1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নগর  বিএনপির সদস্য হাজী মুজিবুল হকের ঈদ শুভেচ্ছা বার্তা চট্টগ্রামের সিনিয়র সাংবাদিক ও ক্রীড়া সংগঠক হোসেন বাবলা ‘র ঈদ শুভেচ্ছা… ৩৯নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডে বিভিন্ন মসজিদে ঈদুল আযহা নামাজের সময়সূচী জামালপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী এম শুভ পাঠান।ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছে। শেষ মুহূর্তে বেশ জমে উঠেছে ৩৯ নং ওয়ার্ডের কোরবানির পশুর হাট : দাম কিছুটা কমেছে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের সিসিইউর সামনে রোগীর স্বজনের মোবাইল-মানিব্যাগ চুরি: নিরাপত্তা জোরদার ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি রাজনৈতিক ফায়দা লুটতেই সাবেক এমপি শাহজাহান মিয়ার পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা প্রশাসনকে রাজনৈতিক ঢাল বানানোর অপচেষ্টা! ইউএনও’র নামে মানহানিকর সংবাদের বিরুদ্ধে কুচক্রম হল ইউএনও’র ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা!ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ নগরীর কোরবানি পশুর হাট পরিদর্শন করেন পুলিশ কমিশনার শওকত আলী… হোসেন চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনে ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের 

চুয়াডাঙ্গায় রমজানে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ বায়েজিদ জোয়ার্দার
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

 

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
বায়েজিদ জোয়ার্দার

 

পবিত্র রমজানে চুয়াডাঙ্গার বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। কাঁচাবাজার ও নিত্যপণ্যের দাম কিছুটা বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে কাগজি লেবু ও শসা। কয়েকটি পণ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে ক্রেতাদের অধিক চাহিদা এবং বাজারে পণ্যের যোগান কম থাকাকেই দায়ী করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অদ্য ২০ ফ্রেবুয়ারী ২০২৬ ইং শুক্রবার সকালে শহরের বড় বাজার ও নিচের বাজার ঘুরে দেখা যায়, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে মানুষের ঢল নেমেছে। বিশেষ করে মুদি ও সবজির দোকানে ছিল অতিরিক্ত ভিড়। ক্রেতারা ইফতার ও সেহরির সামগ্রী সংগ্রহে ব্যস্ত সময় পার করছেন। পবিত্র মাহে রমজানের সারা মাসের বাজার এক দিনেই করতে এসেছেন অনেক ক্রেতারা। যার ফলে বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি এবং যোগান কমায় দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে।

খেজুরের দাম মানভেদে প্রতি কেজি ২শ’ থেকে ১২’ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ছোলা ৯৫ টাকা, বেসন ৯০ টাকা, মুড়ি ৯০ টাকা, সয়াবিন তেল ২০০ টাকা, চিনি ১শ’৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। যা গত বছরের তুলনায় খুব একটা বেশি বাড়েনি বলে জানাচ্ছেন ক্রেতারা। এদিকে আপেল, কমলা ও আঙ্গুরসহ অন্যান্য ফলের দাম মোটামুটি স্থিতিশীল আছে বলে অনেক ক্রেতার অভিমত। কলা প্রকারভেদে ১৫ থেকে ২০ টাকা হালি বিক্রি হচ্ছে।

কয়েক দিনের ব্যবধানে কিছু সবজির দাম বেড়েছে । কয়েক সপ্তাহ আগেও শসা ছিল ৫০ টাকা, বর্তমানে তা বেড়ে হয়েছে ১২০ টাকা। বেগুন ৫০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০-৭০ টাকা, টমেটো ৪০ টাকা থেকে ৬০ টাকা, লেবু ৩০ টাকা থেকে বেড়ে ৬০-১০০ টাকা হালি, পেঁয়াজ ৩৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা, রসুন ১শ’ টাকা থেকে ১৪০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ ৮০ টাকা থেকে বেড়ে ১৮০ টাকা, আলু ২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা জানান, রমজানকে ঘিরে পণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং সরবরাহ কিছুটা কম থাকায় দাম বেড়েছে। তাদের দাবি, পাইকারি বাজারেই পণ্যের দাম বেশি থাকায় খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়ছে। এছাড়া পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং আমদানি নির্ভর পণ্যের দামের ঊর্ধ্বগতিও বাজার অস্থিরতার কারণ বলে জানান তারা। অন্যদিকে, ক্রেতারা বলছেন, হঠাৎ করেই সবজির দাম বেড়ে যাওয়ায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের পক্ষে রমজানের বাজার সামাল দেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। একাধিক ক্রেতার অভিযোগ, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অতিরিক্ত লাভের আশায় দাম বাড়িয়ে দিচ্ছেন।

খুচরা সবজি ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শিপন বলেন, রমজানের আগে সবজির দাম তুলনামূলক কম থাকায় বিক্রি ভালো ছিল। কিন্তু রোজা উপলক্ষে বাজারে সবজির দাম বেড়ে যাওয়ায় আমাদের বিক্রি কমে গেছে। আগে কাঁচা মরিচ প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি করা হলেও বর্তমানে তা ১৮০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। পাইকারি বাজার থেকেই বেশি দামে পণ্য কিনতে হওয়ায় বাধ্য হয়ে খুচরা বাজারেও বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে।

পাইকারি সবজি ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শামীম রেজা বলেন, রমজানকে কেন্দ্র করে বাজারে সবজির চাহিদা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেড়ে গেছে। বিশেষ করে কাঁচা মরিচ, শসা, টমেটো, বেগুন ও লেবুর চাহিদা বেশি থাকায় পাইকারি বাজারেই দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আমাদের সবজি মোকাম থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। আমরা বেশি দামে কিনলে স্বাভাবিকভাবেই খুচরা ব্যবসায়ীদের কাছেও বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।

মুদি দোকানী মোসলেম হোসেন বলেন, রমজান উপলক্ষে মুদি দোকানের পণ্যের দাম খুব একটা বাড়েনি। গতবছর রমজান মাসের তুলনায় এ বছর পণ্যের দাম বরং কিছুটা কম। গত বছর ছোলা ১১০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও এ বছর বিক্রি হচ্ছে ৯৫ টাকা কেজি। গত বছর চিনি ১৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয়েছে এ বছর ১শ ৫’ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ক্রেতা আবুল কালাম আজাদ বলেন, রমজান উপলক্ষে সবজির দাম বেশি। প্রতি বছর রমজান আসলেই বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়ে যায়।

এ বিষয়ে চুয়াডাঙ্গা বাজার মনিটরিং কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, রমজানকে কেন্দ্র করে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। সারা দেশের ন্যায় চুয়াডাঙ্গাতেও কিছু সবজির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে স্থিতিশীল আছে মুদি দোকানের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য। ক্রেতারা এক দিনেই সারা মাসের বাজার করায় বাজারে পণ্যের চাহিদা বেড়েছে। তবে কিছুদিন গেলে সবজির দাম একটু কমবে বলে ধারণা করছি। জনসাধারণের সুবিধার্থে নিয়মিত বাজার মনিটরিং অব্যাহত থাকবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট