1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬, ০৮:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাঁথিয়া প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন  ‎যোগদানের মাত্র চার দিনের মাথায় শিবচর থানার ওসি প্রত্যাহার ‎ বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক ও সিটি কর্পোরেশনের যৌথ অংশীদারিত্বের বিকল্প নেই: ডিএসসিসি প্রশাসক পূবাইলবাসীর দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: নিজস্ব থানা ভবনের উদ্বোধন করলেন জিএমপি কমিশনার পীরগঞ্জে দুই মাদক ব্যবহারকারী কারাদন্ড জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার কিশোরগঞ্জ জেলা ইউনিটের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন মর্যাদা ও উৎসাহে কিশোরগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত রাজশাহীতে বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালুর দাবিতে স্মারকলিপি প্রদান পশ্চিম গুজরায় চারদিনব্যাপী বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাসন্তী পূজা সম্পন্ন হ্নীলায় ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপপ্রচারের অভিযোগ ইউপি সদস্যের

বর্জ্যমুক্ত ঢাকা গড়তে নাগরিক ও সিটি কর্পোরেশনের যৌথ অংশীদারিত্বের বিকল্প নেই: ডিএসসিসি প্রশাসক

রাজু হোসেন নিজস্ব প্রতিবেদক
  • প্রকাশিত: সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

মো. আনোয়ার হোসেন 

 

আন্তর্জাতিক বর্জ্যমুক্ত দিবস ২০২৬ উপলক্ষে এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ESDO) আয়োজিত ‘রাউন্ডটেবল অ্যান্ড ইউথ-পলিসি ডায়ালগ অন এক্সিলারেটিং জিরো ওয়েস্ট ইন ঢাকা’ শীর্ষক অনুষ্ঠান আজ (৩০শে মার্চ) ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নগর ভবনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আবদুস সালাম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রশাসক ঢাকা শহরকে বর্জ্যমুক্ত করার একটি কার্যকর রূপরেখা তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানে তিনি বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় সফলতার জন্য নাগরিক ও সিটি কর্পোরেশনের মধ্যে একটি ‘৫০-৫০’ অংশীদারিত্বের মডেল প্রস্তাব করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, যদি নাগরিকরা তাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে সচেতন নিশ্চিত করেন তাহলে ৫০ শতাংশ কাজ হয়ে যাবে এবং সিটি কর্পোরেশন বাকি ৫০ শতাংশ দায়িত্ব পালন করে, তবেই একটি শতভাগ বর্জ্যমুক্ত শহর গড়ে তোলা সম্ভব।

 

প্রশাসক জানান, প্রধানমন্ত্রীর ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ বাস্তবায়নে ডিএসসিসি ইতোমধ্যে মাতুয়াইল ল্যান্ডফিল্ডে ঢাকা রিসোর্স সার্কুলেশন পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। এর ফলে, বর্জ্যকে যেমন সম্পদে রূপান্তর সম্ভব হবে, তেমনি বর্জ্য দূষণের ফলে সৃষ্ট পরিবেশ বিপর্যয় রোধ করা সম্ভব হবে।

 

জনসচেতনতা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নত বিশ্বের মতো আমাদের দেশেও উৎস থেকে বর্জ্য পৃথকীকরণ এবং রিসাইক্লিংয়ের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে। তিনি ইএসডিও-র (ESDO) মতো সামাজিক সংগঠনগুলোকে নাগরিকদের মধ্যে সচেতনতা তৈরি এবং বর্জ্য সংগ্রাহকদের প্রশিক্ষণের জন্য নিয়মিত কর্মশালা আয়োজনের আহ্বান জানান।

 

উল্লেখ্য যে, ৩০ মার্চ বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এবং জাতিসংঘ মানব বসতি কর্মসূচি (UN-Habitat) এর উদ্যোগে দিবসটি পালিত হচ্ছে, যার এবারের মূল প্রতিপাদ্য হলো ‘খাদ্য অপচয় রোধ’।

 

অনুষ্ঠানে ডিএসসিসি ও ডিএনসিসি-র ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত থেকে ঢাকার বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট