
ষড়যন্ত্রকারীদের রুখে দিতে ‘লাল কার্ড’ হুঁশিয়ারি: চাঁপাইনবাবগঞ্জে জামায়াত আমিরের গর্জন!
অনুসন্ধানী প্রতিবেদক এসএম রুবেল |৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জ: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গন এখন উত্তপ্ত। ঠিক এই সময়ে উত্তরের সীমান্ত জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জে দাঁড়িয়ে হুঙ্কার দিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। বুধবার দুপুরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় তিনি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন—যারা স্বাধীনতার পর থেকে জাতির সঙ্গে বেঈমানী ও বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, আসন্ন নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে তাদের ‘লাল কার্ড’ দেখাতে হবে।
গুজব ও নগ্ন হস্তক্ষেপের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি! জনসভায় ডা. শফিকুর রহমান বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং বহিঃশক্তির প্রভাব নিয়ে অত্যন্ত কঠোর ভাষায় কথা বলেন। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের নাম উল্লেখ না করে ইঙ্গিতপূর্ণভাবে তিনি বলেন “জীবন দিয়ে হলেও বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কারো নগ্ন হস্তক্ষেপ বরদাস্ত করা হবে না। আমরা জাতিকে নিয়ে আর পেছনে ফিরতে চাই না, আমাদের লক্ষ্য এখন সামনের দিকে।”নির্বাচনকে ঘিরে কোনো প্রকার শঙ্কা নেই উল্লেখ করে তিনি সাধারণ ভোটারদের গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানান এবং নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দিয়ে দেশের ভাগ্য পরিবর্তনের ডাক দেন।উন্নয়ন ও অর্থনীতির মহাপরিকল্পনা ক্রাইম রিপোর্ট বা রাজনৈতিক বিশ্লেষণে সাধারণত মাঠপর্যায়ের দাবির প্রতিফলন থাকে। জামায়াত আমির এদিন কেবল রাজনৈতিক বক্তব্যেই সীমাবদ্ধ থাকেননি, চাঁপাইনবাবগঞ্জের অবহেলিত অর্থনীতির চাকা সচল করতে একগুচ্ছ প্রতিশ্রুতি দেন। আম কেন্দ্রিক ইপিজেড! জেলাটির প্রধান অর্থকরী ফসল আমকে কেন্দ্র করে একটি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল (EPZ) গড়ার অঙ্গীকার।
স্থলবন্দর সচল! ভারত ও নেপালের সাথে ব্যবসা-বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে স্থানীয় বন্দরগুলোর আধুনিকায়ন। শিক্ষা ও সুরক্ষা’ শিশুদের জন্য একটি নিরাপদ ও মানসম্মত শিক্ষা ব্যবস্থার রূপরেখা। নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি ও নির্বাচনী উত্তাপ! জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা আবুজার গিফারীর সভাপতিত্বে এই জনসভাটি কার্যত একটি শক্তি প্রদর্শনীতে পরিণত হয়। মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন হেভিওয়েট প্রার্থীরা। নূরুল ইসলাম বুলবুল” জামায়াত মনোনীত প্রার্থী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর আসন।ড. কেরামত আলী” জামায়াত মনোনীত প্রার্থী, শিবগঞ্জ আসন। ড. মিজানুর রহমান” জামায়াত মনোনীত প্রার্থী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২ আসন। এ ছাড়াও সাবেক সাংসদ লতিফুর রহমানসহ স্থানীয় শীর্ষ নেতৃবৃন্দ আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যেকোনো ধরনের কারচুপি বা অপতৎপরতা রুখে দিতে তৃণমূল কর্মীদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন। বিশ্লেষকদের মতে, জামায়াত আমিরের এই ‘লাল কার্ড’ স্লোগান নির্বাচনী মাঠের সমীকরণ বদলে দিতে পারে। এখন দেখার বিষয়, ব্যালট যুদ্ধে এই হুঁশিয়ারি কতটা প্রভাব ফেলে।
বেইমানদের জন্য প্রস্তুত ‘লাল কার্ড’! চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিশাল জনসমুদ্র থেকে হুঙ্কার দিলেন জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। স্বাধীনতার পর যারা জাতির সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে, আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ব্যালটের মাধ্যমে তাদের চূড়ান্ত বিদায় জানানোর ডাক দিয়েছেন তিনি। লাল কার্ড হুঁশিয়ারি! জাতির সাথে বেঈমানীকারীদের আর ছাড় নয়। সার্বভৌমত্ব রক্ষা! জীবন দিয়ে হলেও বহিঃশক্তির নগ্ন হস্তক্ষেপ রুখে দেওয়ার শপথ। উন্নয়ন পরিকল্পনা! চাঁপাইনবাবগঞ্জে আম ভিত্তিক EPZ ও সীমান্ত বাণিজ্যের নতুন দিগন্ত।নিশ্চিন্তে ভোট! গুজব উপেক্ষা করে দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান।”আমরা আর পেছনে ফিরতে চাই না, গড়তে চাই এক বৈষম্যহীন নতুন বাংলাদেশ।”বেঈমানদের জন্য নির্বাচনে লাল কার্ড প্রস্তুত!প্রতীক! ডানদিকের নিচের কোণায় জামায়াতে ইসলামীর নির্বাচনী প্রতীক ‘দাঁড়িপাল্লা’ উজ্জ্বলভাবে দৃশ্যমান থাকবে।