1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বেপজা পাবলিক স্কুল ও প্রেসিডেন্সি স্কুলের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ ড্র হয়েছে। চট্টগ্রাম নগরীর ২০ ও ৩২ নং ওয়ার্ডে বি এন পির নাম ব্যাবহার করে চাঁদাবাজি ও মাদক ব্যবসার অভিযোগ উটেছে স্তানীয় কিছু অসাধু,পাতি নেতার বিরুদ্ধে ‎ অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করায় ক্রাইম রিপোর্টার এস এম রুবেলকে হত্যার হুমকি ভুক্তভোগীসহ সাংবাদিক সমাজের মানববন্ধন লাগাতার ধর্মীয় মূল্যবোধ ও শিশু সুরক্ষা: চাই প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার ও ন্যায়বিচার *এম নজরুল ইসলাম খান* দঃ হালিশহর ফুটবল একাডেমির কার্যক্রমে বাফুফের সন্তুষ্টি প্রকাশ… চট্টগ্রামের বোয়ালখালীতে ১ম ইন্টারন্যাশনাল চেস টুর্নামেন্ট -২০২৬ সম্পন্ন হয়েছে চাঁপাইনবাবগঞ্জে থমথমে পরিস্থিতি: মামলা তুলে নেওয়ার দফায় দফায় হামলা ও প্রাণনাশের হুমকি, লুটপাট বাড়ি ভাঙচুর চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুক্তভোগী পরিবার!  প্রফেসর শায়েস্তা খানের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত” অজস্র শ্রদ্ধায় বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক ও শিক্ষাবিদ স্মরণ করলো আমরা ব্রাজিল-আর্জেন্টিনার পতাকা আর দেখতে চাই না, এবার বাংলাদেশের পতাকা উড়াতে চাই চাই- মেয়র ডাঃ শাহাদাত  চট্টগ্রামে আরো ৩ একাডেমি পেলো বাফুফের ওয়ান স্টার লাইসেন্স

৫৪ বছরের বঞ্চনা: ১৩ শহীদের স্মৃতিবিজড়িত ‘ফেলা গাজী বাড়ী’ কেন আজও অবহেলিত?

সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধি ঃ 
  • প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে

সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি ঃ

​
স্বাধীনতার ৫৪ বছর পার হতে চলেছে, অথচ যে বাড়িটি হওয়ার কথা ছিল আমাদের জাতীয় অহংকার, সেই বাড়িটির ভাগ্যে জুটেছে কেবল অবহেলা আর বঞ্চনা। আমরা বলছি চট্টগ্রাম  সিটি কর্পোরেশনের ৩৮ নং ওয়ার্ডের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিবিজড়িত ‘ফেলা গাজী বাড়ীর’ কথা। যে বাড়ি থেকে ১৩ জন বীর সন্তান দেশের তরে প্রাণ দিয়েছেন, সেই বাড়ির লোকজনকে বর্ষা মৌসুমে চলতে হয় হাঁটু সমান পচা পানি মাড়িয়ে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, গত পাঁচ দশকে অনেক জনপ্রতিনিধি এসেছেন এবং গিয়েছেন, কিন্তু এই রাস্তার দিকে কেউ ফিরেও তাকাননি। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এবং বাড়িওয়ালাদের তীব্র উদ্বেগের মুখে বর্তমানে ড্রেন ও রাস্তার কাজ শুরু করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। কিন্তু বাসিন্দারা বলছেন, এই কাজ হতে পারতো অনেক আগেই। সংবাদ মাধ্যমকে তারা বিষণ্ণতার সাথে জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের এই বসতভিটা কেন জনমনে প্রশ্ন জাগানোর মতো অবহেলিত হয়ে আছে, তার উত্তর কারোর কাছে নেই।

 

এই বাড়িরই একজন বাসিন্দা আক্ষেপ করে বলেন, “আমরা জীবনে ভাবিনি যে এত অবহেলার পাত্র হবো।” বর্তমানে ৩৮ নং ওয়ার্ডে নির্বাচনী ডামাডোল চলছে। সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীরা নিজ উদ্যোগে বিভিন্ন জায়গায় ছোটখাটো উন্নয়নমূলক কাজ করলেও, এই মুক্তিযোদ্ধা বাড়ির রাস্তাটি যেন কারো নজরেই আসছে না। বাসিন্দাদের সোজাসাপ্টা প্রশ্ন—”এই বাড়ির কি অপরাধ? আমরা কি এই ওয়ার্ডের বাইরের মানুষ?”

 

অবহেলা নয়, এই বীর পরিবারের সদস্যরা চান যথাযথ সম্মান ও আধুনিক নাগরিক সুবিধা। এলাকাবাসীর দাবি, বর্তমান ড্রেন ও রাস্তার কাজ যেন দায়সারাভাবে না করে টেকসইভাবে সম্পন্ন করা হয়। ১৩ জন শহীদের রক্তের ঋণে যে স্বাধীনতা, সেই স্বাধীনতার সুফল যেন এই অবহেলিত জনপদে পৌঁছে—এমনটাই এখন সময়ের দাবি।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট