1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ধর্মীয় মূল্যবোধ ও শিশু সুরক্ষা: চাই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও ন্যায়বিচার *এম নজরুল ইসলাম খান* দঃ হালিশহর ফুটবল একাডেমির কার্যক্রমে বাফুফের সন্তুষ্টি প্রকাশ… চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে ১ম ইন্টারন্যাশনাল চেস টুর্নামেন্ট -২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে থমথমে পরিস্থিতি: মামলা তুলে নেওয়ার দফায় দফায় হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি, লুটপাট বাড়ি ভাঙচুর চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার!  প্রফেসর শায়েস্তা খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত” অজস্র শ্রদ্ধায় বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও শিক্ষাবিদ স্মরণ করলো আমরা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার পতাকা আর দেখতে চাই না, এবার বাংলাদেশের পতাকা উড়াতে চাই চাই- মেয়র ডাঃ শাহাদাত  চট্টগ্রামে আরো ৩ একাডেমি পেলো বাফুফের ওয়ান স্টার লাইসেন্স তামিমের ১৯তম জন্ম দিবস উদযাপন পটিয়ায় চালককে অজ্ঞান করে ১৬ লাখ টাকার চিনি সহ কভার্ডভ্যান ছিনতাই, চালককে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার…! পটিয়া চক্রশালার মেয়ে অন্তু দে : তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে আলোকিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে

শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারের পর এএসআই মোতালেবকে ঘিরে নতুন অভিযোগ—‘চাকরি কাড়তে কোটি টাকার বাজেট হুঁশিয়ারিতে স্ত্রীর! ভাইরাল ভিডিও নিয়ে সদর মডেল থানার বিরুদ্ধে অপপ্রচার 

এসএম রুবেল' সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার' চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৬৩ বার পড়া হয়েছে

শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তারের পর এএসআই মোতালেবকে ঘিরে নতুন অভিযোগ—‘চাকরি কাড়তে কোটি টাকার বাজেট হুঁশিয়ারিতে স্ত্রীর! ভাইরাল ভিডিও নিয়ে সদর মডেল থানার বিরুদ্ধে অপপ্রচার 

বিশেষ অনুসন্ধান | ক্রাইম সিন ইউনিট মিডিয়া সেল ক্রাইম এলার্ট! এস এম রুবেল, অনুসন্ধানী প্রতিবেদক চাঁপাইনবাবগঞ্জ | ২ অক্টোবর ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের নথিতে তালিকাভুক্ত মাদকসংক্রান্ত একাধিক মামলার আসামি হিসেবে উল্লেখ থাকা মো. হান্নান আলীকে ঘিরে সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমে প্রচারিত প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সদর মডেল থানা কর্তৃপক্ষের দাবি, প্রচারিত প্রতিবেদনে ঘটনাটির একপাক্ষিক ও বিভ্রান্তিকর উপস্থাপন করা হয়েছে, যার ফলে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। পুলিশের বক্তব্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে মাদকসংক্রান্ত একাধিক মামলা ও আইনগত কার্যক্রমের তথ্য রয়েছে। ফলে তার পক্ষের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে পুলিশকে অভিযুক্ত বা হেয় প্রতিপন্ন করার আগে মামলার নথি, পিসিপিআর, এজাহার ও আদালতের নথি যাচাই করা প্রয়োজন। সদর মডেল থানা কর্তৃপক্ষ দাবি করছে—প্রচারিত ভিডিও/প্রতিবেদনে প্রকৃত তথ্যের পরিবর্তে বিভ্রান্তিকর তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে এবং বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা জরুরি। 

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার পক্ষ থেকে প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। থানার কর্মরত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোতালেব হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দাবি! প্রচারিত ভিডিও ও এর সঙ্গে দেওয়া কিছু তথ্য ভুল, বিভ্রান্তিকর এবং বাস্তব ঘটনার সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ। যার পুরোপুরি কুখ্যাত মাদক কারবারির পক্ষে প্রতিবেদন সোশ্যাল মিডিয়াতে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। থানা কর্তৃপক্ষের বক্তব্য অনুযায়ী, ভিডিওতে যেভাবে ঘটনাটি উপস্থাপন করা হয়েছে, তা প্রকৃত তথ্যের পূর্ণাঙ্গ প্রতিফলন নয়। 

তবে চিহ্নিত এই মাদক কারবারীর ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি মো. হান্নান আলী, পিতা—মো. ইয়াছিন আলী! তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা ও আইনগত কার্যক্রমের তথ্য সরকারি নথিতে রয়েছে। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসে শীর্ষ মাদক কারবারির বিরুদ্ধে সদর মডেল থানা পুলিশ কর্তৃক পিসিপিআর নথিতেও মাদক কারবারি (হান্নান আলীর) বিরুদ্ধে রাজশাহীর গোদাগাড়ী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানাসহ বিভিন্ন থানায় মাদকসংক্রান্ত একাধিক মামলার উল্লেখ দেখা যায়। তবে নথিতে ২০২৬ সালের একটি মামলাসহ পূর্ববর্তী মামলার তথ্য এবং গ্রেপ্তার/আদালত-সংক্রান্ত কার্যক্রমের উল্লেখ রয়েছে। এ অবস্থায় সদর মডেল থানা কর্তৃপক্ষ বলছে, কেবল একটি ভিডিও বা অসম্পূর্ণ তথ্যের ভিত্তিতে কাউকে নির্দোষ হিসেবে উপস্থাপন করা হলে তা জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে। একই সঙ্গে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে থাকা মামলার তথ্যকে চূড়ান্ত অপরাধ প্রমাণ হিসেবে নয়, বরং সরকারি নথিভুক্ত অভিযোগ ও আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

এএসআই মোতালেব হোসেনের বিষয়ে সদর মডেল থানা কর্তৃপক্ষের  বক্তব্য বলা হয়েছে! সদর মডেল থানার কর্মরত এএসআই মোতালেব হোসেনের ভূমিকা নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে তথ্য বা ইঙ্গিত ছড়িয়েছে, তা সঠিক নয় বলে থানা কর্তৃপক্ষ দাবি করেছে। তাদের ভাষ্য, দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যকে ঘিরে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হলে বিষয়টি প্রকৃত ঘটনা আড়াল করার সুযোগ তৈরি করতে পারে। থানা কর্তৃপক্ষ আরও জানিয়েছে! আইনগত নথি মামলার এজাহার, গ্রেপ্তারসংক্রান্ত তথ্য ও আদালতের নথি যাচাই করেই কোনো ঘটনার বিষয়ে চূড়ান্ত বক্তব্য দেওয়া এটি গণমাধ্যমের উচিত অন্যদিকে! নথি বনাম ভাইরাল ভিডিও—প্রয়োজন নিরপেক্ষ যাচাই বাছাই করা এটি একমাত্র গণমাধ্যমের দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন পুলিশ কর্তৃপক্ষ সদর মডেল থানা।

পুলিশের বক্তব্যে প্রকৃত ঘটনার ব্যাখ্যা তবে! সদর মডেল থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোতালেব হোসেন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে হান্নান আলীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। তার বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযানে ওই বাড়ি থেকে ১ কেজি ২০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার এবং হাসান আলীকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান। এএসআই মোতালেব হোসেন আরও জানান গ্রেপ্তারের পর বিভিন্ন মহল থেকে আসামিকে ছাড়িয়ে দেওয়ার জন্য তার কাছে ফোন ও সুপারিশ আসে এবং অর্থের বিনিময়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়েছিল। তবে তিনি এসব সুপারিশ আমলে না নিয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করেন বলে জানান। এ পুলিশ কর্মকর্তা আরো জানান মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে অভিযান ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়াই ছিল তার দায়িত্ব। তিনি আরও অভিযোগ করেন, এরপর থেকেই তাকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের অপপ্রচার ও চাপ সৃষ্টির চেষ্টা চলছে। বিষয়টি তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেছেন বলেও জানান। তবে ঘুষের প্রস্তাব, সুপারিশ ও পরবর্তী অপপ্রচারের অভিযোগগুলো পুলিশের ভাবমূর্তি বিনষ্ট করার চেষ্টায় একটি কুচক্র মহল ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে! 

মাদকবিরোধী অভিযানে মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় এএসআই মোতালেব হোসেনকে ঘিরে অপপ্রচারের বিরুদ্ধে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরার দাবি! চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় যোগদানের পর থেকে সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মোতালেব হোসেন মাদকবিরোধী অভিযানসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন বলে সংশ্লিষ্ট থানা সূত্রে জানা যায়। পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নে তিনি দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের চাপ বা সুপারিশকে প্রাধান্য না দিয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। তার দায়িত্ব পালন ও অপরাধ দমনে ভূমিকার স্বীকৃতি হিসেবে পুলিশের পক্ষ থেকে পুরস্কৃত/সম্মানিত হওয়ার তথ্যও পুলিশের পক্ষ থেকে পাওয়া গেছে! ফলে তাকে ঘিরে কোনো অভিযোগ বা সমালোচনা সামনে এলে একতরফাভাবে প্রচার না করে সংশ্লিষ্ট মামলার নথি, উদ্ধারসংক্রান্ত কাগজপত্র, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের বক্তব্য এবং অন্যান্য প্রমাণ যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের দাবি জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট পুলিশ পক্ষ। তাদের মতে মাদকবিরোধী অভিযানে দায়িত্ব পালনকারী একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যাচাইহীন তথ্য প্রচার হলে তা শুধু ব্যক্তিগত ভাবমূর্তিই নয়! বরং মাদকবিরোধী আইন প্রয়োগের সামগ্রিক কার্যক্রম নিয়েও জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে।

অনুসন্ধানে স্থানীয় বাসিন্দা ও সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, চর বালিয়াঘাটা এলাকায় হান্নান আলী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, তাদের কথিত মাদক কারবারে অতিষ্ঠ হয়ে বিভিন্ন সময়ে এলাকাবাসী ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং কয়েক দফায় তাদের ঘেরাও করে মারধরের ঘটনাও ঘটেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, মাদক ব্যবসা থেকে বিরত থাকার প্রতিশ্রুতি দিয়ে হান্নান আলী ও তার স্ত্রী স্থানীয় গ্রামবাসীর কাছে লিখিত মুচলেকা দিয়েছিলেন বলে কয়েকজন বাসিন্দা দাবি করেন। সংশ্লিষ্ট পুলিশ সূত্রের বরাতে জানা গেছে, হান্নান আলীর বিরুদ্ধে মাদক-সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে; স্থানীয় সূত্রগুলো মামলার সংখ্যা অন্তত ১২টি বলে দাবি করলেও সংশ্লিষ্ট মামলার নথি যাচাই করে সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন স্থানীয় বাসিন্দার অভিযোগ, হান্নান আলী ও তার স্ত্রীর কথিত মাদক ব্যবসার পেছনে প্রভাবশালী যোগাযোগ থাকায় তাদের বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে অবস্থান নেওয়া স্থানীয়দের জন্য কঠিন হয়ে পড়ে। আরও অভিযোগ পাওয়া গেছে, এএসআই মোতালেব হোসেন মাদকসহ হান্নান আলীকে গ্রেপ্তার করার পর ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার জন্য বিপুল অর্থ ব্যয়ের কথা কেউ কেউ বলেছেন—এমনকি কোটি টাকার বেশি অর্থ খরচের দাবিও করা হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ। তবে এ দাবির স্বাধীন প্রমাণ এখনো পাওয়া যায়নি। ফলে মাদক-সংক্রান্ত মামলাগুলোর নথি, কথিত মুচলেকা, গ্রেপ্তারের রেকর্ড এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য যাচাই করে প্রকৃত তথ্য উদঘাটন জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সুশীল সমাজ ও বিশেষজ্ঞদের দৃষ্টিতে—নথি যাচাই করেই সত্য প্রকাশ জরুরি! তবে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রে তারা যদি এমন মত দেন, তাহলে তাদের বক্তব্যের মূল বিষয় হওয়া উচিত—মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনাকারী পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ উঠলে যেমন তা গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই করা প্রয়োজন, তেমনি কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকসংক্রান্ত মামলা বা গ্রেপ্তারের তথ্য থাকলেও আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে তাকে দোষী হিসেবে উপস্থাপন না করাই দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার অংশ। আইনগত বিশেষজ্ঞদের মতে, মামলা, এজাহার, পিসিপিআর, জব্দতালিকা, রাসায়নিক পরীক্ষার প্রতিবেদন, গ্রেপ্তার ও আদালতের নথি—প্রতিটি তথ্য আলাদাভাবে যাচাই করা জরুরি। বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের বিভিন্ন রায়েও অপরাধ প্রমাণে নির্ভরযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণের গুরুত্ব এবং অভিযোগকে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে ধরে না নেওয়ার নীতি স্পষ্ট করা হয়েছে।

একই সঙ্গে নাগরিক সমাজের দৃষ্টিতে, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা মাদকবিরোধী অভিযানে আইন অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করে থাকলে তার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অভিযোগও নথি ও প্রমাণের ভিত্তিতে যাচাই হওয়া উচিত। আবার পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো ভিডিও বা প্রতিবেদনকে বিভ্রান্তিকর বলা হলে, সেই দাবির পক্ষেও সংশ্লিষ্ট নথি ও প্রমাণ প্রকাশ বা যাচাইয়ের সুযোগ থাকা প্রয়োজন। ফলে বিষয়টিকে ‘পুলিশ বনাম অভিযুক্ত’ হিসেবে না দেখে নথি, প্রমাণ, প্রত্যক্ষ বক্তব্য এবং আদালতের কার্যক্রমের ভিত্তিতে সত্য উদঘাটন করাই হবে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা ও নাগরিক স্বার্থের পথ। বিশেষ করে পুলিশের বিরুদ্ধে ঘুষের প্রস্তাব, প্রভাব খাটানো বা অপপ্রচারের অভিযোগ এবং অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর তথ্য—দুই পক্ষের বক্তব্যসহ পৃথকভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। এতে একদিকে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশ সদস্যের অধিকার সুরক্ষিত থাকবে, অন্যদিকে অভিযুক্ত ব্যক্তির আইনগত অধিকারও অক্ষুণ্ণ থাকবে।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট