
সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার চট্টগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
আওয়ামী ফ্যাসিস্ট ও ফেরাউন – কুলাঙ্গার নাস্তিকরা দীর্ঘদিন যাবত সাংবাদিক ও ক্রীড়া সংগঠক মুহাম্মদ বাবুল হোসেন বাবলা কে বিএনপি – জামায়াতের নিউজ ও খবর প্রকাশ -সার্বিক সহযোগিতা করার কারণে হিংসাত্মক ,ভূয়া – মিথ্যাচার ভাবে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী কর্মী বা নেতা বানাতে চেয়েছেন কিংবা চাচ্ছেন ।
তাদের বলি যারা বাবলা কে ও তার পরিবারের উপর মিথ্যা – অন্যায় অপবাদ দিয়ে যে আর্থিক মানসিক – শারীরিক ক্ষতিসাধন/ ক্ষতিগ্রস্ত করেছেন তার হিসাব মহান আল্লাহর দরবারে নালিশ দিলাম এবং অন্যায়- জুলুম নীতির জন্য আওয়ামী ফ্যাসিস্টের বিদায় আরো সুদীর্ঘতর হয়েছে নিশ্চিত।
পেশাগত কারণে বিগত (১৫/১৬) বছর আওয়ামী সরকারের বিভিন্ন নিউজ কভার করার জন্য যদি বাবলা আঃ লীগ হয়ে যায়, তা বর্তমানে ১৫/১৬ মাসে জামায়াত- বিএনপির নিউজ/ খবর প্রকাশ করছি তাহলে তো আমি দুই দলের নেতা হয়ে গেলো, নয় কি…..?
ঐ জঘন্যতম ছাগল মার্কা লীগের ইয়াবাভান, বজ্জাত,অশুভ,আলুগীর,জয়সান,অকবি দূর্লভ, মুরগি আজজ্যা,কালু রাফ্যা,ডিসকু হারুন,গবেষক শাফন,ডক্কর জামাই,মুক্তিবার্তা,টুকায় জইস্যা,রুশ বিপ্লবী,হাইব্রিড ব্যবসায়ী লীগের কয়েকজন সহ পলাতক একাধিক ব্যক্তি।
যারা কোন না কোন ভাবে (বিএনপি-জামায়াত) আত্মীয় স্বজন কিংবা ব্যবসায়ী লীগের বন্ধু কিংবা শুভাকাঙ্ক্ষী হয়।
এরা সবাই বাবলা ও তার নিরীহ পরিবারের উপর শূকনের দৃষ্টি দিয়ে চরম ক্ষতি সাধন সহ চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগরীতে হেয়-প্রতিপন্ন করার কু- মানসে অপপ্রচার চালিয়ে দীর্ঘ দিনের অর্জন মান- সম্মান/ ইজ্জত হননের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন..!
এই ফেরাউন ও ফ্যাসিস্টরা সর্বদা নিরীহ লোকের ক্ষতি সাধন সহ চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন করেই চলেছে।
বিগত কয়েকদিনে এদের এফবি পোস্ট ও শেয়ার লিংক দেখলেই বুঝবেন এরা কতটা সাইবার ক্রাইম অপরাধের জড়িত….!
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে যে,এরা সবাই দলীয় বড়ভাই,মামা- খালু, গ্যাং ডিলার,তেল সিরিয়াল ও মোবাইল চোরা গ্রুপের লিডারদের উপর নির্ভরশীল হয়ে জীবন যাপন করে।
এই প্রসঙ্গে বাবলা বলেছেন, মুসলিম হিসেবে আমি আল্লাহ- রাসূলের প্রতি পূর্ণ বিশ্বাসের সাথে বলছি।
দীর্ঘ বছর কর্ম ও শ্রম,মেধা দিয়ে নিজের পরিবার পরিজন নিয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করে চলেছি।
তাই, এখন অন্যায়কারী যারা মামা- খালু, ব্যবসায়ী দল,তালতো ভাই, আত্মীয় স্বজন লীগের পরিচয়ে আত্ম গোপনে থেকে দেশ জাতি ও ব্যক্তির ক্ষতি সাধন কাজে লিপ্ত, এমন কি তাদের গংদের নির্দেশে এই লীগের ফ্যাসিস্টরা এবারও নির্বাচন বাতিলের বা কেন্দ্র ভাঙচুর করার গভীর ষড়যন্ত্র করছিল, সেনাবাহিনী ও বিশেষ পুলিশ বাহিনীর তৎপরতায় রক্ষা পায়।
এই দূষকৃতকারীদের বিন্দু মাত্র ছাড় দেয়া মোটেও উচিত হবে না।
এদের বিরুদ্ধে
শীঘ্রই সাইবার ক্রাইম ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের সহ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আওতায় আনা হবে বলে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সূত্রে জানিয়েছেন।