
বালিয়াডাঙ্গার সেবক থেকে উন্নয়নের নায়ক শাব্বির আহমেদের জাদুকরী ছোঁয়ায় বদলে গেল অবহেলিত ইউনিয়নসহ চাঁপাইনবাবগঞ্জ!
এসএম রুবেল অনুসন্ধানী প্রতিবেদক, ইনভেস্টিগেশন টিম অফ ক্রাইম সিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ | তারিখ- ১২-৩-২০২৬। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন—এক সময় যা ছিল উন্নয়নবঞ্চিত ও অবহেলিত। কিন্তু সময়ের আবর্তে সেই চিত্র এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন। এই পরিবর্তনের নেপথ্যে রয়েছেন বালিয়াডাঙ্গার গর্বিত কৃতি সন্তান এবং মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) শাব্বির আহমেদ। তাঁর বলিষ্ঠ উদ্যোগে আজ দৃশ্যমান উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে পুরো ইউনিয়ন।
উন্নয়নের রূপকার শাব্বির আহমেদ’বদলে গেছে অবহেলিত বালিয়াডাঙ্গার দৃশ্যপট সরেজমিনে উন্নয়নের জোয়ারে ভাসছে প্রতিচ্ছবি! বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় এক অভাবনীয় পরিবর্তনের দৃশ্য। গ্রামীণ রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে উন্নত ড্রেনেজ ব্যবস্থা—সবখানেই লেগেছে আধুনিকতার ছোঁয়া। শুধু অবকাঠামো নয়, ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও তিনি রেখেছেন অনন্য স্বাক্ষর। বর্তমানে তাঁর ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় একটি দৃষ্টিনন্দন পাঁচতলা কেন্দ্রীয় মসজিদের নির্মাণ কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে।
মহানন্দার ভাঙন রোধে ব্লক বাঁধ’ হাজারো মানুষের মুখে হাসি ফুটালেন প্রধান উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব শাব্বির আহমেদ। এখন এই বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা ছিল ৬ নম্বর ওয়ার্ডের তাহিরপুর।মহানন্দা নদীর গর্ভে বিলীন হওয়ার শঙ্কায় দিন কাটাতো এক থেকে দেড় হাজার মানুষ। এলাকাবাসীর সেই দীর্ঘদিনের আতঙ্ক দূর করতে শাব্বির আহমেদ প্রায় এক কিলোমিটার এলাকা জুড়ে ব্লক দিয়ে শক্তিশালী বাঁধ নির্মাণ করেছেন। নদীর ধারে এই সুরক্ষা বাঁধ নির্মাণের ফলে শুধু ভাঙনই রোধ হয়নি, বরং নদীপাড়ের মানুষের মুখে ফুটেছে দীর্ঘস্থায়ী হাসি।
কৃতজ্ঞতায় সিক্ত এলাকাবাসী তার এই উন্নয়ন ইতিহাসের পাতায় যুগ যুগ ধরে স্মরণীয় হয়ে থাকবে, এই ইউনিয়নের গর্বিত কৃতি সন্তান,শাব্বির আহমেদের এই জনকল্যাণমুখী কাজে বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ অত্যন্ত আনন্দিত ও কৃতজ্ঞ। স্থানীয় অবসরপ্রাপ্ত প্রফেসর ডক্টর এম এ সালাউদ্দিন বলেন, “বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন দীর্ঘকাল যাবৎ উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত ছিল। শাব্বির আহমেদ অত্যন্ত জনদরদী ও বড় মনের মানুষ। তাঁর এই মানবিক ও উন্নয়নমূলক উদ্যোগে আমরা অভিভূত। সমাজে এমন মানুষ থাকলে দেশ সমৃদ্ধ হতে সময় লাগবে না।
লক্ষ্য যখন সেবামূলক ‘মডেল ইউনিয়ন’বালিডাঙ্গা খুব শীঘ্রই ঘোষিত হবে মডেল ইউনিয়ন, সরেজমিনে দেখা প্রতিবেদককে জানান,নিজের কাজের বিষয়ে জানতে চাইলে শাব্বির আহমেদ অত্যন্ত বিনয়ের সাথে জানান, জনসেবাই তাঁর মূল লক্ষ্য। তিনি বলেন’ আমি কেবল উন্নয়নের চেষ্টা করেছি, কারণ এলাকার মানুষের সেবা করাই আমার প্রধান উদ্দেশ্য। বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের যতটুকু সুযোগ পেয়েছি উন্নয়ন করেছি। ইনশাআল্লাহ, ভবিষ্যতে এই ইউনিয়নকে একটি সমৃদ্ধ ‘মডেল ইউনিয়ন’ হিসেবে গড়ে তুলবো।
উল্লেখ্য ‘উন্নয়নের নতুন মডেলে বালিয়াডাঙ্গা নেপথ্যে কৃতি সন্তান শাব্বির আহমেদ। রাস্তাঘাট থেকে কেন্দ্রীয় মসজিদ’বালিয়াডাঙ্গার দৃশ্যপট পরিবর্তনে কারিগর শাব্বির আহমেদ’ ব্যক্তিগত স্বার্থের উর্ধ্বে উঠে জন্মভূমির প্রতি মমত্ববোধ এবং দায়িত্বশীলতার এক অনন্য উদাহরণ তৈরি করেছেন শাব্বির আহমেদ। বালিয়াডাঙ্গাবাসীর প্রত্যাশা, তাঁর এই উন্নয়নের অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানচিত্রকে আরও উজ্জ্বল করবে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়ন এখন উন্নয়নের রোল মডেল! মহানন্দার ভাঙন রোধে ব্লক বাঁধ থেকে শুরু করে পাঁচতলা কেন্দ্রীয় মসজিদ—সবই সম্ভব হয়েছে বালিয়াডাঙ্গার কৃতি সন্তান শাব্বির আহমেদের হাত ধরে। অবহেলিত জনপদ আজ উন্নয়নের আলোয় উদ্ভাসিত।
চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভাগ্যোন্নয়নে শাব্বির আহমেদ’ নদী ভাঙন রোধ ও স্বপ্নের সেতু বাস্তবায়নের পথে অবহেলিত জনপদের দীর্ঘদিনের আর্তনাদ আর বঞ্চনার অবসান হতে চলেছে। মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার সহকারী একান্ত সচিব এবং বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃতি সন্তান’ শাব্বির আহমেদ-এর ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও নিরলস পরিশ্রমে জেলার মানচিত্র রক্ষায় শুরু হয়েছে এক নতুন অধ্যায়। তাঁর সময়োপযোগী পদক্ষেপ এবং প্রশাসনিক তৎপরতায় বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে কয়েকশ কোটি টাকার মেগা প্রকল্প। পদ্মা নদী ভাঙন রোধে স্থায়ী সমাধান! মেঘা প্রকল্পের বাস্তবায়ন, দীর্ঘদিন ধরে পদ্মা নদীর ভাঙনে আলাতুলি ইউনিয়নসহ বেশ কয়েকটি জনপদ বিলীন হয়ে যাচ্ছিল। ভিটেমাটি হারিয়ে নিঃস্ব মানুষগুলো যখন দিশেহারা, ঠিক তখনই আশার আলো হয়ে দেখা দেন শাব্বির আহমেদ। তিনি এই মানবিক বিপর্যয় অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা ও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে তুলে ধরেন। তাঁর যৌক্তিক উপস্থাপনা ও আবেদনের প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি আমলে নেয় এবং নদী ভাঙন রোধে কয়েকশ কোটি টাকার বাজেট অনুমোদিত হয়। বর্তমানে ব্লক দিয়ে নদী শাসন ও বাঁধ নির্মাণের কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এর মাধ্যমে হাজার হাজার মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই রক্ষা পাবে এবং নদী তীরবর্তী জনপদে ফিরবে স্থায়ী স্থিতিশীলতা।
বালিয়াডাঙ্গা-নয়াগোলা সেতু! জনদুর্ভোগ লাঘব ও স্বপ্নের হাতছানি’ বালিয়াডাঙ্গা ও নয়াগোলা ঘাটে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণ ছিল এই অঞ্চলের মানুষের কয়েক দশকের প্রাণের দাবি। বছরের পর বছর ধরে নৌকায় ঝুঁকিপূর্ণ পারাপার আর বর্ষায় প্রাণহানির আতঙ্কে দিন কাটত এলাকাবাসীর। বিশেষ করে অসুস্থ রোগী ও শিক্ষার্থীদের জন্য এই নদী পারাপার ছিল এক দুঃস্বপ্নের নাম। জনগণের এই দুর্ভোগ লাঘবে শাব্বির আহমেদ ব্যক্তিগত উদ্যোগে প্রকল্প বাস্তবায়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তাঁর বলিষ্ঠ প্রচেষ্টায় সেতুর বাজেট সফলভাবে পাশ হয়েছে এবং খুব শীঘ্রই বালিয়াডাঙ্গা ঘাট পাড়ে দৃশ্যমান হবে স্বপ্নের সেতু। এটি শুধু যাতায়াত ব্যবস্থাই সহজ করবে না, বরং ব্যবসা-বাণিজ্য ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে সূচিত করবে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন। শাব্বির আহমেদ-এর এসব উদ্যোগ কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়ন নয়, বরং এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জের গণমানুষের প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতার প্রতিফলন। তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বে পুরো জেলার চিত্র এক নতুন ও সমৃদ্ধ আঙ্গিনায় পরিবর্তিত হতে যাচ্ছে,।
এসএম রুবেল অনুসন্ধানী প্রতিবেদক, ইনভেস্টিগেশন টিম অফ ক্রাইম সিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ | তারিখ- ১২-৩-২০২৬। মোবাইল নম্বর – ০১৭৫৬৯১১৯৪৬।