
ইতালির টাকায় ক্ষমতার দাপট! রাজকীয় অট্টালিকা থেকে অসহায় বস্তিবাসীর ওপর নির্মম জুলুম
কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা ছিটিয়ে ভিটেমাটি উচ্ছেদের ঢোল পায়তারা! কোটের নোটিশ দিয়ে অসহায় পরিবারগুলোকে তাড়ানোর চেষ্টা!
স্বামীর প্রবাস ও ছেলের ইতালি-পাওয়ার! অট্টালিকার সীমানা বাড়াতে নিঃস্বদের ওপর অমানবিক নির্যাতন! (শীর্ষ লেডি কিলার ‘হালিমার’ সন্ত্রাসী বাহিনীর দাপটে আতঙ্ক এলাকাবাসী!
এসএম রুবেল অনুসন্ধানী প্রতিবেদক, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
প্রবাসের টাকায় রাজকীয় ক্ষমতার দাপটে অসহায় প্রতিবেশীদের বাড়ি উচ্ছেদে নোটিশের ফাঁদে তিন ওয়ারিশ পরিবারের ভুক্তভোগীরা : ইতালি-ডোনারের দাপটে বস্তিবাসী দিশেহারা: কোটের নোটিশ দিয়ে ভিটেমাটি উচ্ছেদের ২০ বছরের ছক!
টাকার গরমে ভিটেমাটিছাড়া হতে যাচ্ছে বস্তিবাসী: প্রবাসীর কোটি টাকায় অসহায় পরিবারের উপর চলছে দফায় দফায় জুলুম নির্যাতন!
বাপ দাদার পৈত্তিক সম্পত্তি ছাড়া হতে যাচ্ছেন ২০ টি দিনমজুর অসহায় পরিবার! প্রবাসী স্ত্রীর সন্ত্রাসী তাণ্ডব টাকার গরমে ভিটেমাটিহারা বস্তিবাসীকে কোটের নোটিশ দিয়ে উচ্ছেদের রাজকীয় প্রাসাদ থেকে চলছে হুমকি আর আল্টিমেটাম!
অট্টালিকার ছায়ায় নিঃস্ব পরিবার গুলো হার মেনেছে! বাবা দুবাই ছেলে ইতালি-ডোনারের প্রভাবে উচ্ছেদের ঢোল! ঘরবাড়ি ছাড়া হচ্ছেন এই অসহায় পরিবারগুলো আজ নিঃস্ব’র দ্বারপ্রান্তে! বাঁচতে আকুল আবেদন (মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টি আকর্ষণ) সাথে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আদালত, ও স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি।
ইতালির প্রবাসী অর্থ ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে উত্তপ্ত নামোশংকরবাটী! আদালতের নোটিশে ভিটেমাটি হারানোর শঙ্কায় ২০ পরিবার, নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি: চাঁপাইনবাবগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধ, আদালতের মামলার রায় ও উচ্ছেদের নোটিশ ঘিরে উদ্বেগ — অসহায় পরিবারগুলোর প্রশ্ন, আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের বক্তব্যের সুযোগ নিশ্চিত হয়েছে কি? সুস্থ তদন্ত পুনরায় তদন্ত দাবি?
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ডের নামোশংকরবাটী উত্তরচরা গ্রামে পৈতৃক ভিটেমাটি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে অন্তত ২০টি পরিবারের মধ্যে উচ্ছেদ-আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসা তাদের পরিবারের ঘরবাড়ি ও জমির অধিকার এখন অনিশ্চয়তার মুখে। আদালতের মামলা ও উচ্ছেদসংক্রান্ত নোটিশকে কেন্দ্র করে তৈরি হওয়া এই পরিস্থিতিতে তাঁরা দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত, নথিপত্র যাচাই এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন। অন্যদিকে, জমির মালিকানা, মামলার প্রকৃত অবস্থা এবং নোটিশের বৈধতা সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট নথি ও আদালতের আদেশ যাচাই করা জরুরি। অভিযোগের সত্যতা নির্ধারণ না হওয়া পর্যন্ত কোনো পক্ষকেই দোষী সাব্যস্ত করা সমীচীন নয়।
অভিযুক্ত নারীর বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ: জমি নিয়ে বিরোধ, প্রভাব বিস্তার ও উচ্ছেদের আশঙ্কা এলাকায় চরম উত্তপ্ত। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, প্রবাসী সুকুদ্দীর স্ত্রী মোছা. হালিমাকে কেন্দ্র করে জমি ও বসতভিটা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। তাঁদের দাবি, আর্থিক সামর্থ্য ও প্রভাব কাজে লাগিয়ে পৈতৃক সম্পত্তিতে বসবাসরত পরিবারগুলোকে উচ্ছেদের পরিস্থিতিতে ফেলার চেষ্টা করা হচ্ছে। অভিযোগে আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে—মোহাম্মদ একরামুল হক, তৈমুর আলী, মোছা. রোকেয়া বেগম, মোছা. জাকিরা বেগম, মোছা. সুফিয়া বেগম ও মোছা. মোমেনা বেগমসহ অন্যরা। তবে তাঁদের প্রত্যেকের ভূমিকা এবং অভিযোগের সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। প্রতিবেদনে উল্লিখিত কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে আদালতে প্রমাণিত অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে না।
ভুক্তভোগীদের বক্তব্য অনুযায়ী, বিরোধের সঙ্গে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর সিনিয়র সিভিল জজ আদালতের ২০২১ সালের ৩১৯/২১ নম্বর মামলার সম্পর্ক রয়েছে। তাঁদের অভিযোগ, মামলার কার্যক্রম, নোটিশ প্রদান এবং উচ্ছেদসংক্রান্ত আদেশের বিষয়ে একাধিক প্রশ্ন রয়েছে। বিশেষ করে, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো যথাযথভাবে নোটিশ পেয়েছিল কি না, প্রত্যেককে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দেওয়া হয়েছিল কি না এবং সম্পত্তির মালিকানা নির্ধারণে সব প্রাসঙ্গিক দলিল ও রেকর্ড বিবেচনা করা হয়েছে কি না—এসব বিষয়ে স্বচ্ছ ব্যাখ্যা চান তাঁরা। মামলার বর্তমান অবস্থা, আদেশের প্রকৃতি এবং নোটিশের আইনগত ভিত্তি আদালতের মূল নথি থেকে যাচাই করা জরুরি।
ভুক্তভোগী পরিবারের আর্তনাদ: পৈতৃক ভিটেমাটি হারানোর ভয়, পুনর্বিচারের দাবি: ও ভুক্তভোগীদের দাবি, তাঁরা মৃত আরশাদ আলী, মৃত খায়রুল ও মৃত আনারুল ইসলামের উত্তরাধিকারসূত্রে প্রাপ্ত সম্পত্তিতে বসবাস করছেন। তাঁদের বক্তব্য অনুযায়ী, একাধিক উত্তরাধিকারী পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে এসব বাড়িতে বসবাস করে আসছেন এবং তাঁদের অনেকেই দিনমজুরি ও সীমিত আয়ের ওপর নির্ভরশীল। বসতভিটা হারানোর আশঙ্কা তাঁদের জীবনযাপন, সন্তানদের ভবিষ্যৎ এবং নিরাপদ আশ্রয় নিয়ে গভীর অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। তাঁদের প্রশ্ন, মালিকানা ও উত্তরাধিকারের বিরোধের পূর্ণাঙ্গ নিষ্পত্তি এবং সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই ছাড়া তাঁদের বসবাসের ভবিষ্যৎ কীভাবে নিশ্চিত হবে?
অভিযুক্ত লেডি ডন হালিমার ক্ষমতার দাপট ও অন্যায়ের চিত্র গ্রামবাসী আতঙ্ক : নামোশংকরবাটী উত্তরচরা গ্রামে ইতালি ও দুবাই প্রবাসী পরিবারের অঢেল অর্থনৈতিক শক্তি ও বৈভবকে পুঁজি করে অভিযুক্ত নারী মোছা. হালিমা এবং তার চক্র এলাকার এক আতঙ্কের নাম হয়ে উঠেছে। প্রবাসের বিপুল অর্থ ও নিজস্ব সন্ত্রাসী বাহিনীর মাধ্যমে তিনি দীর্ঘ দিন ধরে স্থানীয় অসহায় ও দিনমজুর পরিবারগুলোর ওপর ব্যাপক প্রভাব বিস্তার, হুমকি এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে আসছেন। নিজের রাজকীয় অট্টালিকার সীমানা বাড়াতে এবং এলাকার দখল বজায় রাখতে তিনি তিন পুরুষের ওয়ারিশ সূত্রে বসবাসরত অন্তত ২০টি দিনমজুর পরিবারকে ভিটেমাটিছাড়া করার হীন চক্রান্তে লিপ্ত। অভিযোগ রয়েছে, হালিমা জালিয়াতির মাধ্যমে রেকর্ড ও ভুয়া দলিল তৈরি করে আদালতে একতরফা মামলা পরিচালনা করেছেন এবং প্রবাসের অবৈধ টাকার গরমে প্রশাসনিক নোটিশ গোপন করে গরিব পরিবারগুলোকে আকস্মিক ঘরবাড়ি উচ্ছেদের মুখে ঠেলে দিয়েছেন। তার সন্ত্রাসী তাণ্ডব, আইনি হয়রানি এবং পেশিশক্তির দাপটে নামোশংকরবাটী গ্রামের সাধারণ মানুষ আজ চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন। অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গেলে হামলা-মামলার ভয়ে অনেকেই মুখ খুলতে সাহস পান না, যা পুরো এলাকায় চরম ক্ষোভ ও অপ্রীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। এনিয়ে হালিমাকে ঘিরে যে কোন মুহূর্তে ঘটে যেতে পারে এলাকায় বড় ধরনের একটি অপ্রীতিকর ঘটনা।
প্রতিবাদী বাসিন্দাদের ভাষ্য, তাঁরা আইন ও আদালতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল; তবে কোনো মামলার কার্যক্রমে তাঁদের আইনগত অধিকার ক্ষুণ্ন হয়ে থাকলে তার প্রতিকার চান। নাম প্রকাশ করে এক ভুক্তভোগী শ্যামলী বাসিন্দার দাবি, আমরা দিনমজুরি করে সংসার চালাই। এই ভিটেমাটি হারালে পরিবার-পরিজন নিয়ে কোথায় যাব, কীভাবে সন্তানদের নিয়ে বাঁচব? আরেক বাসিন্দা মামলার নোটিশ ও শুনানির প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে নিরপেক্ষ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন। এসব বক্তব্য সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অভিযোগ ও অভিজ্ঞতার বিবরণ; স্বাধীন যাচাই ছাড়া এগুলোকে আদালতের কার্যক্রমে কিছু অসাধু অফিস কর্মকর্তাদের অনিয়মের প্রমাণ হিসেবে গণ্য করা যাবে না।
এলাকাবাসী ও ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দাবি, তাঁদের অভিযোগগুলো গুরুত্ব দিয়ে শুনতে হবে এবং জমির মালিকানা, উত্তরাধিকার, আদালতের আদেশ ও নোটিশ প্রদানের প্রক্রিয়া নিরপেক্ষভাবে পর্যালোচনা করতে হবে। কোনো অনিয়ম বা বেআইনি কর্মকাণ্ড প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। একই সঙ্গে তাঁরা চান, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে বিরোধের নিষ্পত্তি হোক এবং তাঁদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর ভূমিকা পালন করুক।
জনস্বার্থে সুশীল সমাজ ও আইনজ্ঞদের দৃষ্টিভঙ্গি: ন্যায়বিচার, স্বচ্ছতা ও মানবিক বিবেচনা এখনই জরুরি : জনস্বার্থসংশ্লিষ্ট এমন ভূমি-বিরোধে আইনগত প্রক্রিয়ার স্বচ্ছতা, উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার সুযোগ এবং প্রাসঙ্গিক নথির নিরপেক্ষ মূল্যায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। আইনজ্ঞ ও নাগরিক সমাজের দৃষ্টিতে, কোনো পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে অন্য পক্ষকে অপরাধী ঘোষণা করা যেমন সমীচীন নয়, তেমনি অসহায় মানুষের সম্পত্তি ও বসবাসের অধিকারসংক্রান্ত অভিযোগ উপেক্ষা করাও উচিত নয়। মামলার নথি, জমির খতিয়ান, দাগ নম্বর, উত্তরাধিকারসূত্রের দলিল, আদালতের আদেশ এবং নোটিশ জারির প্রমাণ যাচাইয়ের মাধ্যমে প্রকৃত পরিস্থিতি নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
ইতালি প্রবাসী ছেলে আরেদিকে স্বামীর ছেলের অর্থনৈতিক প্রভাব ও বিপুল অর্থসম্পদের দাপটকে কেন্দ্র করে নামোশংকরবাটী উত্তরচরা গ্রামে অসহায় পরিবারগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি, হয়রানি ও ভিটেমাটি হারানোর আশঙ্কার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, অভিযুক্ত মোছা. হালিমার বিরুদ্ধে জমি নিয়ে বিরোধে প্রভাব বিস্তার,
মামলা-হামলার ভয় দেখানো এবং বাড়িঘরে হামলার হুমকিসহ বিভিন্ন ধরনের হয়রানির অভিযোগ রয়েছে। তাঁদের দাবি, প্রতিবাদ করতে গেলে নতুন করে আইনি ঝামেলা ও নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কায় অনেক পরিবার মুখ খুলতে সাহস পাচ্ছে না। অন্যদিকে, আদালতের নোটিশকে কেন্দ্র করে দীর্ঘদিনের বসতভিটা হারানোর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন এসব অসহায় পরিবার। প্রায় ২০টি পরিবারের বসবাস ও পৈতৃক সম্পত্তির অধিকার নিয়ে সৃষ্ট এই বিরোধে ভুক্তভোগীরা নিরপেক্ষ তদন্ত, জমির দলিল ও আদালতের নথি যাচাই এবং তাঁদের বক্তব্য শোনার দাবি জানিয়েছেন। তাঁদের প্রশ্ন—অর্থনৈতিক প্রভাব কিংবা সামাজিক ক্ষমতা কি সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার আদায়ের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে? এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন, ভূমি কর্তৃপক্ষ ও বিচারিক কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন, হয়রানি বা হুমকির অভিযোগ যাচাই এবং কোনো অনিয়ম প্রমাণিত হলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা।
এ ধরনের বিরোধে আদালতের আদেশের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠলে তার প্রতিকার নির্ধারিত বিচারিক প্রক্রিয়ায় চাইতে হয়। কোনো আদেশকে প্রমাণ ছাড়া একতরফা, অবৈধ বা অর্থের বিনিময়ে প্রভাবিত বলে প্রচার করা উচিত নয়। একইভাবে, কোনো সরকারি বা বিচারিক কর্মকর্তা কিংবা মামলার পক্ষের বিরুদ্ধে ঘুষ, জালিয়াতি বা ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠলে তা নির্ভরযোগ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করতে হবে। অভিযোগ সত্য হলে দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং অভিযোগ অসত্য হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সুনাম ও আইনগত অধিকার রক্ষা করাও ন্যায়বিচারের অংশ।
দ্রুত নিরপেক্ষ তদন্ত ও আইনগত প্রতিকার: উচ্ছেদসংক্রান্ত আদেশ পুনর্বিবেচনার জোর দাবি : নামোশংকরবাটী উত্তরচরা গ্রামের এই বিরোধের সুষ্ঠু নিষ্পত্তির জন্য চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্তৃপক্ষ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে বিচারিক কর্তৃপক্ষের কাছে ভুক্তভোগীদের অভিযোগ যথাযথভাবে যাচাই করার আহ্বান জানানো হচ্ছে। প্রথমত, ২০২১ সালের ৩১৯/২১ নম্বর মামলার প্রত্যয়িত নথি, রায় বা আদেশের অনুলিপি, নোটিশ জারির রেকর্ড এবং সম্পত্তির মালিকানা ও উত্তরাধিকারসংক্রান্ত দলিল পরীক্ষা করা দরকার। দ্বিতীয়ত, কোনো পক্ষ আইনগতভাবে নোটিশ না পেয়ে থাকলে বা আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়ে থাকলে, সেই অভিযোগের প্রতিকার নির্ধারিত আইনগত প্রক্রিয়ায় নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
ভুক্তভোগীদের দাবি, তদন্ত ও নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে যদি উচ্ছেদসংক্রান্ত আদেশ বা নোটিশে আইনগত ত্রুটি, জালিয়াতি কিংবা প্রক্রিয়াগত অনিয়ম প্রমাণিত হয়, তাহলে উপযুক্ত আদালত বা ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তা স্থগিত, সংশোধন, বাতিল কিংবা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তবে কোনো আদালতের আদেশকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অবৈধ ঘোষণা করা বা প্রশাসনিকভাবে বাতিল করার দাবি তোলার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইনগত ক্ষমতা ও প্রযোজ্য বিচারিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে। পাশাপাশি, অভিযোগে যাঁদের নাম এসেছে, তাঁদের বক্তব্য গ্রহণ এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রত্যেকের প্রকৃত ভূমিকা নির্ধারণ করা জরুরি। অপরাধ বা অনিয়মের প্রমাণ মিললে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সমাজ ও নিরপেক্ষ নাগরিকসহ ভুক্তভোগীরা।
প্রশাসনের প্রতি জনস্বার্থমূলক আহ্বান: সংঘাত নয়, আইনের মাধ্যমে সমাধান হোক প্রতিটি দন্ড : ভিটেমাটি হারানোর আশঙ্কা থেকে কোনো ধরনের উত্তেজনা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি তৈরি হওয়ার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর ভূমিকা নেওয়া প্রয়োজন। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর বক্তব্য শোনা, বিরোধপূর্ণ জমির নথি যাচাই, আদালতের আদেশের প্রকৃত অবস্থা স্পষ্ট করা এবং প্রয়োজনে আইনগত সহায়তার পথ দেখানো জরুরি। একই সঙ্গে কোনো পক্ষ যেন নিজের হাতে আইন তুলে না নেয়, হুমকি বা বলপ্রয়োগের আশ্রয় না নেয় এবং বিচারিক প্রক্রিয়ায় বাধা সৃষ্টি না করে, সে বিষয়েও সতর্ক থাকা দরকার।
ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ন্যায়বিচার ও নিরাপদ বসবাসের নিশ্চয়তা চায়। তাঁদের দাবি, নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন করে আইনগত অধিকার নিশ্চিত করা হোক। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন, সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্তৃপক্ষ এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে আদালতের কাছে তাঁদের আবেদন—অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা, প্রয়োজনীয় নথি যাচাই করা এবং আইন অনুযায়ী ন্যায়সংগত সমাধানের পথ নিশ্চিত করা।
প্রতিবেদনের সম্পাদকীয় অবস্থান: জমি ও উত্তরাধিকারসংক্রান্ত বিরোধে কোনো পক্ষের প্রভাব, আর্থিক সামর্থ্য কিংবা সামাজিক পরিচয় যেন ন্যায়বিচারের পথে বাধা না হয়। একই সঙ্গে যাচাইবিহীন অভিযোগের ভিত্তিতে কারও বিরুদ্ধে অপরাধের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়াও গ্রহণযোগ্য নয়। নথিভিত্তিক অনুসন্ধান, নিরপেক্ষ তদন্ত, আইনসম্মত বিচারিক প্রক্রিয়া এবং সব পক্ষের বক্তব্যের ভিত্তিতেই প্রকৃত সত্য সামনে আসুক—এটাই জনস্বার্থের দাবি।
বিশেষ অনুসন্ধান | ক্রাইম সিন ইউনিট মিডিয়া সেল | ক্রাইম অ্যালার্ট! এসএম রুবেল অনুসন্ধানী প্রতিবেদক, ইনভেস্টিগেশন টিম চাঁপাইনবাবগঞ্জ | ১৩ অক্টোবর ২০২৬। বিস্তারিত অনুসন্ধানী প্রতিবেদন: পর্ব–২ চলমান!