রাজশাহী দুর্গাপুর উপজেলায় অবস্থিত “আমার বাড়ি আমার খামার/পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক”এটি রাষ্ট্র মালিকানাধীন বিশেষায়িত ব্যাংক। সমিতির নাম ব্যবহার করে একটি মহল অফিস থেকে বিভিন্ন কাগজপত্র তৈরি করে খাস পুকুর লিজ ইজারায় আবেদন করেন। বিষয়টি বিভিন্ন অফিসে আলোচনা হলে,তারা বলেন নিবন্ধন সনদ ছাড়া পুকুরের জন্য আবেদন অবৈধ হবে। উপজেলার সকল গ্ৰামে একটি করে সংগঠন/সমিতি তৈরি করা হয়েছিল, সদস্য ভর্তি করা, সঞ্চয় আদায় ও ঋন বিতরণ করার জন্য। ৪০জনকরে সদস্য নিয়ে সমিতি গঠন করা হয়েছিল। বর্তমানে বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করে দেখা যায়,অন্যান্য এনজিওর মতো কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকেন। কমিটির বিষয়ে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকে অফিসে আলাপ হলে তাঁরা বলেন, বর্তমানে সবাই সদস্য পদে আছেন, সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, ম্যানেজার এগুলো কোন পদ নেই সবাই সদস্য। ভূয়া রেজুলেশন তৈরি করে বিভিন্ন পদবী ব্যবহার করে,সমিতির নাম উল্লেখ করে, মিথ্যা অঙ্গীকার নামা দিয়ে আবেদন করে পুকুর লিজ গ্ৰহন করেন। এই কুচক্রী মহল পুকুর লিজ নিয়ে নিজেই জবর দখল করে খাচ্ছে, দখল কারীকে উচ্ছেদ করতে প্রশাসনের কাছে দাবি। সদস্যেরা এ বিষয়ে কিছুই জানেনা। এদের সমবায় অধিদপ্তর থেকে কোন নিবন্ধন সনদ নেই।
গ্ৰাম: রঘুনাথপুর (শেখপাড়া), পোস্ট:গোলাবাড়ী উপজেলা: দুর্গাপুর জেলা: রাজশাহী। মৌজা: রঘুনাথপুর, জে এল নং ৮৫, দাগ নং:১৭০৮,
পরিমাণ: ৭৫শতক, রকম:পুকুর, খতিয়ান নং১, সরকারি খাস পুকুর লিজ ইজারায় ব্যাপক অনিয়ম।সভাপতির স্বাক্ষর জাল,সদস্যগনের স্বাক্ষর জাল, রেজুলেশনে ১৯ জন সদস্যের মধ্যে ১৭জন সদস্যর স্বাক্ষর ভুয়া জাল। রঘুনাথপুর গ্রামের, আমার বাড়ি আমার খামার পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক সমিতি নাম ব্যবহার করে টাকার বিনিময়ে প্রত্যয়নপত্র, এবং অন্যান্য কাগজপত্র তৈরি করে বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি করে পুকুর লিজ গ্ৰহন করেছে। আমরা নিরুপায় হয়ে এই পুকুর লিজ বাতিলের দাবি জানাচ্ছি। কোন গ্ৰামেই তাদের সদস্যদের নিয়ে গঠিত সমিতি সমবায় অধিদপ্তর থেকে নিবন্ধন সনদ নেই। শুধু মাত্র উপজেলা পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের তথ্য দিয়ে তাদের মাধ্যমে পুকুর লিজ নেওয়াটা অবৈধ। পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক দিয়ে পুকুর লিজ বন্ধ রাখতে “দৈনিক সময় বাংলাদেশ”পত্রিকায় গত ০১/০২/২০২৬ ইং তারিখে সংবাদ প্রকাশিত হয়। তার পরও বিষয়টি জলমহল কমিটি, কাগজপত্র যাচাই বাছাই তদন্ত না করেই ভুল বসতো সরকারি নিয়ম ভঙ্গ করে লিজ দেয়া হয়। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী অফিসে দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা তাদের সঙ্গে আলাপ করেও কোন সমাধান হয়নি। অদ্য ০২/০৬/২০২৬ ই তারিখে উপজেলা নির্বাহী অফিসার, দুর্গাপুর রাজশাহী বরাবর লিজ বাতিলের লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন এখন পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা গ্ৰহন করেন নাই।
ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী শুধুমাত্র নিবন্ধন সনদ প্রাপ্ত বৈধ মৎস্য জীবী সমবায় সমিতি, এবং নিবন্ধন প্রাপ্ত যুব কল্যাণ সংস্থা, সমিতি,সংগঠন ইত্যাদি আবেদন করতে পারবেন। কিন্তু “আমার বাড়ি আমার খামার”পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক সমিতির নাম ব্যবহার করে, সাধারণ সম্পাদক পদ নেই তবুও সেই পদ ভূয়া তৈরি করে মোঃ জফির উদ্দিন, সদ গত ২৬/১/২০২৬ ইং তারিখে একদিনের মধ্যে রেজুলেশন তৈরি করে ১৯জন সদস্যর নাম এর মধ্যে ১৭জন সদস্যর নাম স্বাক্ষর নকল জাল। পুকুর লিজ পাওয়ার পর সে একাই ভোগ দখল করতেছে। সদস্যদের ফাঁকি দিয়ে জবরদখল করে খাচ্ছে, বিষয়টি সরোজমিনে তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কামনা করা হচ্ছে। অফিসের রেজুলেশন খাতায় সদস্যদের বৈধ তালিকা হালনাগাদ নেই ত্রুটিপূর্ণ। মোঃ জফির উদ্দিন নিজে একটি খাতা কিনে ব্যক্তিগত রেজুলেশন তৈরি করেন। তার ইচ্ছে মতো সদস্যদের নাম লিখে জাল স্বাক্ষর করেন। তথ্য গোপন করে,দুর্নীতি করে একাই মাছ চাষ করতেছে এবং আত্মসাৎ করতেছে। উল্লেখ্য বিভিন্ন গ্ৰামের মৎস্য জীবী সমবায় সমিতি,কৃষক সমবায় সমিতি তাদেরও ভুয়া কাগজপত্র স্বাক্ষর জাল করে পুকুর লিজ গ্ৰহন করেছেন। এবং গোপনে সাব লিজ প্রদান করেছেন। সমিতির নামে মাত্র পুকুর লিজ, নিজেরা পুকুরে মাছ চাষ করেনা। এদের উন্নয়ন হবে না, এই নিয়ম বাতিল করতে প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করছি। সরোজমিনে তদন্ত পূর্বক জরুরি ভাবে পুকুরের লিজ বাতিল সহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে প্রশাসনের কাছে আমাদের দাবি।