
বাগেরহাট প্রতিনিধি : মো:মুন্না শেখ
বাগেরহাটের কচুয়া উপজেলার সাইনবোর্ড বাজার কমিটির অফিসে ডেকে নিয়ে অপু কর্মকার নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিএনপি নেতা ও বাজার কমিটির সহ-সম্পাদক মামুন শেখের বিরুদ্ধে। পাশাপাশি ভুক্তভোগী অপু কর্মকারের স্বর্ণের দোকানে বাজার কমিটির সিল সংবলিত তালা লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে বুধবার রাতে কচুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন অপু কর্মকার।
অপু কর্মকার সাইনবোর্ড বাজারের রুপশ্রী জুয়েলার্সের স্বত্ত্বাধিকারী।
ভুক্তভোগী অপু কর্মকার বলেন, “সাইনবোর্ড বাজারে প্রায় ৪০ বছর ধরে আমার স্বর্ণের ব্যবসা। বাজারে আমার আরও তিনটি দোকান ভাড়া দেওয়া আছে। কিন্তু মামুন নামে এক ব্যক্তি নির্বাচনের ১০ দিন আগে ওই তিন দোকানের ভাড়াটিয়ার কাছে ভাড়া চান। তখন স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। তারপরে তিনি কিছুদিন আর ভাড়া চান নাই। এই মাসে আবার নতুন করে বুধবার সন্ধ্যায় আমার ভাড়াটিয়াদের কাছে ভাড়া চাচ্ছেন। আমি ভাড়াটিয়াদের ভাড়া দিতে নিষেধ করি। তখন মামুন লোক পাঠিয়ে আমাকে বাজার কমিটির অফিসে ডেকে নেন।”
‘ভাড়া দিতে নিষেধ করেছেন কেন’ জানতে চান এবং ‘ব্যারিস্টার শেখ মোহাম্মাদ জাকির হোসেনের কাছে নালিশ করেছিস’ বলেই আমাকে মারপিট শুরু করেন তিনি।
অপু কর্মকার বলেন, “মামুন মারতে মারতে আমাকে নিয়ে দোকানের সামনে নিয়ে আসেন। দৌড় দিয়ে যখন দোকানে ঢুকেছি, তখন দোকানে ঢুকে আবারও মেরেছেন। আমার দোকানে তালা মেরে দিয়েছেন। আমি এসব অন্যায়ের বিচার চাই।”
অভিযুক্ত বিএনপি নেতা মামুন শেখ বলেন, “অপু কর্মকারের ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাকে অফিসে ডাকা হয়েছিল। কথা বলার সময় তাকে দু-একটি ধাক্কা দেওয়া হয়েছে। মারধর করা হয়নি।”
সাইনবোর্ড বাজার কমিটির সভাপতি ও রাড়িপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সরদার রেজাউল হোসেন চল বলেন, “মামুন শেখ একজন ব্যবসায়ীকে মারধর ও দোকান তালা দিতে পারে না। এ বিষয়ে সন্ধ্যায় জরুরি সভা ডাকা হয়েছে। সেখানে আলোচনাপূর্বক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”
কচুয়া থানার ওসি শফিকুর রহমান বলেন, “একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।