1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ধর্মীয় মূল্যবোধ ও শিশু সুরক্ষা: চাই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও ন্যায়বিচার *এম নজরুল ইসলাম খান* দঃ হালিশহর ফুটবল একাডেমির কার্যক্রমে বাফুফের সন্তুষ্টি প্রকাশ… চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে ১ম ইন্টারন্যাশনাল চেস টুর্নামেন্ট -২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে থমথমে পরিস্থিতি: মামলা তুলে নেওয়ার দফায় দফায় হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি, লুটপাট বাড়ি ভাঙচুর চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার!  প্রফেসর শায়েস্তা খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত” অজস্র শ্রদ্ধায় বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও শিক্ষাবিদ স্মরণ করলো আমরা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার পতাকা আর দেখতে চাই না, এবার বাংলাদেশের পতাকা উড়াতে চাই চাই- মেয়র ডাঃ শাহাদাত  চট্টগ্রামে আরো ৩ একাডেমি পেলো বাফুফের ওয়ান স্টার লাইসেন্স তামিমের ১৯তম জন্ম দিবস উদযাপন পটিয়ায় চালককে অজ্ঞান করে ১৬ লাখ টাকার চিনি সহ কভার্ডভ্যান ছিনতাই, চালককে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার…! পটিয়া চক্রশালার মেয়ে অন্তু দে : তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে আলোকিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে থমথমে পরিস্থিতি: মামলা তুলে নেওয়ার দফায় দফায় হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি, লুটপাট বাড়ি ভাঙচুর চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার! 

এসএম রুবেল' সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার' চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

চাঁপাইনবাবগঞ্জে থমথমে পরিস্থিতি: মামলা তুলে নেওয়ার দফায় দফায় হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি, লুটপাট বাড়ি ভাঙচুর চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার! 

বিশেষ অনুসন্ধানী অপরাধ প্রতিবেদন! পর্ব-১ অনুসন্ধান চলমান!  অনুসন্ধান | ক্রাইম সিন ইউনিট মিডিয়া সেল ক্রাইম এলার্ট! এস এম রুবেল, অনুসন্ধানী প্রতিবেদক চাঁপাইনবাবগঞ্জ | ২৪ অক্টোবর ২০২৬।

মামলা প্রত্যাহার না করায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর মডেল থানা এলাকায় একের পর এক সংঘবদ্ধ হামলার শিকার হচ্ছে একটি নিরীহ ও অসহায় পরিবার। আদালতের নির্দেশে মামলা দায়েরের পর জামিনে বেরিয়ে এসে বিবাদীরা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। একের পর এক প্রাণনাশের হুমকি, প্রকাশ্যে হামলা এবং রাস্তাঘেঁষে পরিবারটিকে অবরুদ্ধ করে রাখার অভিযোগ উঠেছে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে। চরম নিরাপত্তাহীনতা ও হুমকির মুখে ভুক্তভোগী পরিবারটি থানা এবং হাসপাতালে চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত থাকা অবস্থাতেও আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। 

আদালতের নির্দেশে মামলা ও ধারালো অস্ত্রের বর্বর আক্রমণ অমানবতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এই পরিবারটি! মামলার নথি ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, পৈতৃক জমির সীমানা ও বসতবাড়ির বিবাদকে কেন্দ্র করে গত ৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে আসামিরা দেশীয় ধারালো অস্ত্র (চাইনিজ কুড়াল, চাপাতি, লোহার রড ও বাঁশের লাঠি) নিয়ে বেআইনি জনতায় দলবদ্ধ হয়ে হামলা চালায়। উক্ত হামলায় ভুক্তভোগী আসামিরা বেগম (৫০) এবং তার পরিবারের সদস্যরা গুরুতর রক্তাক্ত জখম হন। ভুক্তভোগীকে হত্যার উদ্দেশ্যে মাথায় কোপ মারা এবং শরীরে মারাত্মক জখম করার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। এই বিষয়ে সদর মডেল থানায় নালিশী দরখাস্ত সি.আর মামলা (নং ১৭, তারিখ: ০৬/০৩/২০২৬) দায়ের করা হলে আদালত পেনাল কোডের ধারা গুলো ছিলো।  ১৪৩/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩২৬/৩০৭/৪৪৭/৩৭৯/৫০৬(২) ধারায় এজাহার হিসেবে গণ্য করে তদন্তের নির্দেশ দেন।

জামিনে বেরিয়ে জোরপূর্বক মামলা তুলে নেওয়ার হুমকিতে আবার হামলায়, প্রাণভয়ে পার্শ্ববর্তী বাড়িতে আশ্রয় নেন বক্তব্যের পরিবার ও গর্ভবতী গৃহবধূ! অভিযোগ সূত্রে আরও জানা যায়, বিবাদীরা আদালত থেকে জামিনে মুক্ত হয়ে আসার পরই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য পরিবারটির ওপর চরম চাপ ও ভয়ভীতি সৃষ্টি করতে শুরু করে। গত ২৯ মার্চ ২০২৬ তারিখে সকাল ১০:৩০ ঘটিকার সময় মসজিদপাড়া আলু পট্টি এলাকায় ভুক্তভোগী আসামিরা বেগমকে পেয়ে আবারও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে পথরোধ করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়। মামলা প্রত্যাহারে রাজি না হওয়ায় বিবাদীরা ক্ষিপ্ত হয়ে তার ওপর চড়াও হলে তিনি প্রাণভয়ে স্থানীয় এক মুদি দোকানে ঢুকে আত্মরক্ষা করেন। উক্ত স্থানেও তাকে এবং তার পরিবারকে খুনের হুমকি প্রদান করা হয়। এই ঘটনায় সদর মডেল থানায় পুনরায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অসুস্থ অবস্থায়ও নেই চিকিৎসা ও নিরাপত্তা, কান্নায় ভেঙে পড়লেন ভুক্তভোগী পরিবারটি! সরেজমিনে তদন্তকালে এবং সংগৃহীত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, শারীরিক ও মানসিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিক্রান্ত হওয়ার পরও পরিবারটি স্বাভাবিক চলাফেরা বা সঠিক চিকিৎসা নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছে না। বিবাদীদের দাপট ও ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকির কারণে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা মারাত্মক নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। ক্রাইম ইনভেস্টিটিউশন টিমের সরেজমিনে তথ্যর মধ্যে বেরিয়ে এসেছে কান্নায় ভেঙে পড়ে ভুক্তভোগী নারী আক্ষেপ করে বলেন— “আমাদের প্রতিনিয়ত হুমকি দেওয়া হচ্ছে, আমরা ঘর থেকেও ঠিকমতো বের হতে পারছি না। আইনি প্রতিকার চেয়ে থানায় গিয়েও আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি।

আইনি সহায়তা ও প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ! ভুক্তভোগীদের স্পষ্ট অভিযোগ, অপরাধীরা আদালত ও আইনকে তোয়াক্কা না করে একের পর এক সন্ত্রাসী কায়দায় হামলা ও পরিবারটিকে অবরুদ্ধ করে রাখার চেষ্টা চালাচ্ছে। শারীরিক জখম ও মানসিক যন্ত্রণায় জর্জরিত এ অসহায় পরিবারটির আকুল আবেদন—আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যেন অনতিবিলম্বে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাদের জীবনের সুরক্ষা সুনিশ্চিত করে। 

পিতার রেখে যাওয়া সম্পত্তি ভাই ভাতিজা মিলে পরিকল্পিতভাবে ভাবে লিখে নেওয়া ও গ্রাস করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে ভাই বোনের মধ্যে দুই গ্রুপ অভিযুক্ত ব্যক্তিরা। বঞ্চিত কয়েক ভাই বোনের উপর দফায় দফায় হামলাও রক্তাক্ত জখম হয়েও প্রতিকার ও মানলার সংক্রান্ত আইনি সুরক্ষা দীর্ঘদিনের বিরোধ ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে। সংঘবদ্ধভাবে নারকীয় তাণ্ডব চালানো এবং প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় মূল অভিযুক্তদের নাম প্রকাশে এসেছে। আদালতের নির্দেশে রেকর্ডকৃত মামলার নথিপত্র ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী চক্র নিরীহ পরিবারের ওপর একের পর এক বর্বরোচিত হামলা চালিয়ে আসছে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে সদর মডেল থানায় সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হলেও আসামিদের অব্যাহত হুমকি ও আতঙ্কে চরম নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন নির্যাতিতরা।

মামলার এজাহার ও নথিপত্র অনুযায়ী, এই চাঞ্চল্যকর হামলার ঘটনায় অভিযুক্ত প্রধান আসামিরা হলেন— ১. মো: আসাদুল হক (৪২), পিতা- মৃত রুহুল আমিন, ২. মো: রাহুল আলী (২৩), পিতা- মো: আসাদুল হক, ৩. মো: আবু বক্কার (৫৬), পিতা- মৃত রুহুল আমিন, ৪. নূর মোহাম্মদ (৩০), পিতা- মো: আবু বক্কার, ৫. মো: জনি আলী (২৬), পিতা- মো: আবু বক্কার, ৬. মো: আসমাইল হক (২২), পিতা- মো: আবু বক্কার। সদর  মসজিদপাড়া এলাকায় বসবাসরত আতঙ্কিত ও বংশবিস্তার ক্ষমতার অপব্যবহারকারী চক্রের অভিযুক্ত এই ব্যক্তিরা দলবদ্ধ হয়ে দেশীয় ধারালো অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের গুরুতর জখম করে এবং বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও অর্থ  শূর্নঅলংকার জোরপূর্ব ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে আসে সন্ত্রাসী কায়দায়। এমনকি পরবর্তীতে প্রকাশ্যে রাস্তা আটকে মারধর ও খুনের চেষ্টার ঘটনায় থানায় পুনরায় অভিযোগ দায়ের করা হলেও আসামিদের ভয়ে ও অতিরিক্ত চাপের মুখে পরিবারটি চরম অসহায়ত্ব ও অবরুদ্ধ অবস্থায় রয়েছে। ভুক্তভোগী পরিবার ও এলাকাবাসী অবিলম্বে এসব চিহ্নিত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং তাদের জীবনের পূর্ণ নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

ভুক্তভোগী, স্থানীয় গ্রামবাসী ও সুশীল সমাজের মন্তব্য এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আকুল আবেদন, বারবার হামলাকৃত অসহায় পরিবারটিকে সর্বোচ্চ আইনি সহায়তা দিয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার জোর দাবি।  সম্প্রতি ২২ অক্টোবর আবারও সঙ্গবদ্ধভাবে দেশী ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চলাই ভুক্তভোগী শিবতলা নামো  মালোপাড়া ১৩ নম্বর ওয়ার্ড গ্রামে রাত্রি আনুমানিক আটটার দিকে এই অতর্কিত হামলা চালায় অভিযুক্ত ব্যক্তি ১৫ থেকে ২০ জন এর মধ্যে মূল অভিযুক্ত ব্যক্তি বিদেশি অস্ত্র নিয়ে নেতৃত্ব দেন। আসমিরা প্রতিনিয়ত হামলা, প্রাণনাশের হুমকি ও অসহায় পরিবারটির ওপর বর্বরোচিত নির্যাতনের ঘটনায় ক্ষোভে ফুসে উঠছেন স্থানীয় গ্রামবাসী ও সুশীল সমাজের নাগরিকরা। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় অধিবাসীদের মতে, চিহ্নিত আসামিরা বেপরোয়া হয়ে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং ভুক্তভোগী পরিবারটিকে অবরুদ্ধ করে মামলা তুলে নিতে বাধ্য করার জন্য একের পর এক সন্ত্রাসী তাণ্ডব চালাচ্ছে, যা পুরো এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবক্ষয় প্রকাশ করে। গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা একযোগে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন— একটি স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক সমাজে আইন নিজের হাতে তুলে নিয়ে অসহায় পরিবারের ওপর এভাবে ধারাবাহিকভাবে হামলা ও হুমকির ঘটনা মেনে নেওয়া যায় না; এতে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার আস্থা ভেস্তে যাচ্ছে। ভুক্তভোগী পরিবার এবং স্থানীয় সচেতন সমাজ এক বাক্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জোর দাবি জানিয়েছেন যে, কালবিলম্ব না করে অভিযুক্ত ব্যক্তি  আসাদুল হক, রাহুল আলী, আবু বক্কার, নূর মোহাম্মদ, জনি আলী, আসমাইল হকসহ সকল জড়িত সন্ত্রাসীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনতে হবে, যেন অসহায় পরিবারটি তাদের স্বাভাবিক জীবনযাপন ও আইনি অধিকার সুরক্ষার সুনিশ্চিত নিশ্চয়তা পায়।

এদিকে, ভুক্তভোগী পরিবার এবং স্থানীয় গ্রামবাসী ও সুশীল সমাজের নাগরিকরা এই বর্বরোচিত ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের মতে, চিহ্নিত এই প্রভাবশালী সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগীরা চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও এলাকাবাসী একযোগে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জোরালো দাবি জানিয়েছেন যে, কালবিলম্ব না করে উপযুক্ত ও চিহ্নিত এই অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। অন্যথায় এই ত্রাস সৃষ্টিকারী চক্রের নিপীড়নে যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে, যা এলাকার সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারে।  প্রতিবেদন করাই সাংবাদিককে তুলে নিয়ে যাওয়ার হুমকি এসব অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় পর্বে বিস্তারিত। 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট