1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইপিজেড এলাকায় চসিকের জোরালো উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত…! দক্ষিণ হালিশহর উচ্চ বিদ্যালয় ফুটবল দলের প্রাকটিস জার্সি উন্মোচন ও বুট-মোজা বিতরণ পটিয়ায় হয়রত জামাল উদ্দিন শাহ্ (রা:) বার্ষিক ওরশ সম্পন্ন  চসিকের উদ্যোগে ইপিজেডের‌ বেশ কয়েকটি স্থানে ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান প্রস্তুতি ম্যাচে মাইজ পাড়া মাহামুদুন্নবী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় জিতেছে চট্টগ্রামের নালায় বস্তাবন্দি দেড় হাজারের বেশি বুলেট উদ্ধার ,..!  চট্টগ্রামে আর্দশ শিক্ষক ফোরাম এর নবাগত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচে গোল শূন্য ড্র করেছে দক্ষিণ হালিশহর উচ্চ বিদ্যালয় দল ইপিজেডে চীনা নাগরিকের চুরি যাওয়া ডলার ও মালামাল উদ্ধার করেছে পুলিশ..….! দেওয়ান হাটে গণ সংহতি আন্দোলনের মানববন্ধন কর্মসূচি: ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রশাসনের কার্যকরী পদক্ষেপের দাবি 

পল্লী বিদ্যুতের সাইফুল যেন আলাদিনের চেরাগ: আঙুল ফুলে কলাগাছ, দাপটে জিম্মি এলাকাবাসী! স্বৈরাচারের দোসর থেকে কোটিপতি: সিরাজগঞ্জের লাইন ইন্সপেক্টর সাইফুলের ‘রামরাজত্ব’এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি

এসএম রুবেল' সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার' চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
  • ৪৮ বার পড়া হয়েছে

পল্লী বিদ্যুতের সাইফুল যেন আলাদিনের চেরাগ: আঙুল ফুলে কলাগাছ, দাপটে জিম্মি এলাকাবাসী! স্বৈরাচারের দোসর থেকে কোটিপতি: সিরাজগঞ্জের লাইন ইন্সপেক্টর সাইফুলের ‘রামরাজত্ব’এতিমের সম্পদ আত্মসাৎ 

এসএম রুবেল সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার  চাঁপাইনবাবগঞ্জ : 

ঘুষ বাণিজ্য ও অবৈধ সম্পদের পাহাড়: সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুতের সাইফুলের খুঁটির জোর কোথায়? জিরো থেকে হিরো পল্লী বিদ্যুতের সাইফুল: পাঁচ ভাই মিলে এলাকায় কায়েম করেছেন ত্রাসের রাজত্ব!পল্লী বিদ্যুৎ সিরাজগঞ্জে কর্মরত তৎকালীন স্বৈরাচারের দোসর চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার হরিপুর বোর্ড ঘর এলাকার দুর্নীতি করে হয়েছে কোটিপতি এতিমের অর্থ সম্পদ আত্মসাত কারী পল্লী বিদ্যুৎ অফিসার ইন্সপেক্টর সাইফুল ওরফে প্রভাবশালী (সাইফুল) এর পরিকল্পিত হামলায় জর্জরিত ভুক্তভোগী (শাকিল ও তার পরিবার ন্যায্য বিচারের আশায় পাঁচ বছর যাবত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্বারা ধারে গুরছে এই আঘাতপ্রাপ্ত (শাকিল) পায়নি এখনও নাজ্য বিচার! দিনের পর দিন মানসিক চাপ যন্ত্রণার মধ্যে বসবাস করছেন  একদিকে স্বামী হারা (মা) অন্যদিকে এতিম  অসহায় পরিবারের হাল দরা ভুক্তভোগী শাকিল। পিতার রেখে যাওয়া পৈতৃক জমি নিজের নামে রেকর্ড খারিজ! করে এতিম পরিবারদের তাড়িয়ে দেওয়ার পায়তারায় লিপ্ত অভিযুক্ত ব্যক্তি সাইফুল ও তার ষড়যন্ত্রকারী পাঁচ ভাই! চাচা-চাতো ভাইদের নির্মমতার শিকার মা ও ছেলে! চাঁপাইনবাবগঞ্জে জমি খারিজের নামে প্রতারণা ও জঘন্য হামলা চালিয়ে পরিকল্পনা ছিল প্রাণে মেরে ফেলার গুরুত্ব যখন হয়ে মানসিক চাপে পরিবার নিয়ে দিশেহারা শাকিল ও তার মা স্ত্রী সন্তান। 

পিতার রেখে যাওয়া পৈতৃক জমি নিজের নামে রেকর্ড বা খারিজ (মিউটেশন) করতে গিয়ে আপন চাচা ও চাচাতো ভাইদের ভয়াবহ প্রতারণা ও নৃশংস হামলার শিকার হয়েছেন এক যুবকসহ পুরো ভুক্তভোগী পরিবারগুলো  এবং তার সদ্য অপারেশন হওয়া অসুস্থ মা। ঘটনাটি ঘটেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানাধীন হরিপুর বোর্ডঘর এলাকায়। এই জঘন্য ও বর্বরোচিত ঘটনার প্রতিকার চেয়ে এবং অপরাধীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে ফুঁসে উঠেছে এলাকার সাধারণ মানুষ। ভুক্তভোগী ও এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের আশা-আকাঙ্ক্ষা, অবিলম্বে এই চিহ্নিত অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাদের আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হোক।অনুসন্ধানে জানা যায়, হরিপুর বোর্ডঘর এলাকার মৃত শফিকুল ইসলামের ছেলে মোঃ সাকিল আহম্মেদ (২৩) ও তার বিধবা মায়ের সরলতার সুযোগ নেয় তাদেরই আপন চাচা মোঃ সাইফুল ইসলাম (৪৪) ও মোঃ তোসিকুল ইসলাম (৫৪)। সাকিলের পিতা মৃত্যুর পূর্বেই পৈতৃক সম্পত্তি বণ্টন করে দিয়ে যান। পরবর্তীতে সেই জমি নিজেদের নামে খারিজ করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে আপন চাচা ২নং বিবাদী মোঃ সাইফুল ইসলাম দায়িত্ব নেওয়ার আশ্বাস দেয়। সে সরল বিশ্বাসে গত ০৩/০৯/২০২৩ তারিখে জমি খারিজের খরচ বাবদ নগদ ৪৫,০০০/- টাকা হাতিয়ে নেয়। কিন্তু টাকা নেওয়ার পর থেকেই শুরু হয় চরম টালবাহানা। দিনের পর দিন, মাসের পর মাস আজ করে দেব, কাল করে দেব” বলে সময় ক্ষেপণ করতে থাকে প্রতারক চক্রটি।

ঘটনার চূড়ান্ত রূপ নেয় গত ২৪/১০/২০২৩ তারিখ বিকেলে। সাকিল যখন বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন! তখন তিনি শেষবারের মতো তার চাচা সাইফুল ইসলামের কাছে খারিজের অগ্রগতি জানতে চান। আবারো টালবাহানা শুরু করলে সাকিল তার দেওয়া নগদ টাকা এবং খারিজের জন্য জমা দেওয়া দাদির মৃত্যু সনদটি ফেরত চান। টাকা ও জরুরি কাগজপত্র ফেরত চাওয়ামাত্রই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে সাইফুল ইসলাম এবং সাকিলকে চরম অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকে। সাকিল এই অন্যায্য গালিগালাজের প্রতিবাদ করামাত্রই সাইফুল ইসলামের হুকুমে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওঁৎ পেতে থাকা একদল সন্ত্রাসী ও স্বজনরা সাকিলকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। উপস্থিত প্রত্যক্ষদর্শী ও এজাহার সূত্রে জানা যায়! ১নং আসামির নির্দেশে ২নং আসামি তোসিকুল ও ৩নং আসামি সাগর কাঠের বাটাম দিয়ে সাকিলকে এলোপাতাড়ি পেটাতে শুরু করে। ছেলের ওপর এমন নির্মম নির্যাতন দেখে তাকে বাঁচাতে ছুটে আসেন তার মা মোসাঃ তাসলিমা খাতুন। কিন্তু পৈশাচিকতার এখানেই শেষ ছিল না! ৩নং আসামি সাগর সাকিলের মায়ের সদ্য অপারেশন করা জরায়ুর স্থান লক্ষ্য করে এবং তলপেটে সজোরে লাথি মারে। এতে তার মায়ের অপারেশনের সেলাই ফেটে রক্তাক্ত জখম প্রাপ্ত হন এবং ৪নং আসামি আমির হোসেন তাকে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। মায়ের এই অবস্থা দেখে সাকিল পুনরায় বাধা দিতে গেলে ৫নং ও ৬নং আসামি লোহার রড দিয়ে সাকিলের শরীরের বিভিন্ন স্থানে পিটিয়ে রক্তাক্ত জখম ও হাড়ভাঙা জখম করে। একপর্যায়ে ৭নং ও ৮নং আসামি সাকিলের গলায় রশি বেঁধে শ্বাসরোধ করে সরাসরি হত্যার চেষ্টা চালায়।

মা ও ছেলের আর্তচিৎকারে আশেপাশের লোকজন ও বাজারের ব্যবসায়ীরা ছুটে আসলে অপরাধীরা রশি ছেড়ে দেয় এবং যাওয়ার সময় সমস্বরে হুমকি দিয়ে বলে! এবারের মতো প্রাণে বেঁচে গেলি! পরবর্তীতে তোদের জীবনের মতো শেষ করে দেব। রক্তাক্ত ও মারাত্মক জখম অবস্থায় স্থানীয় লোকজন ও সাক্ষী মোসাঃ জেসমিন খাতুন! কুরবান আলী ও মনজিলা আক্তার দ্রুত তাদের উদ্ধার করে তাদের সাথে সাথে! চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করান। সেখানে দীর্ঘ চিকিৎসার পর কিছুটা সুস্থ হয়ে সাকিল আহম্মেদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় এবং পরবর্তীতে বিজ্ঞ আদালতে আসামিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট এজাহার ও অভিযোগ মামলা দায়ের করেন। এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয় সাধারণ জনগণের ন্যায্য দাবি! ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এবং অসহায় এতিম ও বিধবার টাকা আত্মসাৎ করে যারা এভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা চালিয়েছে! তারা সমাজের সাধারণ মানুষের জন্যও বিপজ্জনক এতিম ভুক্তভোগী পরিবারটি বর্তমানে চরম দরিদ্রতা ও নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। অবিলম্বে সদর মডেল থানা পুলিশ এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে এই চিহ্নিত ৮ জন আসামির বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নিয়ে তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার জোরালো দাবি জানাচ্ছে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সচেতন মহলসহ স্থানীয় এলাকাবাসী। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জে এতিম পরিবারের জমি আত্মসাৎ ও অফিসার সাইফুলের পরিকল্পিত হামলায় বিচারহীনতায় ৫ বছর কাটালো ভুক্তভোগী শাকিলসহ তার বিচারের অপেক্ষায় তারা! বিগত স্বৈরাচারী সরকারের প্রভাবশালী দোসর ও পল্লী বিদ্যুতের তৎকালীন ইন্সপেক্টর সাইফুলের নির্মম নির্যাতন ও দুর্নীতির লোমহর্ষক চিত্র সামনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে! সিরাজগঞ্জে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে কর্মরত থাকা অবস্থায় সাইফুল অবৈধ উপায়ে কোটি কোটি টাকা উপার্জন করে বিত্তশালী হয়ে ওঠেন। এই বিপুল অর্থ ও ক্ষমতার দাপটে তিনি ও তার পাঁচ ভাই মিলে নিজের আপন চাচাতো ভাইদের (এতিম পরিবার) পৈতৃক সম্পত্তি অন্যায়ভাবে নিজের নামে রেকর্ড ও খারিজ করে নেন। এরপর সেই জমি থেকে এতিম পরিবারটিকে চিরতরে তাড়িয়ে দেওয়ার হীন চক্রান্তে লিপ্ত হন। জমি দখলের এই ধারাবাহিকতায় সাইফুল ও তার ভাইদের পরিকল্পিত ও জঘন্য হামলার শিকার হন মা ও তার সন্তান। জানা গেছে, ঘটনার দিন শাকিল ও তার মাকে নির্মমভাবে পিটিয়ে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করা হয়। এই পৈশাচিক হামলার পর বিগত ৫ বছর ধরে ভুক্তভোগী শাকিল ও তার পরিবার ন্যায্য বিচারের আশায় সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কর্তৃপক্ষের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন! কিন্তু প্রভাবশালীদের দাপটে আজও কোনো প্রতিকার পাননি। বর্তমানে এই শারীরিক আঘাত ও চরম মানসিক ট্রমা নিয়ে পরিবার! স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে সম্পূর্ণ দিশেহারা ও নিরাপত্তাহীনতায় দিন কাটাচ্ছেন ভুক্তভোগী শাকিল।

সিরাজগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিতে কর্মরত থাকাকালীন সময়ে বিগত স্বৈরাচারী সরকারের ক্ষমতার অপব্যবহার এবং ব্যাপক দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনকারী অফিসার (ইন্সপেক্টর) সাইফুল ইসলামের (ওরফে প্রভাবশালী সাইফুল, হরিপুর বোর্ড সদর, এলাকার এই শীর্ষ তৎকালীন দোসর! পরিকল্পিত নির্যাতন ও জালিয়াতির শিকার একটি অসহায় পরিবার। অভিযুক্ত সাইফুল ও তার সহযোগী পাঁচ ভাই মিলে অত্যন্ত সুকৌশলে ও জালিয়াতির মাধ্যমে তাদের আপন চাচার রেখে যাওয়া পৈতৃক সম্পত্তি নিজেদের নামে রেকর্ড ও খারিজ করে নেন। সিরাজগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির লাইন ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধে চাকরিকালীন সময়ে ক্ষমতার অপব্যবহার, নজিরবিহীন ঘুষ বাণিজ্য এবং জ্ঞাত আয়বহির্ভূত কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয় ভুক্তভোগীদের দাবি, তৎকালীন স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের প্রভাবশালী দোসর হিসেবে রাতারাতি ‘জিরো থেকে হিরো’ বনে গেছেন এই কর্মকর্তা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এলাকাবাসী জানান, সাইফুল ইসলাম ও তার পাঁচ ভাই এলাকায় এক বিশাল ‘রামরাজত্ব’ কায়েম করেছেন; যার ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পায় না এবং সামান্য প্রতিবাদ করলেই জোটে হামলা ও হয়রানিমূলক ষড়যন্ত্রের মামলা। নামে-বেনামে অঢেল জায়গা-জমি, স্ত্রীর নামে অট্টালিকা ও বিপুল ব্যাংক ব্যালেন্সের পাহাড় গড়ে তোলা এই কর্মকর্তা সন্তানদের পড়ান নামী প্রাইভেট ক্লিনিকে (মেডিকেল কলেজে)। এই বিষয়ে জানতে লাইন ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলামের মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে সংবাদকর্মীদের সাথে চরম দুর্ব্যবহার করেন এবং বলেন, “এ বিষয়ে আমি কোনো বক্তব্য দেব না, আপনাদের যা ইচ্ছা লেখেন ও করেন, আমার কোনো যায় আসে না।” উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অবিলম্বে এই প্রভাবশালী ও দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার চাকরিচ্যুতিসহ তার সব অবৈধ সম্পদ সরকারি কোষাগারে বাজেয়াপ্ত করার দাবি জানিয়েছেন। একই সাথে, সাইফুল ইসলাম ও তার সহযোগী পাঁচ ভাইয়ের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) কর্তৃক সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনার জোর দাবি উঠেছে।

সম্পত্তি আত্মসাতের প্রতিবাদ করায় এবং এতিম পরিবারটিকে ভিটামাটি চ্যুত করার উদ্দেশ্যে সাইফুল ও তার ভাইয়েরা মিলে শাকিল ও তার মায়ের ওপর একটি সুপরিকল্পিত ও প্রাণঘাতী হামলা চালায়। উক্ত হামলায় গুরুতর জখম হয়ে এবং বিগত ৫ বছর ধরে প্রভাবশালীদের কারণে কোনো আইনি প্রতিকার না পেয়ে ভুক্তভোগী শাকিল, তার বৃদ্ধা মা, স্ত্রী ও সন্তান চরম মানসিক ও আর্থিক সংকটের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছেন। প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে বারবার ধরনা দিয়েও এই আঘাতপ্রাপ্ত পরিবারটি গত পাঁচ বছর যাবৎ ন্যায্য বিচার থেকে বঞ্চিত রয়েছে। অবসরপ্রাপ্ত একজন সেনা সদস্যের মন্তব্য করে বলেন! একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রে পল্লী বিদ্যুতের একজন পরিদর্শকের (ইন্সপেক্টর) মতো সাধারণ পদের সরকারি কর্মচারী হয়ে সাইফুল ও তার ভাইদের এমন লাগামহীন দুর্নীতি, জালিয়াতি এবং ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করার ঘটনা অত্যন্ত ধিক্কারজনক ও আইনশৃঙ্খলার চরম অবমাননা। আমরা যারা জীবনের সোনালী সময় দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং শৃঙ্খলার মধ্যে বিলিয়ে দিয়েছি, আমাদের কাছে একজন এতিম ও অসহায় শাকিল এবং তার পরিবারের ওপর এই নির্মম নির্যাতন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। পৈতৃক জমি জালিয়াতি করে রেকর্ড খারিজ করা, এতিমদের তাড়িয়ে দেওয়ার পাঁয়তারা এবং সপরিবারে প্রাণে মেরে ফেলার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিত জঘন্য হামলা চালানো সম্পূর্ণ কাপুরুষোচিত অপরাধ। একজন সরকারি চাকুরিজীবী হয়ে ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলা এই ‘সাইফুলদের’ খুঁটির জোর কোথায়, তা আজ খতিয়ে দেখা জরুরি। বিগত স্বৈরাচারী শক্তির দোসর সেজে যারা জিরো থেকে কোটিপতি বনে গেছে এবং পাঁচ বছর ধরে একটি অসহায় পরিবারকে বিচারের দাবিতে দ্বারে দ্বারে ঘোরাচ্ছে, তাদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক। অনতিবিলম্বে সেনাবাহিনীর মূলমন্ত্র—অসহায়ের পাশে দাঁড়ানো এবং শৃঙ্খলা বজায় রাখার চেতনা থেকে প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, শাকিল ও তার বিধবা মায়ের ওপর হওয়া এই অবিচারের সুষ্ঠু তদন্ত করা হোক এবং তাদের ন্যায্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক। পর্ব-২ 

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট