1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ০৭:৪৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ডিজেল সংকট রূপ নিচ্ছে সহিংসতায়! পাম্পে চাষি-শ্রমিক হাতাহাতিতে উত্তাল আম রাজধানী  সমতল আদিবাসীদের পাঁচ দফা দাবিতে রাজশাহী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন পূর্বাচলে ভয়াবহ জালিয়াতি: জবাই করা ৯টি ও ১১টি জ্যান্ত ঘোড়া জব্দ উপজেলা প্রেসক্লাব দিঘলিয়া খুলনার উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন গোমস্তাপুর উপজেলার বড় দাদপুরে পেট্রোল পাম্পে অর্থদণ্ড, মালিকদের কড়া সতর্ক নির্বাহী প্রশাসকের টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা জসিম উদ্দিন টিপু, সিনিয়র সহ-সভাপতি শামসুল আলম শারেক মনোনীত খুলনায় ছিনতাইয়ের সময় গুলিবর্ষণ, ছিনতাইকারী নিহত.  শাহজাদপুরে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস যথাযোগ্য মর্যাদা পালিত  মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে গোমস্তাপুর উপজেলা প্রশাসনসহ সর্বস্তরের শ্রদ্ধা নিবেদন মুন্সিগঞ্জে বিএনপি মহিলা দলের সহ-সভাপতি পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা বার্তা। 

ডিজেল সংকট রূপ নিচ্ছে সহিংসতায়! পাম্পে চাষি-শ্রমিক হাতাহাতিতে উত্তাল আম রাজধানী 

এসএম রুবেল' সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার' চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬
  • ১৩ বার পড়া হয়েছে

সময় শেষ হয়ে আসছে! দ্রুত তেল সরবরাহ না বাড়ালে আম বাজারে ধস নামার আশঙ্কা।

প্রকৃতির বৈরিতা নয়,জ্বালানি সংকটই এখন আমের বড় শত্রু’ বিপাকে উত্তরের আমচাষিরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জের এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। পোকার পেটে যাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আম! ডিজেল সংকটে স্প্রে মেশিন বন্ধ,দিশেহারা সংকটে চাষিরা পেট্রোল পাম্পে ঘটে যাচ্ছে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা! একদিকে পোকার আক্রমণ, অন্যদিকে ডিজেল না পেয়ে স্প্রে করতে না পারা—চাষিদের জন্য এটি যেন ‘মরার ওপর খাঁড়ার ঘা’। চাঁপাইনবাবগঞ্জে জ্বালানি সিন্ডিকেটের ‘মরণকামড়’ পাম্পে তালা, ড্রামে তেল,  নাভিশ্বাস কৃষকের! বিশেষ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন |এসএম রুবেল,চাঁপাইনবাবগঞ্জ। সীমান্ত জেলা’ চাঁপাইনবাবগঞ্জে এখন হাহাকার নয়,চলছে নীরব হাহুতাশ। একদিকে পাম্পগুলোতে ঝুলছে- তেল নেই’লেখা সাইনবোর্ড,অন্যদিকে গ্রামের মোড়ে মোড়ে ড্রামে ভরে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে অক্টেন-ডিজেল। পাম্প মালিক আর মধ্যস্বত্বভোগীদের এক অদৃশ্য সিন্ডিকেটের হাতে জিম্মি হয়ে পড়েছে জেলার পুরো কৃষিখাত। বিশেষ করে সেচ মৌসুমে ডিজেল সংকটে পুড়ছে কৃষকের স্বপ্ন,ধুঁকছে দেশের অন্যতম বড় আম ও ধান উৎপাদনকারী এই অঞ্চল।,পাম্পে আকাল, কালোবাজারে সয়লাব! সরেজমিনে দেখা গেছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রধান প্রধান ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের জন্য মোটরসাইকেল ও ট্রাকের দীর্ঘ সারি। কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও মিলছে না তেল। পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি— সরবরাহ নেই। অথচ রহস্যজনকভাবে পাম্পের ঠিক কয়েক গজ দূরেই রাস্তার ধারের দোকানগুলোতে মিলছে পর্যাপ্ত জ্বালানি। তবে শর্ত একটাই— লিটার প্রতি গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত ১৫ থেকে ৩০ টাকা। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন,পাম্পে তেল না থাকলে এই অবৈধ খুচরা বিক্রেতারা তেল পাচ্ছে কোথায়?

কৃষকের রক্ত ঘামে সিন্ডিকেটের থাবা অন্যদিকে,চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষির প্রাণ হলো ডিজেল চালিত সেচযন্ত্র। বর্তমানে বোরো ধান ও অন্যান্য ফসলের জন্য পানির চরম সংকট। কিন্তু ডিজেল না পেয়ে মাঠের জমি ফেটে চৌচির হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক কৃষক ক্ষোভের সাথে বলেন,পাম্পে গেলে বলে তেল নাই, কিন্তু দালাল ধরলে ড্রামে করে তেল হাজির হয়। আমাদের রক্ত জল করা টাকা সিন্ডিকেটের পেটে যাচ্ছে, আর আমরা মরছি না খেয়ে। ডিজেলের এই উচ্চমূল্য আর দুষ্প্রাপ্যতায় চাষাবাদের খরচ কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে সেচ কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন,যার ভয়াবহ প্রভাব পড়বে আগামী মৌসুমে জেলার খাদ্য উৎপাদনে।প্রশাসনের নীরবতা নিয়ে প্রশ্ন। চাঁপাইনবাবগঞ্জে তেলের রাজনীতি” কৃষকের স্বপ্ন যখন পাম্পের তালাবন্ধ দরজায় আটকে। পাবলিকের অভিযোগ,চোখের সামনে এমন নৈরাজ্য চললেও স্থানীয় প্রশাসনের নজরদারি যেন কেবল কাগ কলমেই সীমাবদ্ধ। সিন্ডিকেট ভাঙতে বড় ধরনের কোনো অভিযান বা পাম্পগুলোর স্টক যাচাইয়ের কার্যকর পদক্ষেপ এখনো দৃশ্যমান নয়। জ্বালানি তেলের এই কৃত্রিম সংকট কি তবে প্রশাসনের নাকের ডগাতেই লালিত হচ্ছে? এমন প্রশ্ন এখন চায়ের টেবিল থেকে শুরু করে ধানের মাঠ পর্যন্ত সর্বত্র। স্থবির জনজীবন ও অর্থনীতির ধাক্কা

শুধু কৃষি নয়,অক্টেন ও পেট্রোল সংকটে বিপাকে পড়েছে যাতায়াত ব্যবস্থা। ভাড়ার অতিরিক্ত চাপে পিষ্ট সাধারণ মানুষ। জ্বালানি তেলের এই অনিয়ন্ত্রিত বাজারব্যবস্থা যদি এখনই রুখে দেওয়া না যায়,তবে সীমান্তবর্তী এই জেলার অর্থনীতিতে বড় ধরনের বিপর্যয় অনিবার্য। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাধারণ মানুষ এখন আর আশ্বাস চায় না,তারা চায় তেলের ন্যায্যমূল্য এবং সিন্ডিকেটমুক্ত নিরাপদ বাজার ব্যবস্থা! আম-ধানের জেলায় জ্বালানি হাহাকার! পাম্পে কৃষি কার্ডের’ অজুহাত, কালোবাজারে মিলছে ড্রাম ভর্তি তেল! পাম্পে আকাল,কালোবাজারে সয়লাব! সরেজমিনে দেখা গেছে ভিন্ন ঘটনা চিত্র! চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রধান প্রধান ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের জন্য মোটরসাইকেল ও ট্রাকের দীর্ঘ সারি। কিন্তু ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থেকেও মিলছে না তেল। পাম্প কর্তৃপক্ষের দাবি— সরবরাহ নেই। অথচরহস্য’ জনকভাবে পাম্পের ঠিক কয়েক গজ দূরেই রাস্তার ধারের দোকানগুলোতে মিলছে পর্যাপ্ত জ্বালানি। তবে শর্ত একটাই— লিটার প্রতি গুণতে হচ্ছে অতিরিক্ত ১৫ থেকে ৩০ টাকা। সাধারণ মানুষের প্রশ্ন,পাম্পে তেল না থাকলে এই অবৈধ খুচরা বিক্রেতারা তেল পাচ্ছে কোথায়?

কৃষকের রক্ত ঘামে সিন্ডিকেটের থাবা! চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষির প্রাণ হলো ডিজেল চালিত সেচযন্ত্র। বর্তমানে বোরো ধান ও অন্যান্য ফসলের জন্য পানির চরম সংকট। কিন্তু ডিজেল না পেয়ে মাঠের জমি ফেটে চৌচির হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক কৃষক ক্ষোভের সাথে বলেন,পাম্পে গেলে বলে তেল নাই, কিন্তু দালাল ধরলে ড্রামে করে তেল হাজির হয়। আমাদের রক্ত জল করা টাকা সিন্ডিকেটের পেটে যাচ্ছে, আর আমরা মরছি না খেয়ে। ডিজেলের এই উচ্চমূল্য আর দুষ্প্রাপ্যতায় চাষাবাদের খরচ কয়েকগুণ বেড়ে গেছে। অনেক কৃষক বাধ্য হয়ে সেচ কাজ বন্ধ করে দিয়েছেন,যার ভয়াবহ প্রভাব পড়বে আগামী মৌসুমে জেলার খাদ্য উৎপাদনে। আম চাষিদের আর্তনাদ! পোকার আক্রমণে বিপন্ন বাগানে মিলছে না ডিজেল,জ্বালানি সংকটের সবচেয়ে ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে জেলার আম বাগানগুলোতে। সোনাচন্ডি এলাকার আম চাষিরা জানান, তাদের বাগানে বর্তমানে উকুন পোকা (Hoppers) ও অন্যান্য পোকামাকড়ের ব্যাপক উপদ্রব দেখা দিয়েছে। এই অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে কীটনাশক স্প্রে করা প্রয়োজন, কিন্তু স্প্রে মেশিন চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় ডিজেল মিলছে না। একজন ভুক্তভোগী আম চাষি আক্ষেপ করে বলেন,আমার ৩৫ বিঘা আম বাগান এখন পোকার দখলে। ডিজেল না পাওয়ায় স্প্রে করতে পারছি না, আম সব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পাম্পে গেলে তারা কৃষি কার্ড ছাড়া তেল দিতে চাইছে না,অথচ বাগান বাঁচাতে এখনই ডিজেল দরকার। আমাদের এই দুর্দশা দেখার কি কেউ নেই?।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট