঅ্যাপের মতো জনপ্রিয় মাধ্যমগুলোকে হাতিয়ার বানিয়ে প্রথমে টার্গেট করা হতো সুন্দরী ও বিত্তশালী প্রবাসে কর্মরত স্বামীর স্ত্রী নারীদের। এরপর সুকৌশলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে ভিডিও কলে আপত্তিকর মুহূর্ত রেকর্ড করা হতো। একবার সেই ফাঁদে পা দিলেই শুরু হতো বিশালের আসল খেলা। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার নাম করে ভুক্তভোগীদের মানসিকভাবে পঙ্গু করে দিয়ে দাবি করা হতো মোটা অঙ্কের টাকা।

লোকলজ্জা আর সামাজিক মর্যাদার ভয়ে অনেকেই মুখ বুজে সহ্য করেছেন এই নির্যাতন, খুইয়েছেন লাখ লাখ টাকা! তার এই ব্ল্যাকমেলের শিকারি হয়ে গুমরে গুমরে কাঁদছে বহু ভুক্তভোগী সুন্দরী নারীরা! অনুসন্ধানে আরও জানা গেছে, নারীদের ব্ল্যাকমেইল করে হাতিয়ে নেওয়া এই বিপুল অর্থ দিয়ে বিশাল গড়ে তুলেছে এক অন্ধকার সাম্রাজ্য। রাতভর মাদক সেবন আর তথাকথিত ‘রঙ্গমহলে’ বেপরোয়া জীবনযাপনই ছিল তার প্রধান বিলাসিতা। নিরীহ নারীদের কান্নার ওপর দাঁড়িয়ে সে মেতে উঠেছিল অপরাধের উল্লাসে। একের পর এক নারীর জীবন ধ্বংস করে সে আজ কোটিপতি এবং এলাকার অন্যতম শীর্ষ মাদক ব্যবসায়ী ও ব্ল্যাকমেইলার হিসেবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। এই ভয়ঙ্কর প্রতারক ও তার চক্রের হাত থেকে সমাজকে রক্ষা করতে এবং ভুক্তভোগী নারীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিতে এখন প্রশাসনের কঠোর ও দ্রুত পদক্ষেপ সময়ের দাবি করছেন জ্বলন্ত শিকার হয়ে পদ্মার আড়ালে থাকা ওই সব সুন্দরী রমণীরা।

এই ধরনের ঘৃণ্য অপরাধের বিরুদ্ধে দেশের প্রচলিত আইন, কঠোর শাস্তি এবং সামাজিক সচেতনতার ! আইনের চোখে ব্ল্যাকমেইলিং গোপনে ভিডিও ধারণ ও ছড়ানোর পরিণতি কতটা ভয়াবহ? আইন ও অপরাধ বিশ্লেষক দেশের সংবিধান বলছেন! সোশ্যাল মিডিয়াকে ঢাল বানিয়ে গোপনে অশ্লীল ভিডিও রেকর্ড করা এবং তা ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়া কেবল একটি সামাজিক ব্যাধিই নয়! এটি দেশের প্রচলিত আইনে অত্যন্ত গুরুতর ও অ জামিনযোগ্য অপরাধ। প্রযুক্তির অপব্যবহার করে যারা নারীদের জীবন বিষিয়ে তুলছে, তাদের মনে রাখা উচিত— বাংলাদেশের আইন এই ধরনের অপরাধীদের কঠোর হস্তে দমনের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। কোনো ব্যক্তির অজান্তে বা গোপনে তার আপত্তিকর ছবি কিংবা ভিডিও ধারণ করা এবং তা দিয়ে ব্লাকমেইল করা ব্যক্তির ব্যক্তিগত গোপনীয়তা মানবাধিকারের ওপর চরম আঘাত! যা দেশের একাধিক আইনে কঠোরভাবে দণ্ডনীয় অপরাধ কর্মকাণ্ড সরাসরি সংবিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো এই অপরাধচক্র।

বাংলাদেশের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১২ অনুযায়ী! কোনো ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া বা গোপনে তার কোনো নগ্ন বা আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই আইনের ৪ ধারা মোতাবেক! যদি কোনো ব্যক্তি পর্নোগ্রাফির মাধ্যমে কোনো ব্যক্তিকে ব্ল্যাকমেইল বা ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন! তবে তিনি সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত সশ্রম কারাদণ্ড এবং ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন। এছাড়া যদি কেউ ইন্টারনেটে বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ধরনের উপাদান প্রচার বা প্রকাশ করে তবে তার শাস্তি আরও কঠোর হতে পারে! পাশাপাশি দেশের সাইবার নিরাপত্তা আইন (Cyber Security Act) অনুযায়ী ডিজিটাল মাধ্যমে কারও মানহানি করা ব্যক্তিগত ছবি বা তথ্য ব্যবহার করে প্রতারণা করা এবং আপত্তিকর কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়ার অপরাধে মোটা অঙ্কের জরিমানা ও দীর্ঘমেয়াদী কারাদণ্ডের বিধান বাংলাদেশ সংবিধান আইনে এসব অপরাধী চক্রকে ধরিয়ে দিয়ে দেশের ভাবমূর্তি রক্ষা করতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন এই কুখ্যাত অপরাধী বিশালের হাতে সর্বস্বান্ত এসব ভুক্তভোগীরা।

অপরাধীরা যতই প্রভাবশালী বা চতুর হোক না কেন! প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে তাদের আইনি জালে জড়ানো এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। ভুক্তভোগীদের লোকলজ্জার ভয় ভেঙে থানায় বা সাইবার ক্রাইম ইউনিটে অভিযোগ দায়ের করতে হবে। ‘ইমু সেক্স মাস্টার’ বিশালের মতো সমাজবিরোধী ব্ল্যাকমেইলারদের দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার মাধ্যমেই কেবল ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মগুলোকে নিরাপদ এবং নারীদের মর্যাদা রক্ষা করা সম্ভব! এসব মুখোশধারী চক্রগুলোকে দ্রুত আইনের হাতে ধরে সোপর্দ করাসহ দায়িত্ব আপনারও আমার রয়েছেন। কান্নার আড়ালে লাশের মিছিল কারও অজানা এখন আসল রহস্য বেরিয়ে এসেছে ক্রাইম সিনের মুখোশ উম্মোচন! কে এই অপরাধ জগতের মাস্টার মাইন্ড পদ্মার আড়ালে থাকা অপরাধ জগতের গডফাদার ইমু সেক্স মাস্টার’ বিশালের সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি শত শত সুন্দরী নারীর জীবন! এখন মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে রমণীরা!

ক্রাইম সিনের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এই কুখ্যাত অপরাধী আর কেউ নন! হরিপুর ভাঙা ব্রিজ এলাকার কুখ্যাত ব্ল্যাকমেইলার বিশাল ওরফে ‘ইমু সেক্স মাস্টার’ এবং তার সহযোগীদের অপরাধের জাল কতটা গভীরে, তা ভাবলে শিউরে উঠতে হয়। এটি কেবল সাধারণ কোনো প্রতারণা নয়! বরং দীর্ঘদিন ধরে গড়ে তোলা এক সংঘবদ্ধ ও নারকীয় অপরাধ সাম্রাজ্য। স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এই চক্রটি দিনের পর দিন তাদের ব্ল্যাকমেইলিং ও মাদকের রমরমা ব্যবসা চালিয়ে আসছে। সুন্দরী নারীদের ফাঁদে ফেলে ধারণ করা হয় অশ্লীল ভিডিওকে অস্ত্র বানিয়ে তারা হাতিয়ে নিয়েছে লাখ লাখ টাকা। আজ ভুক্তভোগীদের চোখের জলে কেনা সেই রক্তমাখা টাকায় বিশাল ও তার সহযোগীরা কোটিপতি বনে গেছে! আর অন্যদিকে শত শত নিরীহ নারী হারিয়েছেন তাদের সম্ভ্রম! পরিবার এবং বেঁচে থাকার শেষ সম্বলটুকু।

এই পৈশাচিক চক্রের নির্মমতার শিকার হয়ে আজ শত শত নারী আক্ষরিক অর্থেই দেউলিয়া হয়ে গেছেন। লোকলজ্জা, সামাজিক লাঞ্ছনা আর পরিবারের কাছে মুখ দেখাতে না পেরে কেউ হয়েছেন ঘরছাড়া! আবার কেউ কেউ কোনো উপায় না দেখে বেছে নিয়েছেন আত্মহত্যার মতো চূড়ান্ত ও করুণ পথ। পর্দার আড়ালে বসে অপরাধীরা যখন নারীদের সর্বস্ব লুটে নিয়ে মাদক আর রঙ্গমহলে উৎসব করছে, তখন লোকচক্ষুর আড়ালে গুমরে গুমরে কাঁদছেন সর্বস্বান্ত হওয়া নারীরা। অনেকে মানসিকভাবে পঙ্গু হয়ে আজ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ার মতো চরম অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন। আইনের চোখকে ফাঁকি দিয়ে বছরের পর বছর ধরে চলা এই প্রকাশ্য দিবালোকে ডাকাতি আর নারীদের আত্মহননে বাধ্য করার মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে এখনই যদি প্রশাসন (এই শিষ্য কিলার বিশালকে) ধরতে সাঁড়াশি অভিযান না চালায়! তবে এই মৃত্যুমিছিল থামানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। এই নরপিশাচ বিশাল ও তার পুরো সিন্ডিকেটকে দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির মুখোমুখি করা এখন পুরো সমাজের দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া দাবিসহ এখন প্রশাসন কি উদ্যোগ বেছে নিবেন তা এখন ভুক্তভোগী সহ দেশের সাধারণ মানুষ অপেক্ষার প্রহর গুনছেন! প্রশাসন কি পারবে এই কুখ্যাত কিলার দেশের অপরাধী চক্রের মূল হোতা বিশালকে গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ কঠোর শাস্তি দিয়ে আইনের আওতায় এনে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে প্রশাসনের তৎপরতা! এসব নরকীয় অপরাধীদের শক্তিশালী সিন্ডিকেটকে চিরতরে মুছে ফেলতে প্রশাসনের সর্বোচ্চ চ্যালেঞ্জ আর ভুক্তভোগীদের মুখে হাসি ফোটাতে বিশালের অপরাধী সিন্ডিকেট ভাংতে দেশের সরকার ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ সহ সর্বোচ্চ দাবী জানিয়েছেন দেশ জনতা।

অনুসন্ধানে আরো বেরিয়ে এসেছেন! অপরাধী বিশালের চাঞ্চল্যকর রহস্যময় ঘটনা দেশ ছাড়িয়ে তাদের আন্তর্জাতিক সিন্ডিকেট: নারীদের রক্তচোষা টাকায় দেশ-বিদেশে ‘ইমু সেক্স মাস্টার’ বিশালের প্রমোদভ্রমণে বিদেশি নারীদের আকর্ষ ও টার্গেট! অনুসন্ধানে নেমে হরিপুরের কুখ্যাত ব্ল্যাকমেইলার বিশাল ওরফে ‘ইমু সেক্স মাস্টার’ ও তার চক্রের অপরাধের যে আন্তর্জাতিক ও বহুমাত্রিক রূপ বেরিয়ে এসেছে, তা রীতিমতো গা শিউরে ওঠার মতো। এই চক্রের অপরাধের সীমানা এখন আর শুধু দেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নেই! বরং সোশ্যাল মিডিয়া ও ফেসবুকে অসংখ্য ভুয়া বা ‘ফেক আইডি’ খুলে সুন্দরী নারীদের টার্গেট করার এই নীল নকশা এখন ছড়িয়ে পড়েছে দেশের বাইরেও। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও গড়ে উঠেছে এদের এক শক্তিশালী ও সক্রিয় সহযোগী সিন্ডিকেট। দেশ-বিদেশের সরলমনা নারীদের প্রেমের ফাঁদে ফেলে! কৌশলে ধারণ করা গোপন ভিডিওর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে এই চক্র। আর ভুক্তভোগী নারীরা যখন সর্বস্বান্ত হয়ে, মান-সম্মান হারিয়ে আত্মহননের পথ বেছে নিচ্ছেন! তখন এই অপরাধী গ্যাং সেই অবৈধ রক্তমাখা টাকায় মেতে উঠছে চরম মহাউৎসবে।

অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে প্রেমের ফাঁদে সর্বনাশ: অশ্লীল ভিডিও ও ব্ল্যাকমেইলে কোটিপতি ‘ইমু সেক্স মাস্টার’ বিশালের অন্ধকার জগৎ ,রাজধানীর অপরাধ জগতে এক আতঙ্কের নাম ‘ইমু সেক্স মাস্টার’ বিশাল, যে প্রেমের ছদ্মবেশে অসংখ্য তরুণীকে অশ্লীল ভিডিওর ফাঁদে ফেলে গড়ে তুলেছে এক বিশাল ব্ল্যাকমেইলিং সাম্রাজ্য। অভিযোগ রয়েছে, বিশাল প্রথমে সোশ্যাল মিডিয়া ও বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে টার্গেট করা তরুণীদের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে এবং পরবর্তীতে কৌশলে অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে তাদের জিম্মি করে ফেলে। এই অশ্লীল ভিডিওগুলো ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে সে তার ভুক্তভোগী প্রেমিকাদের কেবল ব্যক্তিগতভাবে জিম্মিই করেনি, বরং তাদের ব্যবহার করে দেশে-বিদেশে অস্ত্র, ও মাদক পাচারের মতো ভয়াবহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডও পরিচালনা করছে। ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে অর্জিত কোটি কোটি টাকার অবৈধ বাণিজ্যে গড়ে তোলা এই সিন্ডিকেটে ভুক্তভোগী নারীরা বাধ্য হয়ে জড়িয়ে পড়ছে অপরাধের অন্ধকারে। বিশালের এই বিরামহীন নিষ্ঠুরতা ও আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে চালানো সিন্ডিকেট কেবল ভুক্তভোগীদের জীবনই ধ্বংস করছে না, বরং জাতীয় নিরাপত্তার জন্য এক চরম হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। দ্রুত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ এবং এই ভয়ংকর ‘সেক্স মাস্টার’ ও তার সহযোগীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিই পারে ভুক্তভোগী নারীদের এই জিম্মিদশা থেকে মুক্ত করতে এবং সমাজকে এই অশুভ চক্র থেকে রক্ষা করতে।

তথ্যপ্রমাণ বলছে! নারীদের ব্লাকমেইল করে উপার্জিত এই কালো টাকা দিয়ে বিশাল এবং তার সহযোগীরা দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন বিলাসবহুল পর্যটন কেন্দ্রে নিয়মিত প্রমোদভ্রমণ বা ‘ট্যুর’ করে বেড়াচ্ছে। একদিকে নিভৃতে কাঁদছেন সম্ভ্রম হারানো নারীরা, অন্যদিকে সেই টাকায় থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুর, ডুবাই, মালদ্বীপ, ভুটান, ভারত, কাশ্মীর, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশের রিসোর্টে ও দেশের ভেতরের অভিজাত রঙ্গমহলে ফুর্তি আর মাদক উৎসবে মাতোয়ারা এই কুখ্যাত কিলার বিশালের অপরাধী চক্র। দেশ-বিদেশ ও স্থানীয় প্রশাসনকে তোয়াক্কা না করে এই চক্রটি আন্তর্জাতিকভাবে যে সাইবার অপরাধের সাম্রাজ্য ও অর্থ পাচারের নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছে! তা দেশের নিরাপত্তার জন্যও এক বিরাট হুমকি। শত শত নারীর জীবনকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেওয়া এবং দেশের বাইরে নেটওয়ার্ক বিস্তৃত করা এই আন্তর্জাতিক ব্ল্যাকমেইলার বিশাল ও তার পুরো সিন্ডিকেটকে ইন্টারপোল ও সাইবার ক্রাইম ইউনিটের যৌথ অভিযানের মাধ্যমে দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়াসহ তাকে এবং তার সহযোগীদের গ্রেপ্তার করে জনসম্মুখে তাদের মুখোশ খুলে দিয়ে সর্বোচ্চ শাস্তি কামনা করছেন দেশ ও আন্তর্জাতিক ভুক্তভোগী নারীরা। অপরাধচক্র দেশ ও আন্তর্জাতিক শীর্ষ কিলার চাঁপাইনবাবগঞ্জেরই বিশাল ওরফে ইমু সেক্স মাস্টার ও কুখ্যাত ব্ল্যাকমেইল চক্র মাদক সেবনকারী বিশাল মোবাইল নম্বর -+8801640373188 মুখোশধারী’র মুখোশ উন্মো’চন! নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদনে থাকছেন! ক্রাইম রিপোর্টার (এসএম রুবেল) চাঁপাইনবাবগঞ্জ গণমাধ্যম মিডিয়া সেল। ( ক্রা’ই’ম ইনভেস্টিগেশন ক্রা’ই’ম পে’ট্রো’ল ক্রা’ই’ম সি’ন) পর্ব-১ বিস্তারিত রিপোর্ট কমেন্ট অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে থাকছেন মুখোশধা’রীর অন্তরালে লুকিয়ে থাকা! এসব দেশ-বিদেশ অপরাধী চক্র অপরাধীদের খুঁজছে ক্রাইম সিন! আর মোস্ট ওয়ানটেড অপরাধচক্র কুখ্যাত গডফাদার কিলারকে খুঁজছে পুলিশ! পর্ব- ১

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট