1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০১:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ধর্মীয় মূল্যবোধ ও শিশু সুরক্ষা: চাই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও ন্যায়বিচার *এম নজরুল ইসলাম খান* দঃ হালিশহর ফুটবল একাডেমির কার্যক্রমে বাফুফের সন্তুষ্টি প্রকাশ… চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে ১ম ইন্টারন্যাশনাল চেস টুর্নামেন্ট -২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে থমথমে পরিস্থিতি: মামলা তুলে নেওয়ার দফায় দফায় হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি, লুটপাট বাড়ি ভাঙচুর চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার!  প্রফেসর শায়েস্তা খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত” অজস্র শ্রদ্ধায় বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও শিক্ষাবিদ স্মরণ করলো আমরা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার পতাকা আর দেখতে চাই না, এবার বাংলাদেশের পতাকা উড়াতে চাই চাই- মেয়র ডাঃ শাহাদাত  চট্টগ্রামে আরো ৩ একাডেমি পেলো বাফুফের ওয়ান স্টার লাইসেন্স তামিমের ১৯তম জন্ম দিবস উদযাপন পটিয়ায় চালককে অজ্ঞান করে ১৬ লাখ টাকার চিনি সহ কভার্ডভ্যান ছিনতাই, চালককে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার…! পটিয়া চক্রশালার মেয়ে অন্তু দে : তৃণমূল থেকে জাতীয় পর্যায়ে আলোকিত স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে

স্মৃতির আলোয় আনজুমন আরা বেগম: এক স্নেহময়ী মায়ের নীরব উত্তরাধিকার

শহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৯৫ বার পড়া হয়েছে

 

শহিদুল ইসলাম ঃ চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

 

চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলার সাতবাড়ীয়া ইউনিয়নের যতরকূল গ্রামের এক পরিচিত ও সম্মানিত পরিবারের স্নেহময়ী অভিভাবক মরহুমা মোছাম্মৎ আনজুমন আরা বেগমের মৃত্যুবার্ষিকী নীরবে স্মরণ করল পরিবার ও এলাকাবাসী। সময়ের ব্যবধানে মানুষ চলে যান, কিন্তু কিছু মানুষ রেখে যান এমন এক মানবিক উত্তরাধিকার, যা প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে আলো ছড়ায়। আনজুমন আরা বেগম ছিলেন তেমনই এক আলোকবর্তিকা।

তিনি ছিলেন মরহুম ছৈয়দ আহমদ চৌধুরী মাস্টার বাড়ির পুত্রবধূ এবং জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (অবসরপ্রাপ্ত) মরহুম ইব্রাহিম চৌধুরীর সহধর্মিণী। একটি শিক্ষিত, ঐতিহ্যবাহী ও সামাজিকভাবে সুপ্রতিষ্ঠিত পরিবারে তিনি শুধু গৃহিণীর দায়িত্বই পালন করেননি; বরং হয়ে উঠেছিলেন পরিবারের নৈতিক ভিত্তি,স্নেহ ও সংহতির কেন্দ্রবিন্দু।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মরহুমা আনজুমন আরা বেগম ছিলেন অত্যন্ত ধর্মপরায়ণ,দয়ালু ও অতিথিপরায়ণ স্বভাবের। আত্মীয়স্বজন,প্রতিবেশী এমনকি গ্রামের সাধারণ মানুষও তাঁর কাছে পেয়েছেন মমতার ছোঁয়া।তিনি সন্তানদের পাশাপাশি পরিবারের অন্য সদস্যদেরও মাতৃস্নেহে আগলে

রাখতেন। অনেকে তাঁকে শুধু ‘চাচী’ বা ‘খালাম্মা’ নয়,নিজের মায়ের আসনেই বসিয়েছিলেন। পরিবারের এক সদস্য আবেগাপ্লুত কণ্ঠে বলেন, “আমি তাঁকে মা বলে ডাকতাম, আর তিনি আমাকে নিজের ছেলে-মেয়ের চেয়েও বেশি ভালোবাসতেন।এই একটি বাক্যই তাঁর ব্যক্তিত্বের গভীরতা ও স্নেহের পরিধি স্পষ্ট করে।

মৃত্যুকালে তিনি ৫ ছেলে ও ৩ মেয়ে রেখে গেছেন। তাঁদের প্রত্যেকেই আজ জীবনের নানা ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।পরিবার মনে করে, তাঁদের এই অবস্থানের পেছনে মায়ের ত্যাগ,দোয়া ও নৈতিক শিক্ষার অবদান অনস্বীকার্য।তিনি সন্তানদের মাঝে সততা,
ধর্মভীরুতা ও মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার শিক্ষা বপন করেছিলেন—যা আজও তাঁদের পথচলার প্রেরণা।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে গ্রামের বাড়িতে পবিত্র কোরআন খতম,মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং কাঙালি ভোজের আয়োজন করা হয়। আত্মীয়স্বজন,শুভানুধ্যায়ী ও এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনা করেন। বিশেষ মোনাজাতে মহান আল্লাহর দরবারে তাঁর সকল গুনাহ মাফ করে জান্নাতুল ফেরদৌসের সর্বোচ্চ মাকাম দানের প্রার্থনা করা হয়।

গ্রামবাংলার সমাজব্যবস্থায় একজন মমতাময়ী নারী কেবল একটি পরিবারের গৃহিণী নন-তিনি একটি প্রজন্মের নৈতিক দিশারী। আনজুমন আরা বেগমও তেমনই ছিলেন। তাঁর স্নেহ,সহমর্মিতা ও ধর্মনিষ্ঠ জীবনাচরণ আজও পরিবারকে একসূত্রে বেঁধে রেখেছে।

সময়ের স্রোত বহমান। কিন্তু কিছু মানুষের স্মৃতি সময়কে অতিক্রম করে চিরস্থায়ী হয়ে থাকে। মরহুমা আনজুমন আরা বেগম তেমনই এক নাম—যিনি নেই, কিন্তু আছেন তাঁর আদর্শে,দোয়ায় ও রেখে যাওয়া ভালোবাসার বন্ধনে।মহান আল্লাহ পাক তাঁর প্রতি রহম করুন।

“রাব্বির হাম হুমা কামা রাব্বা ইয়ানি সগিরা।” আমিন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪
৫৬৭৮৯১০১১
১২১৩১৪১৫১৬১৭১৮
১৯২০২১২২২৩২৪২৫
২৬২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট