
ডেস্ক বার্তা::১৩ মে( চট্টগ্রাম)
অবশেষে ইয়াবা নিয়ে ধরা খেলেন সাবেক কাউন্সিলর, বিএনপি নেতার খ্যাত মোঃ জিয়া প্রকাশ মিয়া। গত ১০মে তারিখে জিয়ার ঘর থেকে পাওয়া প্রায় ৬২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ।
অনেক নাটকীয় কাহিনী পর ৪১ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ডাক্তার আফসারের ডান হাত খ্যাতো জিয়া মিয়ার নামে মামলা করেছে ডিবি পুলিশ, যা ডবলমুরিং থানার মামলা নম্বর ০৯ ,তারিখ ১১-০৫-২০২৬ ইং। উৎসুক জনতার দাবি বিকাল গত ১০ মে , বিকেল ৪ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত জিয়ার তিন তালা বাড়ির কোনায় তল্লাশি করে প্রায় ১ লক্ষ পিছের উপরে ইয়াবা উদ্ধার করেছে ডিবি পুলিশ।
কিন্তু ডিবির একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে নিয়ে জিয়ার ভাই যুবলীগ ক্যাডার , ডাঃ আফসার , ওয়ার্ড বিএনপির আহ্বায়ক নাজিম চৌধুরী কে সাথে নিয়ে রাত ভর প্রায় ১২ লক্ষ টাকার দেন-দরবার করে ৬২০০ পিছ ইয়াবার সমঝোতা হয়েছে বলে গোপন সূত্রে জানা গেছে..!
এলাকায় সবাই যানে জিয়া মিয়া ভালো মানুষের আড়ালে একজন মুখোশধারী শয়তান ও কক্সবাজার বদির সহযোদ্ধা হিসেবেও সে প্রকাশ্যে ডুরিয়াপাড়া মসজিদের উন্নয়নের ৬৮ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছিলন।
মসজিদের টাকা মেরে দিয়ে প্রকাশ্যে বলে বেড়াত মসজিদে টাকা খেয়েছি কি হয়েছে কিছু করতে পারলে করিস বলে দম্ভ করত।
কারণ তার সমস্ত অপকর্মের সেল্টার দাতা অনেক বড় শয়তান বড় চাঁদাবাজ ডাক্তার নুরুল আবসার এবং ইয়াবা বদি আবছার নামে প্রভাবশালীর সখ্য হিসেবে অনৈতিক কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে এই জিয়া।
৫ই আগস্ট এর পর থেকে পতেঙ্গা যত অপকর্ম ইয়াবা ব্যবসাও উইস্কি ব্যবসা, চাঁদাবাজি, ১৫ নাম্বার, ১৪নম্বর এবং চাইনিজ ঘাটে চাঁদাবাজি সহ সমস্ত অপকর্মের নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিএনপি নামে এই সিন্ডিকেট।
এই ইয়াবা ব্যবসার জন্য ১১ জনের একটি শক্ত সিন্ডিকেট রয়েছে ডাঃ নূরুল আফসার ও জিয়া মিয়ার। নতুন করে ঢুকেছে আরেক চাঁদাবাজ নাজিম চৌধুরী।
বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতারা এই অনৈতিক কার্যকলাপ বন্ধ করতে বিএনপির হাইকমান্ডের কাছে এসব কুচক্রি চাঁদাবাজ ও ইয়াবা ব্যবসায়ীদের বহিষ্কারের জোর দাবি জানিয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।
মামলার তদন্তের স্বার্থে ওরা ১১ জনের নাম প্রকাশ করা হয় নি,ইতিমধ্যে প্রশাসনের কাছে ওরা ১১ জনের নাম দেওয়া হয়েছে।
বিগত কয়েক মাস পূর্বে ইয়াবার একটা বড় চালান প্রায় ১ কোটি ৬৫ লক্ষ টাকার ভাগাভাগি নিয়ে উচ্চ প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ সহ স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন, রেব ও সেনাবাহিনীর জরুরী ভিত্তিতে আইনী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান সচেতন নাগরিক ও স্থানীয় বাসিন্দারা জোর দাবি জানিয়েছেন।