1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নগর  বিএনপির সদস্য হাজী মুজিবুল হকের ঈদ শুভেচ্ছা বার্তা চট্টগ্রামের সিনিয়র সাংবাদিক ও ক্রীড়া সংগঠক হোসেন বাবলা ‘র ঈদ শুভেচ্ছা… ৩৯নং দক্ষিণ হালিশহর ওয়ার্ডে বিভিন্ন মসজিদে ঈদুল আযহা নামাজের সময়সূচী জামালপুর পৌরসভার মেয়র পদপ্রার্থী এম শুভ পাঠান।ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছে। শেষ মুহূর্তে বেশ জমে উঠেছে ৩৯ নং ওয়ার্ডের কোরবানির পশুর হাট : দাম কিছুটা কমেছে চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের সিসিইউর সামনে রোগীর স্বজনের মোবাইল-মানিব্যাগ চুরি: নিরাপত্তা জোরদার ও দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি রাজনৈতিক ফায়দা লুটতেই সাবেক এমপি শাহজাহান মিয়ার পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ উপজেলা প্রশাসনকে রাজনৈতিক ঢাল বানানোর অপচেষ্টা! ইউএনও’র নামে মানহানিকর সংবাদের বিরুদ্ধে কুচক্রম হল ইউএনও’র ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা!ভিত্তিহীন ও বানোয়াট সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ নগরীর কোরবানি পশুর হাট পরিদর্শন করেন পুলিশ কমিশনার শওকত আলী… হোসেন চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনে ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের 

বীর মুক্তিযোদ্ধা লাল্টুর আত্নসমর্পণ ও কারাজীবন

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ বায়েজিদ জোয়ার্দার
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৭৪ বার পড়া হয়েছে

 

চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধিঃ
বায়েজিদ জোয়ার্দার

 

চরমপন্থী নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান লাল্টুর আত্মসমর্পণ থেকে কারাজীবন—এক আলোচিত জীবনের গল্প
মেহেরপুর ট্রেজারি ডাকাতির অন্যতম নায়ক ,দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আলোচিত চরিত্র, চরমপন্থী নেতা এবং চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার কয়রাডাঙ্গা গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুজ্জামান লাল্টু গতি ২৫ শেষ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং ইন্তেকাল করেছেন। তাঁর জীবনের পথচলা ছিল বৈপরীত্যে ভরা—একদিকে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় অধ্যায়, অন্যদিকে স্বাধীনতার পর সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে দীর্ঘ পলাতক জীবন ও কারাবাস।
স্বাধীনতার পর তিনি সন্ত্রাসী জীবন বেছে নেওয়ায় দীর্ঘদিন আত্মগোপনে ছিলেন। পরবর্তীতে গ্রেপ্তার হয়ে দীর্ঘ কারাজীবন কাটান। তবে তাঁর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় আসে ১৯৯৯ সালের ২৯ জুলাই। সেদিন নিজ গ্রাম কয়রাডাঙ্গায় সহকর্মীদের নিয়ে পুলিশের কাছে শতাধিক অস্ত্র ও কয়েকশ রাউন্ড গুলিসহ আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন নুরুজ্জামান লাল্টু। ১৯ বছর কারাভোগের পর ২০১৮ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি তিনি নুরুজ্জামান লাল্টুর নির্দেশে—যা তাঁর জীবনের অন্ধকার অধ্যায়ের নির্মম স্মারক হয়ে আছে।
আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে লম্বা পাটিতে বসে আছেন নুরুজ্জামান লাল্টু, তাঁর ভাইপো বিপ্লব, দীপুসহ শতাধিক চরমপন্থী। সামনে সাজানো শতাধিক আগ্নেয়াস্ত্র ও কয়েকশ রাউন্ড গুলি। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন তৎকালীন খুলনা রেঞ্জের ডিআইজি লুৎফুল কবীর।
আত্মসমর্পণের সময় নুরুজ্জামান লাল্টু সরকারের কাছে লিখিতভাবে প্রায় ১৬টি দাবি পেশ করেন। এর মধ্যে ছিল—কয়রাডাঙ্গা গ্রামে বিদ্যুৎ সংযোগ, টেলিফোন লাইন স্থাপন, কাঁচা রাস্তা পাকা করা ইত্যাদি উন্নয়নমূলক দাবি। এসব দাবি লিফলেট আকারে উপস্থিত সাংবাদিকদের হাতে তুলে দেন গ্রামবাসীরা।
নুরুজ্জামান লাল্টুর জীবন ছিল এক জটিল ও বিতর্কিত অধ্যায়। একজন মুক্তিযোদ্ধা কেন সন্ত্রাসের পথে গেলেন—এ প্রশ্ন আজও প্রাসঙ্গিক। উল্লেখযোগ্য বিষয়, তাঁর পুরো পরিবারই মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা থেকে সশস্ত্র চরমপন্থায় পা বাড়ানোর সেই অজানা গল্প একদিন হয়তো বিশদভাবে লেখা হবে।
গত ২৫ শে ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ইং তাঁর ইন্তেকালে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছে এক সময়ের আতঙ্ক ও বিতর্কের এই নাম—নুরুজ্জামান লাল্টু।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০
১১১২১৩১৪১৫১৬১৭
১৮১৯২০২১২২২৩২৪
২৫২৬২৭২৮২৯৩০৩১
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট