
রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে দীর্ঘ ২২ বছর পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
জাহিদুল ইসলাম সানি বিশেষ প্রতিনিধি রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে দীর্ঘ ২২ বছর পর বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। আগামী ২৯ জানুয়ারির এই সফরকে সামনে রেখে জেলা বিএনপির প্রস্তুতি এখন তুঙ্গে।মাঠ পরিদর্শন ও প্রস্তুতি সফরটি সফল করতে সম্প্রতি রাজশাহী জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ মাদ্রাসা মাঠ পরিদর্শন করেন। তারা মাঠের সার্বিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেন এবং সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা করেন। নেতাকর্মীদের মতে, দীর্ঘ সময় পর চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সশরীরে এই উপস্থিতি তৃণমূলের কর্মীদের মাঝে নতুন প্রাণের সঞ্চার করেছে।সমাবেশের প্রস্তুতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মতামত তুলে ধরেন স্থানীয় নেতৃবৃন্দ:মো: গোলাম মোস্তাফা মামুন (সাবেক সাংগঠনিক ও দপ্তর সম্পাদক এবং জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য):তিনি উল্লেখ করেন যে, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তারেক রহমানের আগমনে রাজশাহীর প্রতিটি ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিএনপির শক্তি বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। তিনি এই সমাবেশকে সফল করতে সকল ভেদাভেদ ভুলে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।মো: রুকুনুজ্জামান আলম (সভাপতি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিকদল এবং জেলা আহ্বায়ক কমিটির সদস্য):
তিনি শ্রমিক শ্রেণির অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্ব এখন সময়ের দাবি। রাজশাহীর সমাবেশ হবে জনসমুদ্র, যা আগামী দিনের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে।তৃণমূলকে চাঙ্গা করা: দীর্ঘ সময় পর শীর্ষ নেতার আগমন কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করবে।নির্বাচনী শক্তি প্রদর্শন: জাতীয় নির্বাচনের আগে বড় জমায়েতের মাধ্যমে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান জানান দেওয়া। আঞ্চলিক সমন্বয়: উত্তরবঙ্গের রাজনীতিতে রাজশাহী একটি কেন্দ্রবিন্দু, তাই এখান থেকে বড় কোনো বার্তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে দলের।