1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নগর  বিএনপির সদস্য হাজী মুজিবুল হকের ঈদ শুভেচ্ছা বার্তা চট্টগ্রামের সিনিয়র সাংবাদিক ও ক্রীড়া সংগঠক হোসেন বাবলা ‘র ঈদ শুভেচ্ছা… ৩৯নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডে বিভিন্ন মসজিদে ঈদুল আযহা নামাজের সময়সূচী জামালপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী এম শুভ পাঠান।ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছে। শেষ মুহূর্তে বেশ জমে উঠেছে ৩৯ নং ওয়ার্ডের কোরবানির পশুর হাট : দাম কিছুটা কমেছে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের সিসিইউর সামনে রোগীর স্বজনের মোবাইল-মানিব্যাগ চুরি: নিরাপত্তা জোরদার ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি রাজনৈতিক ফায়দা লুটতেই সাবেক এমপি শাহজাহান মিয়ার পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা প্রশাসনকে রাজনৈতিক ঢাল বানানোর অপচেষ্টা! ইউএনও’র নামে মানহানিকর সংবাদের বিরুদ্ধে কুচক্রম হল ইউএনও’র ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা!ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ নগরীর কোরবানি পশুর হাট পরিদর্শন করেন পুলিশ কমিশনার শওকত আলী… হোসেন চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনে ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের 

জল্লাদ’ যখন ফেনীর ত্রাস!গুম-খুন ও মাফিয়া সাম্রাজ্যের কারিগর ওএসডি এসপি মাহবুবের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ দেশ’ বিচার চাই জনতা 

এসএম রুবেল' সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার।
  • প্রকাশিত: সোমবার, ১১ মে, ২০২৬
  • ৩২ বার পড়া হয়েছে

জল্লাদ’ যখন ফেনীর ত্রাস!গুম-খুন ও মাফিয়া সাম্রাজ্যের কারিগর ওএসডি এসপি মাহবুবের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ দেশ’ বিচার চাই জনতা 

এসএম রুবেল অনুসন্ধানী প্রতিবেদক, বিশেষ ইনভেস্টিগেশন ইউনিট ক্রাইম সিন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ | ১১ মে, ২০২৬ খ্রী:

ফেনী’ এখন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের রক্তাক্ত স্মৃতি এখনো দেশবাসীর হৃদয়ে তাজা। ছাত্র-জনতার ওপর নির্বিচারে গুলিবর্ষণ আর লাশের মিছিলের নেপথ্যে থাকা অন্যতম কারিগর হিসেবে অভিযুক্ত এক পুলিশ কর্মকর্তাকে নিয়ে তোলপাড় শুরু হয়েছে দেশজুড়ে। তিনি মোহাম্মদ মাহবুব আলম খান—যিনি বর্তমানে ফেনীর নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার (এসপি)। তাকে ঘিরে ডানা মেলছে গুম,খুন এবং সীমাহীন দুর্নীতির এক অন্ধকার অধ্যায়। ‘জুলাইয়ের জল্লাদ’ খ্যাত এই কর্মকর্তার বিতর্কিত পদায়নকে শহীদের রক্তের সাথে ‘নির্লজ্জ বেইমানি’ হিসেবে দেখছে সাধারণ মানুষ।

জুলাই গণহত্যা! সরাসরি রাজপথে কমান্ড! অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব চলাকালীন তৎকালীন চাঁপাইনবাবগঞ্জে কর্মরত এই কর্মকর্তা ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর হিসেবে ছাত্র-জনতার ওপর সরাসরি গুলি করার নির্দেশ দেন। একাধিক ভিডিও ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্যমতে, তিনি কেবল এসি রুমে বসে নির্দেশ দিয়েই ক্ষান্ত হননি, বরং নিজে অত্যাধুনিক অস্ত্র হাতে নিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর সশস্ত্র হামলার নেতৃত্ব দিয়েছেন। তার বিরুদ্ধে বর্তমানে ৩টি সুনির্দিষ্ট হত্যা মামলা রয়েছে, যেখানে তিনি এজাহারভুক্ত আসামি।

গুমের ‘মাস্টারমাইন্ড’ ও গুম-বাণিজ্য! মাহবুবের বিরুদ্ধে সবচেয়ে রোমহর্ষক অভিযোগ হলো তার ‘গুম সাম্রাজ্য’। চাঁপাইনবাবগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে তিনি এক বিভীষিকাময় পরিস্থিতি তৈরি করেছিলেন। নিখোঁজ ২২ বছরের ছাত্রদল নেতার দুই ভাইসহ অন্তত ২২ জন মানুষকে গুম করার নেপথ্যে তার হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মুক্তিপণ ও জিম্মিখানা! অভিযোগ রয়েছে, তৎকালীন তিনি পুলিশ স্টেশনকে ব্যক্তিগত জিম্মিখানায়’পরিণত করেছিলেন। গুম করা ব্যক্তিদের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ বাবদ কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সুনির্দিষ্ট তথ্য ভুক্তভোগীদের নথি মামলায় অভিযুক্ত তুলে ধরা হয়েছে। বন্দুকযুদ্ধের নাটক! ২০১৭ সালে যুবদল নেতা মিজানুর রহমানকে কথিত বন্দুকযুদ্ধে হত্যার অভিযোগে ২০২৪ সালে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয় (মামলা নং ১০)। পরিবারের অভিযোগ, ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দেওয়ার পরও মিজানুরকে হত্যা করা হয় এবং তার ভাই রেজাউল আজও নিখোঁজ। আন্ডারওয়ার্ল্ডের গডফাদার!  মাদক ও অর্থ পাচার! কেবল প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার নয়, মাহবুব গড়ে তুলেছিলেন এক বিশাল ‘মাফিয়া আন্ডারওয়ার্ল্ডের মাফিয়াদের সংগঠণ সদস্য। 

মাদক সিন্ডিকেট! সীমান্ত জেলা হওয়ায়  চাঁপাইনবাবগঞ্জের মাদক ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মাসোহারা আদায় এবং কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের তার বিরুদ্ধে রয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিদেশে অর্থ পাচার! সাধারণ মানুষের রক্ত চোষা টাকায় তিনি দেশ-বিদেশে গড়ে তুলেছেন বেনামি সম্পদের পাহাড়। গোয়েন্দা তথ্যানুযায়ী, এই পুলিশের কলঙ্কিত শীর্ষ কর্মকর্তা ‘বাঠু মাহবুব’ সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা তার অবৈধ আয়ের একটি বড় অংশ বিশেষ করে মাদক কারবারীদের কাছে জোরপূর্বক আদায় করাসহ বিদেশে পাচার করেছেন। জেটি জনমনে সবার মুখেমুখে। বিতর্কিত পদায়ন! ক্ষমতার অপব্যবহার  ফ্যাসিস্ট সরকারের সরকারের দাপটে হয়ে উঠেছিল বেপরোয়া! আইনের রক্ষক যখন ভক্ষক হাল ধরেছিলেন পুলিশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা! যেখানে খুনের মামলার আসামি হিসেবে তার থাকার কথা ছিল শ্রীঘরে, সেখানে ৫ মে ২০২৬ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক রহস্যজনক প্রজ্ঞাপনে তাকে ফেনীর এসপি হিসেবে পদায়ন করা হয়। এই পদায়ন সাধারণ মানুষের মনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে দেশজুড়ে। ভুক্তভোগী পরিবার গুলোর বিচার বিভাগে হাইকোর্টে রিট হত্যা মামলার আসামি হয়েও গুরুত্বপূর্ণ পদে বসার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে গত ৭ মে ২০২৬ হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটে তার নিয়োগ বাতিলসহ গুম-খুনের নিরপেক্ষ তদন্ত চাওয়া হয়েছে সরকারের কাছে। 

ভিকটিম পরিবারের আহাজারি! ভুক্তভোগী পরিবারগুলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আবেদন জানিয়ে বলেছে,খুনি যখন রক্ষক, তখন বিচার কোথায় পাব কি? অভিযুক্তের আত্মপক্ষ সমর্থন! এসপি মাহবুব আলম খান তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো অস্বীকার করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, একটি হত্যা মামলা থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন এবং অন্য মামলার সময় তিনি প্রশিক্ষণে ছিলেন। তবে গুম কমিশন এবং আদালতে ভুক্তভোগীদের দেওয়া সাক্ষ্য এই দাবির বিপরীতে কঠোর অবস্থান জানান দিচ্ছে। বর্তমান সরকারের অধীনে নিরপেক্ষ বিচার জনগণ পাবে। জনদাবি বিচার চাই দেশের মানুষসহ ভুক্তভোগীরা! জুলাইয়ের শহীদদের আত্মা আর গুম হওয়া সন্তানদের মায়েদের আর্তনাদ আজ বিচার চাইছে সরকারের কাছে দেশবাসীর দাবি! অবিলম্বে এই ‘সিরিয়াল কিলার’ ও বিতর্কিত কর্মকর্তার পদায়ন বাতিল হওয়ায় এবং তাকে ওএসডি করাতে বর্তমান সরকার। দেশ জনতার কাছে কাছে প্রিয় ও নাই বিচার হওয়ায় সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। অন্যদিকে ভুক্তভোগী ও দেশ জনতা দাবি করছেন তাকে দ্রুত, বরখাস্ত করাসহ দুদকের মাধ্যমে তার পরিবারের কাছে নামে-বেনামে থাকা সম্পদের হিসাব নেওয়া ও বাজেয়াপ্ত করা। একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল গঠন করে তার নির্দেশিত গুম ও হত্যার বিচার নিশ্চিত করা জোর দাবি নিয়ে

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আদর্শ এবং জুলাই বিপ্লবের স্পিরিট রক্ষায় এই মাফিয়া গডফাদারের পতন এখন সময়ের দাবি বলে বিশেষ ভরসা রাখছেন। দেশের আকাশ-বাতাস সাক্ষী দিচ্ছে, বিচারের কাঠগড়ায় মাহবুবকে দাঁড়াতেই হবে। জনগণের দাবি! আমরা এই বিতর্কিত পদায়নের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রতি আহ্বান— জানানোর পরেও কোন দৃশ্যমান পদক্ষেপ নেওয়া হইনি। জেটি বিচার দ্রুত সময়ের মধ্যে বর্তমান সরকারের কাছে পেয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারগুলো ও দেশ জনতা। আরও জোড়ালো নাই বিচারের অপেক্ষায় রয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের লোকজন। অবিলম্বে সরকারের প্রতি জোর দাবি এই ‘সিরিয়াল কিলারের’ পদায়ন বাতিল ও বহিষ্কার করে তাকে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করা হোক এবং প্রতিটি গুম ও হত্যার নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিত করা হোক! এই দীর্ঘ অপেক্ষার প্রহর গুনছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মানবতার ফেরিওয়ালা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে গড়া সুযোগ্য পুত্র সন্তান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি। সাথে দৃষ্টি আকর্ষণ ও নাই বিচারের অপেক্ষায় আছেন দেশের সাধারণ মানুষ ও জুলাইয়ের ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। 

উল্লেখ: ফেনীর সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মদ মাহবুব আলম খানকে নিয়ে বর্তমানে বেশ কিছু গুরুতর অভিযোগ ও আইনি বিতর্ক চলছে তাকে ঘিরে! সর্বশেষ খবর অনুযায়ী মে ২০২৬ তাকে ফেনীর এসপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার পরপরই বড় ধরনের বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। মূলত দুটি প্রধান কারণে তার এই পদায়ন নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়েছে! হত্যা মামলার আসামি! মাহবুব আলম খানের বিরুদ্ধে চাঁপাইনবাবগঞ্জে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে ২০১৭ সাল যুবদল নেতা মিজানুর রহমানকে পুলিশের তথাকথিত বন্দুকযুদ্ধে হত্যার অভিযোগে মামলা রয়েছে। ২০২৪ সালে দায়ের করা এই মামলায় তিনি ১০ নম্বর আসামি রয়েছেন! উচ্চ আদালতে রিট: হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি হওয়া সত্ত্বেও তাকে ফেনীর এসপি হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় এই নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে ৭ মে ২০২৬ রিটে তার নিয়োগ বাতিল এবং গুম-খুনসহ ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত চাওয়া হয়েছে।

অভিযোগের বিস্তারিত পটভূমি! তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগগুলো মূলত চাঁপাইনবাবগঞ্জ কর্মকালীন সময়ের সাথে সম্পর্কিত! গুম ও অপহরণ! অভিযোগ রয়েছে যে তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জে থাকাকালীন বিএনপি জামায়াত নেতা-কর্মীদের ওপর ব্যাপক নির্যাতন ও গুমের সাথে জড়িত ছিলেন। গুম কমিশনেও তার বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো অভিযোগ জমা দিয়েছে। অর্থ আদায়! শিবগঞ্জের মিজানুর রহমান ও তার ভাই রেজাউল করিমকে তুলে নিয়ে পরিবারের কাছে ২০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। টাকা দেওয়ার পরও মিজানুরকে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মৃত দেখানো হয় এবং রেজাউল আজও নিখোঁজ রয়েছেন বলে পরিবার দাবি করেছে।

আইনি অবস্থা! ৫ মে ২০২৬ তারিখে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে তাকে ফেনীর এসপি হিসেবে পদায়ন করা হয়। কিন্তু পরদিনই ভুক্তভোগী পরিবারগুলো প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই নিয়োগ বাতিলের আবেদন জানায়। মাহবুব আলম খানের বক্তব্য! অভিযোগের বিষয়ে তিনি দাবি করেছেন যে, একটি হত্যা মামলা থেকে তিনি ইতোমধ্যে অব্যাহতি পেয়েছেন। অন্য যে মামলাটি চলমান, সেই ঘটনার সময় তিনি প্রশিক্ষণে ছিলেন এবং এর প্রমাণাদি যথাযথ দপ্তরে জমা দিয়েছেন বলে জানান তিনি। তবে বর্তমানে বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং উচ্চ আদালতের নির্দেশনার ওপর তার পরবর্তী পদমর্যাদা বিচার বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নির্ভর করছে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট