চাঁপাইনবাবগঞ্জের হাজারো আম চাষী সারা বছর কঠোর পরিশ্রম করে দেশের মানুষের জন্য নিরাপদ ও সুস্বাদু আম উৎপাদন করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে ওজনের অনিয়ম, অতিরিক্ত কাটতি এবং বিভিন্ন অযৌক্তিক দাবির কারণে কৃষকরা তাদের ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন।
সম্প্রতি বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ে ইজারাদার (ইসটেক হোল্ডার), প্রশাসন ও সংশ্লিষ্টদের উপস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে—
৪০ কেজি আম = ১ মণ হিসেবে গণ্য হবে। প্রতি কেজি আমের উপর সর্বোচ্চ ৩% কমিশন নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে আম চাষীদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার পথে একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে শুধু সিদ্ধান্ত নিলেই হবে না, মাঠ পর্যায়ে শতভাগ বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে। কোনো কৃষকের কাছ থেকে অতিরিক্ত ওজন নেওয়া, অযৌক্তিক কাটতি বা হয়রানি করা হলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
আমরা আশা করি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মাননীয় তিনজন সংসদ সদস্যবৃন্দ, জেলা প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কৃষকের স্বার্থ রক্ষায় কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন এবং আম বাজারে দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও সিন্ডিকেট সংস্কৃতির অবসান ঘটাবেন। কৃষক বাঁচলে কৃষি বাঁচবে,আম চাষী বাঁচলে আমের রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ বাঁচবে।
এমন এক বুক আশা নিয়ে প্রতিনিয়তই দিন গুনছেন আমি চাষীরা।