1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নগর  বিএনপির সদস্য হাজী মুজিবুল হকের ঈদ শুভেচ্ছা বার্তা চট্টগ্রামের সিনিয়র সাংবাদিক ও ক্রীড়া সংগঠক হোসেন বাবলা ‘র ঈদ শুভেচ্ছা… ৩৯নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডে বিভিন্ন মসজিদে ঈদুল আযহা নামাজের সময়সূচী জামালপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী এম শুভ পাঠান।ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছে। শেষ মুহূর্তে বেশ জমে উঠেছে ৩৯ নং ওয়ার্ডের কোরবানির পশুর হাট : দাম কিছুটা কমেছে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের সিসিইউর সামনে রোগীর স্বজনের মোবাইল-মানিব্যাগ চুরি: নিরাপত্তা জোরদার ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি রাজনৈতিক ফায়দা লুটতেই সাবেক এমপি শাহজাহান মিয়ার পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা প্রশাসনকে রাজনৈতিক ঢাল বানানোর অপচেষ্টা! ইউএনও’র নামে মানহানিকর সংবাদের বিরুদ্ধে কুচক্রম হল ইউএনও’র ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা!ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ নগরীর কোরবানি পশুর হাট পরিদর্শন করেন পুলিশ কমিশনার শওকত আলী… হোসেন চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনে ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের 

খালিয়া–রহমতপুর কবরস্থান ঈমান, ঐক্য ও দরিদ্রের দানশীলতার অনন্য দৃষ্টান্ত

মো: তরিকুল ইসলাম মহম্মদপুর(মাগুরা) প্রতিনিধি
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৮ বার পড়া হয়েছে

 

মো: তরিকুল ইসলাম
মহম্মদপুর(মাগুরা) প্রতিনিধি

মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলার খালিয়া–রহমতপুর কবরস্থান আজ শুধু একটি দাফনস্থল নয়; এটি গ্রামবাসীর দীর্ঘদিনের ত্যাগ, ঐক্য ও বিশ্বাসের জীবন্ত স্মারক। স্বাধীনতার বহু আগে থেকেই একটি সাধারণ মুসলিম কবরস্থানের স্বপ্ন লালন করে আসছিল খালিয়া ও রহমতপুর গ্রামের মানুষ। নানা সময় উদ্যোগ নেওয়া হলেও স্থানীয় বিরোধ ও মতানৈক্যের কারণে তা বাস্তবায়ন সম্ভব হয়নি।
স্বাধীনতার পর গ্রামের সাধারণ মানুষ তোশের মণ্ডল নিজের পৈতৃক জমি কবরস্থানের জন্য দান করলে নতুন করে আশার আলো জ্বলে ওঠে। তাঁর এই উদ্যোগে অনুপ্রাণিত হয়ে গ্রামবাসী একত্রিত হন। কেউ জমি দেন, কেউ অর্থ সহায়তা করেন, কেউ আবার শ্রম ও নির্মাণসামগ্রী দিয়ে পাশে দাঁড়ান। পরবর্তীতে প্রয়োজন অনুযায়ী অতিরিক্ত জমি ক্রয় করা হয়। এভাবেই ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে বর্তমান খালিয়া–রহমতপুর কবরস্থান।
এই মহৎ উদ্যোগে ধনী-গরিব নির্বিশেষে সবাই অংশ নিলেও সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ছিল দরিদ্র মানুষের দান। এক দিনের মজুরি, এক মুঠো চাল কিংবা কোনো বিধবার একমাত্র ছাগল—সব মিলিয়ে এটি হয়ে ওঠে নিঃস্বার্থ দানশীলতার এক বিরল উদাহরণ। দানের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে তোশের মণ্ডলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন আবদুর রহিম মোল্লা। গ্রামবাসীরা জানান, অনেকেই রসিদ ছাড়াই দান করেছেন, কারণ তাঁদের বিশ্বাস ছিল মানুষের ওপর।
মৌসুমি বন্যা থেকে রক্ষার জন্য কবরস্থানটি উঁচু ভেটিতে নির্মিত। বর্ষায় সবুজ ঘাসে ঢাকা কবর আর হেমন্তে ঝরা শিউলি ফুলের সৌরভ কবরস্থানকে করে তোলে শান্ত ও পবিত্র। এখানে নেই কোনো জাঁকজমকপূর্ণ স্থাপনা—শুধু একটি টিনের ছাউনি দেওয়া ঘর, যেখানে জানাজার সামগ্রী সংরক্ষণ করা হয়। চারপাশে থাকা শিউলি, বেল ও হিজলগাছ বহু বছর আগে স্থানীয় শিশুদের হাতে রোপিত।
তোশের মণ্ডলের মৃত্যুর পর তাঁর ছেলে চাঁদ মণ্ডল দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে ২০১৭ সাল থেকে গঠিত কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ মণ্ডল, সাধারণ সম্পাদক সাগর মণ্ডল ও কোষাধ্যক্ষ দুদু বিশ্বাসের নেতৃত্বে সুষ্ঠুভাবে কবরস্থানের কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
স্থানীয়দের মতে, খালিয়া–রহমতপুর কবরস্থান আজ গ্রামের হৃদয়। এটি প্রমাণ করে—চিরস্থায়ী স্মৃতি পাথরের সৌধে নয়, বরং মানুষের সম্মিলিত বিশ্বাস, ত্যাগ ও ঐক্যের মধ্যেই বেঁচে থাকে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট