1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকল নাগরিকের সচেতন হবার অনুরোধ-পতেঙ্গায় সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত সিজেকেএস ক্লাব সমিতির ঈদ-এ-মিলাদুন্নবী (সঃ) উদযাপন চট্টগ্রামে শহীদ জিয়া স্মৃতি আন্তঃ স্কুল ফুটবলে কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে মাইজ পাড়া মাহামুদুন্নবী স্কুল ও পাঠানটুলী চসিক উচ্চ বিদ্যালয় গাজীপুর মাওনা, ১নং ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়বেন কৃষকদল নেতা,, মাসুদ রানা চট্টগ্রাম মডেল স্কুলে বিষয়ভিত্তিক বক্তব্য ও রচনা লিখন প্রতিযোগিতা সম্পন্ন বন্দর থানা ফ্যাসিস্ট লীগের দোসর,, মাহমুদুর রহমান নুহাশ,পুলিশ এর নাকের ডগায়, তারপর ও ধরাচোয়ার বাহিরে, চলন্ত গাড়ি থেকে সাংবাদিকের মোবাইল চুরি বিকাশের পিন রিসেট করে লোন ও অর্থ লেনদেন ॥ স্টেশন রোডের বিকাশ এজেন্টের দোকানের সিসিটিভিতে অজ্ঞাত যুবক সীমান্ত এলাকায় যুবসমাজকে অপরাধ থেকে দূরে রাখতে ৫৩ বিজিবির অভিনব ‘সফট পাওয়ার’ কৌশল কবিতা:এক নদী জল, এক ফোঁটা আলো শহীদ জিয়া স্মৃতি আন্তঃস্কুল ফুটবলের শেষ ষোলতে টাইগার পাস, কদম মোবারক, কুলগাও ও মুসলিম হাই স্কুল 

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সকল নাগরিকের সচেতন হবার অনুরোধ-পতেঙ্গায় সিটি মেয়র ডাঃ শাহাদাত

প্রতিনিধির নাম :
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

হোসেন বাবলা:১২ সেপ্টেম্বর, চট্টগ্রাম

ডেঙ্গু প্রতিরোধে সিটি কর্পোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রমের পাশাপাশি নাগরিকদেরও সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেছেন, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা গেলে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব।

নগরীর পতেঙ্গার কমিশনার ঘাটা, দক্ষিণ পাড়া ও বাটারফ্লাই রোড এলাকায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা, মশক নিধন ও নাগরিক সচেতনতামূলক অভিযান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “তিন দিনে একদিন জমা পানি ফেলে দিতে হবে। নিজ আঙ্গিনা পরিষ্কার রাখতে হবে। আমাদের বাসাবাড়ি, ছাদ, ফুলের টব, বালতি, ড্রাম, এসির নিচে এবং নির্মাণাধীন ভবনে কোথাও পানি জমে আছে কি না, তা নিয়মিত পরীক্ষা করতে হবে।”

তিনি বলেন, বর্তমানে থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে পানি জমে থাকছে। এ ধরনের জমে থাকা পানিতে অল্প সময়ের মধ্যেই এডিস মশার লার্ভা জন্ম নিতে পারে। তাই ডেঙ্গু প্রতিরোধে পানি জমতে না দেওয়া এবং জমে থাকা পানি দ্রুত অপসারণ করাই সবচেয়ে কার্যকর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা।

চসিকের চলমান মশক নিধন কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে মেয়র বলেন, এডিস মশার লার্ভা ধ্বংসে বিটিআই পদ্ধতিতে ওষুধ প্রয়োগের পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ মশা নিধনে ফগার মেশিনের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। নগরীর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলো চিহ্নিত করে সেখানে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে মশক নিধন ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, “চসিকের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা কোথাও ঠিকমতো ওষুধ ছিটাচ্ছেন না বা কোনো ধরনের গাফিলতি করছেন—এমন অভিযোগ থাকলে নাগরিকরা তা আমাদের জানাবেন। ‘আমাদের চট্টগ্রাম’ অ্যাপের মাধ্যমে সরাসরি অভিযোগ করা যাবে। অভিযোগ পাওয়ার পর সংশ্লিষ্ট এলাকায় দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে নাগরিক সচেতনতার গুরুত্ব তুলে ধরে মেয়র বলেন, যত্রতত্র প্লাস্টিক, পলিথিন, ডাবের খোসা ও পরিত্যক্ত পাত্র ফেলা যাবে না। এসব সামগ্রীতে বৃষ্টির পানি জমে এডিস মশার প্রজননস্থলে পরিণত হতে পারে। পাশাপাশি বাড়ির ছাদ ও আশপাশের ঝোপঝাড় নিয়মিত পরিষ্কার রাখতে হবে।

মেয়র আরও বলেন, ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে চসিকের পক্ষ থেকে ইতোমধ্যে ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হচ্ছে। আগামী তিন মাসের জন্য দেশব্যাপী গ্রহণ করা ডেঙ্গু প্রতিরোধ কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় করে চট্টগ্রাম নগরীতেও মশক নিধন, পরিচ্ছন্নতা ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, নগরীর কোতোয়ালি, ডবলমুরিং, পাহাড়তলী, হালিশহর ও বন্দরসহ কয়েকটি এলাকা ডেঙ্গুর জন্য তুলনামূলক ঝুঁকিপূর্ণ। এসব এলাকায় বিশেষ নজরদারি ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে।

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করে মেয়র বলেন, “কোনো মৃত্যুই কাম্য নয়। আমরা চাই আগামী দিনগুলোতে ডেঙ্গুতে আর একজন মানুষও যেন প্রাণ না হারান। এজন্য সিটি কর্পোরেশনের কার্যক্রমের পাশাপাশি নগরবাসীকেও স্বাস্থ্য সচেতন হতে হবে এবং নিজ নিজ অবস্থান থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ভূমিকা রাখতে হবে।”

নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, “চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন আপনাদের পাশে আছে এবং থাকবে। তবে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সিটি কর্পোরেশনের পাশাপাশি প্রত্যেক নাগরিককে দায়িত্বশীল হতে হবে। আমরা সবাই মিলে যদি নিজেদের বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখি এবং কোথাও পানি জমতে না দিই, তাহলে ডেঙ্গুর প্রকোপ অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে, ইনশাআল্লাহ।”

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিন, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, প্রধান প্রকৌশলী আনিসুর রহমান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. মো. ইমাম হোসেন রানা, স্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং চসিকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট