
বিজিবি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার ও চাঁদাবাজি ‘র’ এজেন্ট ও সাইবার ক্রাইমার মুখোশধারী শীর্ষ প্রতারক ইয়াকুবের পতনের নেপথ্য কাহিনী
বিশেষ অনুসন্ধান (ক্রাইম সিন ইউনিট মিডিয়া সেল) এসএম রুবেল চাঁপাইনবাবগঞ্জ! ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬।
‘র’ এজেন্ট ও সাইবার ক্রাইমার মুখোশ উন্মোচন: বিজিবি নিয়ে অপপ্রচার ও চাঁদাবাজির অভিযোগে শীর্ষ প্রতারক ইয়াবা ইয়াকুব গ্রেফতার
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইলিং এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বাহিনী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ থানায় দায়ের করা মামলায় ইয়াকুব আলী ওরফে ইয়াবা ইয়াকুবকে (৩২) গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
সাইবার ক্রাইম ও অপরাধী ব্যক্তি হলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার চামুশা গ্রামের মোজাম্মেল হক ওরফে টুনুর ছেলে ইয়াকুব! দীর্ঘদিন ধরে প্রতারণার কৌশলে ‘BD Crime News 24’ নামের একটি অননুমোদিত ফেসবুক পেজ ও পোর্টাল পরিচালনা করে আসছিল। ঘটনার সূত্রপাত ঘটে গত ৩০ আগস্ট ২০২৬ তারিখে, যখন সোনামসজিদ জিরো পয়েন্ট আইসিপি চেকপোস্টে তল্লাশির সময় ভারতীয় পাসপোর্টধারী দুই যাত্রীর কাছ থেকে অতিরিক্ত ও কাস্টমস নিয়মের বহির্ভূত ৩৯৭ পিস কসমেটিক্স, ৩ পিস শাড়ি, ৮৮ পিস মলম, ২৪ পিস কনফেকশনারি ও ৩ পিস ইঁদুর মারা বিষ জব্দ করে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন ৫৯ বিজিবি। তাদের নিয়মিত চোরাচালান বিরোধী ও আইনানুগ কার্যক্রমের পর বিজিবির কাছে অনৈতিক সুবিধা আদায় করতে ব্যর্থ হয়ে ইয়াকুব অপরাধীর পক্ষ হয়ে তার পেজে সম্পূর্ণ বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভিডিও পোস্ট করে রাষ্ট্রের এই বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা চালায়।
এ ঘটনায় সোনামসজিদ আইসিপি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার মো. তাজুল ইসলাম বাদী হয়ে সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৪-এর ২৫(২) ধারা ও দণ্ডবিধির ১৮৬০ ধারায় শিবগঞ্জ থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেন। অনুসন্ধান ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ইয়াকুব নিজেকে কখনো পুলিশ, র্যাব,ডিবি, এনএসআই, ডিএসবি, এসএফের প্রভাবশালী গোয়েন্দা সংস্থার ‘সোর্স’ আবার কখনো ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর এজেন্ট হিসেবে পরিচয় দিয়ে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের জায়গা-জমি দখল, জিম্মি করে অর্থ আদায়, মাদক ব্যবসা এবং স্থানীয় সাধারণ ব্যবসায়ীদেরসহ মাদক কারবারিদের ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদা আদায়ের পাহাড়সম অভিযোগ রয়েছে।
সম্প্রতি চরধরমপুর এলাকায় পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে সে স্থানীয় জনগণের হাতে গণধোলাইয়ের শিকারও হয়েছিল। মাদক সেবন ও কারবারসহ তার বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অন্তত ৫টি নিয়মিত মামলা ও গ্রেপ্তারি পরোয়ানা চলমান রয়েছে এই শীর্ষ মাদক সেবনকারী ইয়াকুব ওরফে ইয়াবা ইয়াকুবের বিরুদ্ধে! অনুসন্ধানে আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে যে, গোয়েন্দাসহ কিছু অসাধু নিচু পদের সরকারি সদস্য ও সোর্সের সাথে তার গভির সখ্যতা রয়েছে এবং তথ্য আদান-প্রদানের নামে ইয়াকুবের বিকাশ নম্বরে নিয়মিত সাপ্তাহিক ও মাসিক ভিত্তিতে ‘ডোনেশন’ বা টাকা পাঠানো হতো। এছাড়া কখনো নিজেকে রিপোর্টার পরিচয় দিয়ে প্রবাসীদের বিদেশে লোক পাঠানোর নাম করে এবং প্রশাসনিক তদবিরের ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সরাসরি অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
বিজিবি ও পুলিশের সমন্বয়ে প্রতারক ইয়াকুবের গ্রেপ্তারের খবরে ভোলাহাট ও শিবগঞ্জ এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। এলাকার সচেতন জনগণ ও ভুক্তভোগীরা এই চক্রের উপযুক্ত ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। আরও অভিযোগ রয়েছেন স্থানীয় এক কলেজ প্রভাষক মন্তব্য করেছেন, ইয়াকুবের মতো অপরাধীরা যখন প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে অপরাধ করে! তখন সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট হয় তাই অবিলম্বে এই তথ্য পাচারকারী ও পেশাদার প্রতারককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করে জনমনে আস্থা ও শান্তি ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের প্রতি দাবি জানান।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা প্রশাসক (DC), পুলিশ সুপার (SP) এবং ভোলাহাট থানার অফিসার ইনচার্জ (OC) এই বিষয়ে তারা অবগত যে, ইয়াকুবের বিরুদ্ধে ওঠা সকল অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, গোয়েন্দা সংস্থার নাম ভাঙিয়ে চাঁদাবাজি এবং বিভিন্ন মহলের সাথে অবৈধ সখ্যতার প্রমাণ জোরালোভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ভোলাহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নিশ্চিত করেছেন যে তার বিরুদ্ধে আনীত সকল অপপ্রচার ও অপরাধের বিস্তারিত তথ্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের লিখিতভাবে জানানো হয়েছে এবং পরবর্তী আইনি নির্দেশনা অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিজিবির দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তি শিবগঞ্জ থানা পুলিশের হাতে গ্রেফতার হলে ইয়াকুব ওরফে ইয়াবা ইয়াকুবের বিষয় জানতে শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মতিউর রহমান জানান, ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের বিরুদ্ধে তার ভূয়া একটি পেজ এর মাধ্যমে এবং অপরাধীর পক্ষ হয়ে কিছু টাকার বিনিময়ে বিজিবির বিরুদ্ধে উল্টো পাল্টা রিপোর্ট ও অপপ্রচার চালিয়ে দেশ ও বিজিবির মান মান ক্ষুন্ন করেছে যা এটি সরকারি কাজে বাধা প্রদান ও আইন বহি ভুক্ত করার একটি জঘন্যতম অপরাধের সামিল! তিনি আরও জানান মামলা হওয়ার পর পরেই তাকে তার বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করি এবং তার বিরুদ্ধে ডিজিটাল ও সাইবার নিরাপত্তা আইন মামলা তাকে অভিযুক্ত করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি বিষয় টি নিশ্চিত করেন।
প্রতারক ইয়াকুবের গ্রেপ্তারের খবরে ভোলাহাট ও শিবগঞ্জ এলাকার সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি নেমে এসেছে। এলাকার সচেতন জনগণ ও ভুক্তভোগীরা এই চক্রের উপযুক্ত ও কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয় এক কলেজ প্রভাষক মন্তব্য করেছেন, ইয়াকুবের মতো অপরাধীরা যখন প্রশাসনের নাম ব্যবহার করে অপরাধ করে, তখন সাধারণ মানুষের আস্থা নষ্ট হয়; তাই অবিলম্বে এই তথ্য পাচারকারী ও পেশাদার প্রতারককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।
মহানন্দা ব্যাটালিয়ন ৫৯ বিজিবির অধিনায়ক (সিও) দৃঢ় ও স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সীমান্ত সুরক্ষা এবং চোরাচালান দমনে সর্বদা সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব, সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছে। সীমান্ত এলাকায় আইনানুগ ও নিয়মিত টহল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে কাস্টমস নিয়ম বহির্ভূত জব্দকৃত চোরাচালানি মালামালের বৈধ আইনি প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত করতে এবং অনৈতিক সুবিধা আদায় করতে ব্যর্থ হয়ে একটি কুচক্রী মহল ও ভুয়া অনলাইন পোর্টাল অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছিল। রাষ্ট্রের এই শৃঙ্খলা বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার যেকোনো অপচেষ্টা বা সাইবার অপরাধ কঠোরভাবে দমন করা হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, দেশের নিরাপত্তা ও আইনের শাসন রক্ষায় বিজিবি সব সময় তৎপর রয়েছে এবং এ ধরনের অপপ্রচার কারীদের বিরুদ্ধে ভবিষ্যতেও জিরো টলারেন্স নীতি ও কঠোর আইনি পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা, ব্ল্যাকমেইলিং এবং রাষ্ট্রের অতন্দ্র প্রহরী বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে গ্রেফতারকৃত শীর্ষ প্রতারক ইয়াকুব আলী ওরফে ইয়াবা ইয়াকুবের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাট ও শিবগঞ্জ এলাকার বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও সচেতন সুশীল সমাজের ক্ষোভ তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে। স্থানীয় বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ ও গণ্যমান্য নাগরিকরা জোরালোভাবে মন্তব্য করেছেন যে, ইয়াকুবের মতো সাইবার অপরাধী ও ভুয়া পোর্টাল পরিচালনাকারীরা নিজেদের স্বার্থ হাসিল করতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়ে সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করছে। একজন স্থানীয় প্রবীণ রাজনীতিবিদ ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার এমন অপচেষ্টা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা যায় না; কুচক্রী মহলের এই ধরনের অপকর্ম সাধারণ মানুষের মনে অসন্তোষ তৈরি করে এবং আইনের শাসনকে চ্যালেঞ্জ করে। সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট নাগরিকরা আরও উল্লেখ করেন, অতীতে এই প্রতারক বিভিন্ন মহলের নাম ভাঙিয়ে ও সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল, যার ফলে তার গ্রেপ্তার অত্যন্ত সময়োপযোগী ও স্বস্তিদায়ক একটি পদক্ষেপ। অবিলম্বে এই তথ্য পাচারকারী, মাদকসেবী ও পেশাদার প্রতারকের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইনের সর্বোচ্চ ধারা অনুযায়ী দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সচেতন নাগরিক সমাজ, যাতে ভবিষ্যতে কেউ এমন হীন সাহস দেখাতে না পারে।
রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু অসাধু সদস্যের সাথে পেশাদার প্রতারক ও সাইবার অপরাধী ইয়াকুবের মতো ব্যক্তিদের সখ্যতা এবং তাদের তথ্যপ্রদানকারী বা ‘সোর্স’ হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সাধারণ জনগণের মনে এই প্রশ্ন জোরালোভাবে উঠেছে যে, কীভাবে একজন একাধিক মামলার আসামি, মাদকসেবী ও চিহ্নিত প্রতারক দিনের পর দিন গোয়েন্দা নাম ভাঙিয়ে কিংবা বিকাশ নম্বরে নিয়মিত ‘ডোনেশন’ বা অবৈধ লেনদেনের মাধ্যমে পার পেয়ে গেল। এ বিষয়ে রাষ্ট্রের দায়িত্বশীল ও উচ্চপর্যায়ের পক্ষ থেকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, অপরাধী যেই হোক এবং সে প্রশাসনিক বা গোয়েন্দা মহলের যত প্রভাবশালী অসাধু ব্যক্তির ছত্রছায়ায় থাকুক না কেন, কাউকেই কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। রাষ্ট্র ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাবমূর্তি রক্ষায় এবং শুশাসন প্রতিষ্ঠায় জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে জানানো হয়েছে যে, ইয়াকুবের সাথে সম্পৃক্ত থাকা ওই সকল অসাধু কর্মকর্তা বা কর্মচারীদের অবৈধ যোগসাজশ ও অপকর্মের সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলেই তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর আইনি ও শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো অপরাধী প্রশাসনিক পরিচয়ের আড়ালে পার পেয়ে যাওয়ার সুযোগ না পায়।
ভোলাহাটের শীর্ষ প্রতারক ও মাদকসেবী ইয়াকুবের বিরুদ্ধে জমি দখল, ব্ল্যাকমেইলিং, সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে অর্থ আদায় এবং ভুয়া পরিচয়ে চাঁদাবাজির যে পাহাড়সমান অভিযোগ রয়েছে, তা কেবল ব্যক্তিগত অপরাধ নয়; এটি সরাসরি সাধারণ জনগণের মৌলিক অধিকার হরণ এবং রাষ্ট্রের সার্বভৌম নিরাপত্তার প্রতি এক চরম আঘাত। দিনের পর দিন সাইবার সন্ত্রাস ও প্রতারণার মাধ্যমে যারা জনজীবন অতিষ্ঠ করে তোলে, তাদের এই অপকর্ম মানবাধিকারের গুরুতর লঙ্ঘন এবং প্রচলিত আইনে সর্বোচ্চ শাস্তিযোগ্য অপরাধের স্পষ্ট অংশ। জনগণের নিরাপত্তা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির আলোকে রাষ্ট্রীয় পক্ষ থেকে অত্যন্ত স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে যে, এ ধরনের কুখ্যাত প্রতারক ও সমাজবিরোধীদের ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। সাইবার নিরাপত্তা আইন এবং দণ্ডবিধির কঠোর ধারার পাশাপাশি এই অপরাধীর সাথে জড়িত অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড ও অবৈধ সম্পদের উৎস পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করে তার সর্বোচ্চ আইনি শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রশাসন বদ্ধপরিকর, যাতে ভবিষ্যতে কোনো চক্র প্রশাসনিক বা সামাজিক পরিচয়ের আড়ালে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করার দুঃসাহস দেখাতে না পারে।
ইনভেস্টিগেশন টিম ও অনুসন্ধানী গণমাধ্যমকর্মীরা এক জোরালো ও দ্ব্যর্থহীন বক্তব্যে স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, সাংবাদিকতার মহান পেশাকে ঢাল বানিয়ে যারা ব্ল্যাকমেইলিং, চাঁদাবাজি এবং রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বাহিনী ও প্রশাসনিক সংস্থার বিরুদ্ধে সাইবার সন্ত্রাস চালাচ্ছে, তাদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অনুসন্ধানী টিমের সদস্যরা দৃঢ়কণ্ঠে উল্লেখ করেন,পেশাদার ইয়াবা সেবনকারী ইয়াকুবের মতো ভুয়া পোর্টাল পরিচালনাকারী ও অপরাধীরা হলুদ সাংবাদিকতার মাধ্যমে সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে প্রকৃত ও সৎ সাংবাদিকদের অর্জিত সুনাম ও পেশাগত মর্যাদাকে চরমভাবে ক্ষুণ্ন করছে। কোনো সুবিধাভোগী কুচক্রী মহলের প্রেসক্রিপশনে কিংবা অনৈতিক লেনদেনের বিনিময়ে রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে বানোয়াট অপপ্রচার চালানো সাংবাদিকতা হতে পারে না! এটি সরাসরি রাষ্ট্রদ্রোহিতা ও সাইবার অপরাধের শামিল। স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার মূল চেতনাকে সমুন্নত রাখতে এবং সত্যনিষ্ঠ অনুসন্ধানের মাধ্যমে এই ধরনের তথ্য সন্ত্রাসী ও প্রতারক চক্রের শেকড় সমাজের বুক থেকে চিরতরে উপড়ে ফেলতে ইনভেস্টিগেশন টিম ও গণমাধ্যমকর্মীরা আপসহীন ও সোচ্চার ভূমিকা অব্যাহত রাখবেন বলে দ্ব্যর্থহীন ঘোষণা দিয়েছেন। পর্ব-১