1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চিন্ময় কৃষ্ণ প্রভুর জন্য কান্নাকাটি করছেন, তারা আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ কে চিনেন? ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকল নাগরিকের সচেতন হবার অনুরোধ-পতেঙ্গায় সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত সিজেকেএস ক্লাব সমিতির ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন চট্টগ্রামে শহীদ জিয়া স্মৃতি আন্তঃ স্কুল ফুটবলে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে মাইজ পাড়া মাহামুদুন্নবী স্কুল ও পাঠানটুলী চসিক উচ্চ বিদ্যালয় গাজীপুর মাওনা, ১নং ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন কৃষকদল নেতা,, মাসুদ রানা চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে বিষয়ভিত্তিক বক্তব্য ও রচনা লিখন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন বন্দর থানা ফ্যাসিস্ট লীগের দোসর,, মাহমুদুর রহমান নুহাশ,পুলিশ এর নাকের ডগায়, তারপর ও ধরাচোয়ার বাহিরে, চলন্ত গাড়ি থেকে সাংবাদিকের মোবাইল চুরি বিকাশের পিন রিসেট করে লোন ও অর্থ লেনদেন ॥ স্টেশন রোডের বিকাশ এজেন্টের দোকানের সিসিটিভিতে অজ্ঞাত যুবক সীমান্ত এলাকায় যুবসমাজকে অপরাধ থেকে দূরে রাখতে ৫৩ বিজিবির অভিনব ‘সফট পাওয়ার’ কৌশল কবিতা:এক নদী জল, এক ফোঁটা আলো

বীর মুক্তিযোদ্ধা সুবেদার কোবাদ হোসেনের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত।

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ১ মে, ২০২৬
  • ১০৯ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তান, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি, তৎকালীন বিডিআর) অবসরপ্রাপ্ত সুবেদার কোবাদ হোসেনের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হয়েছে। গত ২৯ এপ্রিল ছিল তাঁর ২৩তম প্রয়াণ দিবস। ২০০৩ সালের এই দিনে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

 

তিনি দৈনিক আজকের নয়া বাংলার বিশেষ প্রতিনিধি মোঃ গোলজার হোসেন হীরার পরম শ্রদ্ধেয় পিতা।

 

রণক্ষেত্রের সেই নির্ভীক যোদ্ধা পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন তিনি তৎকালীন ইপিআরে (ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) কর্মরত ছিলেন। দেশমাতৃকার টানে জীবন বাজি রেখে তিনি সরাসরি যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। দীর্ঘ ৯ মাস রণক্ষেত্রে বীরত্বের সঙ্গে লড়াই করে দেশের লাল-সবুজের পতাকা ও মানচিত্র ছিনিয়ে আনতে অসামান্য অবদান রাখেন এই বীর সেনানী। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর তিনি পুনরায় বিডিআরে (বর্তমানে বিজিবি) যোগ দেন এবং সুবেদার হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।

 

ব্যক্তিজীবনে সুবেদার কোবাদ হোসেন ছিলেন অত্যন্ত সৎ, দূরদর্শী ও মানবতাবাদী একজন মানুষ। চাকুরিকালীন এবং অবসর জীবনেও তিনি সাধারণ মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন। তাঁর কর্মনিষ্ঠা ও পরোপকারী মনোভাব এলাকাবাসী ও সহকর্মীদের মাঝে আজও স্মরণীয় হয়ে আছে।

 

মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, পাঁচ পুত্র, চার কন্যাসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষী রেখে গেছেন। তাঁর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাতের আয়োজন করা হয়।

পরিবারের সদস্যরা মহান আল্লাহ পাকের দরবারে প্রার্থনা করেছেন, যেন দেশ ও জাতির এই শ্রেষ্ঠ সন্তানকে পরকালে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করা হয়।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট