1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ধর্মীয় মূল্যবোধ ও শিশু সুরক্ষা: চাই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও ন্যায়বিচার *এম নজরুল ইসলাম খান* দঃ হালিশহর ফুটবল একাডেমির কার্যক্রমে বাফুফের সন্তুষ্টি প্রকাশ… চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে ১ম ইন্টারন্যাশনাল চেস টুর্নামেন্ট -২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে থমথমে পরিস্থিতি: মামলা তুলে নেওয়ার দফায় দফায় হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি, লুটপাট বাড়ি ভাঙচুর চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার!  প্রফেসর শায়েস্তা খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত” অজস্র শ্রদ্ধায় বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও শিক্ষাবিদ স্মরণ করলো আমরা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার পতাকা আর দেখতে চাই না, এবার বাংলাদেশের পতাকা উড়াতে চাই চাই- মেয়র ডাঃ শাহাদাত  চট্টগ্রামে আরো ৩ একাডেমি পেলো বাফুফের ওয়ান স্টার লাইসেন্স তামিমের ১৯তম জন্ম দিবস উদযাপন পটিয়ায় চালককে অজ্ঞান করে ১৬ লাখ টাকার চিনি সহ কভার্ডভ্যান ছিনতাই, চালককে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার…! পটিয়া চক্রশালার মেয়ে অন্তু দে : তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে আলোকিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে

স্বামীকে মাদকাসক্ত করে স্ত্রীকে জোরপূর্বক সম্পর্কের অভিযোগ, গোপন ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল ও অ্যাসিড ছুঁড়ে হত্যাচেষ্টার দাবি—সদর থানায় মামলার এজাহার

এসএম রুবেল' সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার' চাঁপাইনবাবগঞ্জ ইনভেস্টিগেশন টিম অফ ক্রাইম সিন মিডিয়া সেল!
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৭৩ বার পড়া হয়েছে

স্বামীকে মাদকাসক্ত করে স্ত্রীকে জোরপূর্বক সম্পর্কের অভিযোগ, গোপন ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল ও অ্যাসিড ছুঁড়ে হত্যাচেষ্টার দাবি—সদর থানায় এজাহার

বিশেষ অনুসন্ধান | ক্রাইম সিন ইউনিট মিডিয়া সেল ক্রাইম এলার্ট! এস এম রুবেল, অনুসন্ধানী প্রতিবেদক চাঁপাইনবাবগঞ্জ | ৩ অক্টোবর ২০২৬

চাঁপাইনবাবগঞ্জ পরিচিতি সদর উপজেলা  বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে এক অসহায়  নারীকে জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন, গোপন ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল, মারধর, অ্যাসিড,ছুঁড়ে হত্যার হুমকি ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ উঠেছে মোস্তাফিজুর রহমান মামুন নামে এক মাদক কারবারি ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় মোছাঃ তিশা খাতুন নামের এই নারী চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে লিখিত এজাহার দিয়েছেন বলে প্রতিবেদকের হাতে থাকা নথিতে দেখা গেছে।

এজাহারে তিশা খাতুন দাবি করেন, অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান মামুন তাঁর স্বামী মোঃ জলিল আহমেদের একান্ত বন্ধু হওয়ায় তাঁদের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। অভিযোগকারীর ভাষ্য অনুযায়ী, একপর্যায়ে মামুন তাঁর স্বামীকে মাদক সেবনে আসক্ত করে বিভিন্ন সময় বাড়ির বাইরে রাখার সুযোগ নেন এবং তাঁকে লক্ষ্য করে অনৈতিক ও জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কের চেষ্টা করেন। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, তাঁর অজান্তে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে তা প্রকাশের ভয় দেখিয়ে তাঁকে ব্ল্যাকমেইল করা হতো এবং বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের অভিযোগও করা হয়েছে।

অনুসন্ধান ও এজাহারের বর্ণনা অনুযায়ী, ১ অক্টোবর ২০২৬ বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে মামুন ফোন করে বিয়ের বিষয়ে কথা বলার জন্য তাঁর বাড়িতে যেতে বলেন। অভিযোগকারীর দাবি, তাঁর কথায় বিশ্বাস করে সেখানে যাওয়ার পর মামুন শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের জন্য চাপ দেন। তিনি আপত্তি জানালেও তাঁর ইচ্ছার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা হয় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে। পরবর্তীতে বিয়ের কথা বললে অভিযুক্ত ক্ষিপ্ত হয়ে গালিগালাজ ও মারধর করেন এবং ঘটনা প্রকাশ করলে তাঁকে গণধর্ষণ ও অ্যাসিড নিক্ষেপের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে।

উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও কুপ্রস্তাবে বন্ধুদের ডেকে গণধর্ষণ করার অভিযোগ! তুলে ধরেন, তবে এজাহারে তিশা আরও দাবি করেন, ঘটনার পর মামুন তাঁর কয়েকজন বন্ধুকে ডেকে আনেন। তাঁদের উপস্থিতিতে ভুক্তভোগী তিশার তাঁর জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলা এবং পুনরায় জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। একপর্যায়ে সম্ভ্রম ও জীবন রক্ষার জন্য তিনি সেখান থেকে পালিয়ে স্থানীয় জহুরুল ওরফে ‘ব্যাংকার জহুরুল’-এর বাড়িতে আশ্রয় নেন বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে এই অসহায় নারী। 

হত্যাচেষ্টারও গুরুতর অভিযোগে এক নম্বর আসামি করে মামলা দায়ের করা হয় সদর মডেল থানায় অভিযুক্ত ব্যক্তি মামুনের বিরুদ্ধে! তবে এজাহারের সবচেয়ে গুরুতর অংশে অভিযোগ করা হয়েছে, তিশা জহুরুলের বাড়িতে আশ্রয় নেওয়ার পর মামুন ও তাঁর সঙ্গে থাকা ব্যক্তিরা সেখানে গিয়ে তাঁকে মারধর করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, সেখানে তাঁকে হত্যার উদ্দেশ্যে আক্রমণ করা হয় এবং তাঁকে বস্তায় ভরে নদীতে ফেলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তিশার বাঁচার আকুতি ও চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে আসেন এবং ৯৯৯-এ ফোন করার পর সদর মডেল থানা পুলিশের সাব ইন্সপেক্টর বেলাল আহমেদ  ঘটনাস্থলে এসে ভুক্তভোগী নারীকে উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় তাঁকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে নেওয়া হয় এবং চিকিৎসা গ্রহণের কথা এজাহারে উল্লেখ রয়েছে। অভিযোগকারীর দাবি, ঘটনার পর তাঁর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার বিষয়ে চিকিৎসা-সংক্রান্ত কাগজপত্র ও প্রতিবেদনও সংযুক্ত  রয়েছেন।

বাবা প্রবাসে মা ডিভোর্সি এই সুযোগে অনৈতিক কার্যকলাপের সুযোগ নেন এই অভিযুক্ত ব্যক্তি মামুন ওরফে ইয়াবা মামুন এনিয়ে গর্ভপাতের অভিযোগও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে! এজাহারে আরও একটি গুরুতর অভিযোগ করা হয়েছে। তিশার দাবি, জোরপূর্বক শারীরিক সম্পর্কের একপর্যায়ে তিনি গর্ভবতী হওয়ার বিষয়টি অভিযুক্তকে জানান। এরপর তাঁকে জোরপূর্বক ওষুধ খাওয়ানো হয় এবং এতে তাঁর গর্ভের সন্তান নষ্ট হয় বলে তিনি অভিযোগ করেছেন। তবে এই অভিযোগের সত্যতা চিকিৎসা নথি ও তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা করে অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করার দাবি জানান ভুক্তভোগীসহ ওই এলাকার গ্রামবাসীরা।

ঘটনা সততা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করে সাক্ষী হিসেবে যেমন দেন প্রতিবেদককে  এজাহারে মোঃ রনি (৩২), মোঃ শাহাদাত হোসেন (৩৩), মোঃ আরিফুল ইসলাম (৩০) ও মোঃ নাদিম (৪০)-সহ কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে তাঁরা ঘটনা জানেন বা দেখেছেন বলে দাবি করা হয়েছে। এসব ব্যক্তির সাক্ষ্য, চিকিৎসা নথি, ডিজিটাল আলামত, কল রেকর্ড, ঘটনাস্থলের তথ্য ও অন্যান্য প্রমাণ তদন্তে কতটা সমর্থন করে—তা সরাসরি চ্যালেঞ্জ করার হুঁশিয়ার এই ইউনিয়নের লীড ও আলোচিত ঘটনা বিষয়ে সরাসরি সর্বোচ্চ প্রমাণিত সাক্ষ্য তারা নথি সহ দিতে প্রস্তুত রয়েছেন বলে দাবি জানান সংশ্লিষ্ট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিকট। 

পুলিশের বক্তব্য নিয়ে সতর্কতা ঘটনার বিষয় প্রমাণিত হলে সর্বোচ্চ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিনভুক্তভোগী অসহায় নারীর পক্ষ থেকে এনিয়ে! চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ হিসেবে সরকারি পুলিশ পোর্টালে মোঃ একরামুল হোসাইন দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন মামলা সংক্রান্ত ইনভেস্টিগেশন টিম সাব ইন্সপেক্টর বেলাল আহমেদকে। তিনি আরও জানান ২ অক্টোবর ২০২৬-এর একটি সাম্প্রতিক সংবাদ পাওয়া গিয়েছে হর্নস্থলে ট্রিপল নাইন পুলিশ সেবা দিয়ে ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে সদর মডেল থানার ওসি বিষয়টি উল্লেখ করা করেন। 

তবে ঘটনার বিষয়ে সুশীল সমাজ ও স্থানীয়দের প্রত্যাশা! এনিয়ে ঘটনাটির অভিযোগের ধরন গুরুতর হওয়ায় স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে অভিযোগে যৌন সহিংসতা, মাদকাসক্ত করে স্বামীকে দূরে রাখা, গোপন ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল, হত্যার হুমকি ও হত্যাচেষ্টার মতো একাধিক বিষয় উঠে আসায় সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নেওয়া, চিকিৎসা নথি অনুযায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিসহ প্রত্যক্ষদর্শীদের জবানবন্দি গ্রহণ এবং ডিজিটাল আলামত পরীক্ষা জরুরি বলে মনে করছেন আইন ও নাগরিক অধিকার নিয়ে কাজ করা ব্যক্তিরা। একই সঙ্গে অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা এবং অভিযোগ প্রমাণিত না হলে নির্দোষ ব্যক্তির অধিকারও নিশ্চিত করার দাবি থাকা উচিত।

রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিরা বলছেন! এ ধরনের অভিযোগ অত্যন্ত গুরুতর। ঘটনার প্রকৃত সত্য উদঘাটনে কোনো পক্ষের প্রভাব বা চাপ ছাড়াই তদন্ত হওয়া দরকার। অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা এবং ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে”—বলছেন জেলার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদরা। এলাকাবাসীর দাবি! অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক এই মাদক ব্যবসায়ী অভিযুক্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে। তবে বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে তরুণী তিশাকে ঘিরে ওঠা গুরুতর অভিযোগের ঘটনায় দ্রুত তদন্ত ও আইনগত পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় এলাকাবাসী। তাঁদের দাবি, অভিযোগে যেসব ঘটনা উঠে এসেছে সেগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে সত্যতা যাচাই করতে হবে এবং অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার অভিযোগ, তিশার পারিবারিক অসহায়ত্ব—বিশেষ করে তাঁর বাবা প্রবাসে থাকা এবং মায়ের বিবাহবিচ্ছিন্ন অবস্থাকে—কেউ যদি সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করে থাকে, তাহলে বিষয়টি আরও গভীরভাবে তদন্তের দাবি রাখে। তাঁদের ভাষ্য, একজন নারীর পারিবারিক দুর্বলতা বা অসহায় পরিস্থিতিকে কাজে লাগিয়ে কোনো ধরনের চাপ, ভয়ভীতি, প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইল কিংবা অনৈতিক কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা অত্যন্ত গুরুতর সামাজিক ও আইনগত বিষয়। এ কারণে ভুক্তভোগীর নিরাপত্তা নিশ্চিতের পাশাপাশি অভিযোগের প্রতিটি দিক তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তাদের বক্তব্য বলা হয়েছে! এনিয়ে এলাকার কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা বলেন, কোনো মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করা হয়ে থাকলে সেটি সমাজের জন্য উদ্বেগজনক। তাঁদের ভাষ্য অভিযোগ সত্য হলে প্রভাবশালী কিংবা সাধারণ—কাউকেই ছাড় দেওয়া উচিত নয়। আবার অভিযোগের সত্যতা যাচাই ছাড়াই কাউকে দোষী সাব্যস্ত করাও সমীচীন নয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা বের করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিক। তাঁরা আরও বলেন, এ ধরনের অভিযোগের ক্ষেত্রে দ্রুত ও দৃশ্যমান আইনগত পদক্ষেপ না হলে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে তাঁরা ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি অভিযুক্ত পক্ষের আইনগত অধিকারও রক্ষার দাবি জানান।

দ্রুত তদন্ত ও আইনগত পদক্ষেপের দাবি! স্থানীয় বাসিন্দাদের জোর দাবি, বিষয়টি যেন কোনোভাবেই সামাজিক প্রভাব, ভয়ভীতি বা আপসের চাপে চাপা না পড়ে। অভিযোগের প্রতিটি বিষয় তদন্ত করে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রচলিত আইনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া এবং ভুক্তভোগীকে প্রয়োজনীয় সুরক্ষা দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে তদন্তে অভিযোগের কোনো অংশ অসত্য প্রমাণিত হলে সেটিও স্পষ্টভাবে জনসমক্ষে তুলে ধরার দাবি জানান স্থানীয় পর্যায় গণমাধ্যম কর্মীদের উপর। স্থানীয়দের বক্তব্য একটাই—ঘটনার প্রকৃত সত্য দ্রুত উদঘাটন হোক, নিরপরাধ কেউ যেন হয়রানির শিকার না হন এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হোক বলে স্থানীয় সহ এই এলাকাবাসীর জোর দাবি। পর্ব-২ অনুসন্ধান চলমান। 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট