1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ০২:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
হ্নীলায় ঘটনাকে কেন্দ্র করে অপপ্রচারের অভিযোগ ইউপি সদস্যের গোদাগাড়ীতে প্রিপেইড মিটার বাতিলের দাবিতে কাফনের কাপড় পরে মানববন্ধন রূপসায় স্বামীর আঘাতে স্ত্রীর মৃত্যু, পুত্র বাদী. বাংলাদেশ সাংবাদিক ক্লাব’র ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত ডিজেল সংকট রূপ নিচ্ছে সহিংসতায়! পাম্পে চাষি-শ্রমিক হাতাহাতিতে উত্তাল আম রাজধানী  সমতল আদিবাসীদের পাঁচ দফা দাবিতে রাজশাহী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন পূর্বাচলে ভয়াবহ জালিয়াতি: জবাই করা ৯টি ও ১১টি জ্যান্ত ঘোড়া জব্দ উপজেলা প্রেসক্লাব দিঘলিয়া খুলনার উদ্যোগে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন গোমস্তাপুর উপজেলার বড় দাদপুরে পেট্রোল পাম্পে অর্থদণ্ড, মালিকদের কড়া সতর্ক নির্বাহী প্রশাসকের টেকনাফ উপজেলা প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা জসিম উদ্দিন টিপু, সিনিয়র সহ-সভাপতি শামসুল আলম শারেক মনোনীত

পৈশাচিকতার চরম সীমা’ সেপটিক ট্যাংকে মিলল ৪ বছরের তাবাসসুমের বস্তাবন্দি মরদেহ

এসএম রুবেল' সিনিয়র ক্রাইম রিপোর্টার' চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
  • ৬৫ বার পড়া হয়েছে

পৈশাচিকতার চরম সীমা’ সেপটিক ট্যাংকে মিলল ৪ বছরের তাবাসসুমের বস্তাবন্দি মরদেহ

এসএম রুবেল অনুসন্ধানী প্রতিবেদক |ঝিনাইদহ, কালীগঞ্জ একটি নতুন জামা আর একরাশ শৈশব—এই নিয়েই বাড়ি থেকে খেলতে বেরিয়েছিল ৪ বছরের শিশু তাবাসসুম। কে জানত, সেই নতুন জামাই হবে তার শেষ বিদায়ের পোশাক? ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে ঘটে যাওয়া এই অমানবিক হত্যাকাণ্ড স্তব্ধ করে দিয়েছে পুরো জনপদকে। নিখোঁজের একদিন পর স্থানীয় একটি স্কুলের পেছনের সেপটিক ট্যাংক থেকে উদ্ধার করা হয়েছে শিশুটির রক্তাক্ত ও নিথর দেহ।

খেলাধুলা থেকে চিরবিদায়! পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন বড় বোনকে বলে নতুন জামা গায়ে দিয়ে অত্যন্ত আনন্দের সাথে খেলতে বেরিয়েছিল তাবাসসুম। দুপুরে রোদের মধ্যে বাইরে যেতে নিষেধ করা হলেও চঞ্চল শিশুমন মানেনি সেই বারণ। কিন্তু ঘণ্টা পেরিয়ে দুপুর গড়িয়ে বিকেল হলেও তাবাসসুম আর ঘরে ফেরেনি। শুরু হয় স্বজনদের আহাজারি আর উৎকণ্ঠা। পুরো এলাকা চষে ফেলেও মেলেনি কোনো হদিস।

অবশেষে টানা একদিন পর মিলেছে সেই বুক ফাটানো খবর। স্কুলের পেছনের পরিত্যক্ত এক সেপটিক ট্যাংকে একটি মুখবন্ধ বস্তা দেখতে পায় স্থানীয়রা। বস্তাটি খুলতেই বেরিয়ে আসে তাবাসসুমের নিথর দেহ—যা ছিল রক্তাক্ত এবং পাশবিক নির্যাতনের ক্ষতচিহ্নে ভরা। শত্রুহীন পরিবারে কেন এই আঘাত? নিহত তাবাসসুমের বড় বোনের আর্তনাদ আকাশ-বাতাস ভারী করে তুলছে। তিনি জানান, তাদের পরিবারের সাথে কারো কোনো প্রকাশ্য শত্রুতা ছিল না। ৪ বছরের এক নিষ্পাপ শিশু কার কী ক্ষতি করতে পারে? কেন তাকে এমন ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হতে হলো? এই প্রশ্ন এখন প্রতিটি বিবেকবান মানুষের হৃদয়ে বারবার ধাক্কা দিচ্ছে।

দেশজুড়ে উদ্বেগের কালো মেঘ’ ধর্ষণ আর মৃত্যুপুরীতে দেশজুড়ে এখন কালো মেয়েদের ছোঁয়া “এই হত্যাকাণ্ডটি বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়; বরং দেশজুড়ে ক্রমবর্ধমান শিশু নির্যাতন ও হত্যার এক বীভৎস প্রতিফলন। প্রতিনিয়ত পত্রিকার পাতা খুললেই দেখা যাচ্ছে শিশুদের প্রতি পাশবিক আচরণের খবর। প্রশ্ন উঠছে!আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কি নিজের আঙিনাতেও নিরাপদ নয়? কেন বারবার সেপটিক ট্যাংক বা নির্জন স্থানে মিলছে শিশুদের বস্তাবন্দি লাশ? অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি কি তবে নিশ্চিত হচ্ছে না?

দাবিটি নিয়ে কার কাছে যাবে ভুক্তভোগীরা? এলাকাবাসী এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করার আশ্বাস দেওয়া হলেও, শোকাতুর বাবা-মায়ের শূন্য কোল আর কখনোই পূর্ণ হবে না। নিরাপদ পৃথিবীর স্বপ্ন নিয়ে বড় হতে চাওয়া এক শিশুর অকাল প্রয়াণ আবারও চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিল আমাদের সামাজিক নিরাপত্তার কঙ্কালসার অবস্থা। ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ও নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি,আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় প্রশাসন বদ্ধপরিকর।

কেন বারবার আমাদের শিশুদের খেলার মাঠ থেকে লাশ হয়ে ফিরতে হচ্ছে? আমরা আর কোনো ‘তাবাসসুম’কে এভাবে হারাতে চাই না। আমরা চাই এই পৈশাচিক হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত নরপশুদের দ্রুততম সময়ে গ্রেফতার এবং দৃষ্টান্তমূলক সর্বোচ্চ শাস্তি (ফাঁসি)। বিচারহীনতার সংস্কৃতিই আজ আমাদের শিশুদের জীবনকে বিপন্ন করে তুলেছে।আপনার প্রিয় সন্তানকে সুরক্ষিত রাখতে কিছু বিষয় খেয়াল রাখুন” একা ছাড়বেন না ছোট শিশুদের কখনোই জনমানবহীন স্থানে বা অপরিচিত পরিবেশে একা খেলতে দেবেন না।

স্কুল ও আশপাশ স্কুলের পেছনের পরিত্যক্ত জায়গা বা ঝোপঝাড়ের বিষয়ে শিশুদের আগে থেকেই সাবধান করুন। জরুরি যোগাযোগ সন্তান নিখোঁজ হওয়ার সাথে সাথে দেরি না করে স্থানীয় প্রশাসন বা ৯৯৯-এ কল দিন।সামাজিক প্রতিরোধ আপনার এলাকায় কোনো সন্দেহভাজন ব্যক্তি বা নির্জন স্থানে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দেখলে সাথে সাথে প্রতিবাদ করুন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট