1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : রাজু হোসেন
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ইপিজেড এলাকায় চসিকের জোরালো উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত…! দক্ষিণ হালিশহর উচ্চ বিদ্যালয় ফুটবল দলের প্রাকটিস জার্সি উন্মোচন ও বুট-মোজা বিতরণ পটিয়ায় হয়রত জামাল উদ্দিন শাহ্ (রা:) বার্ষিক ওরশ সম্পন্ন  চসিকের উদ্যোগে ইপিজেডের‌ বেশ কয়েকটি স্থানে ময়লা আবর্জনা পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযান প্রস্তুতি ম্যাচে মাইজ পাড়া মাহামুদুন্নবী চৌধুরী উচ্চ বিদ্যালয় জিতেছে চট্টগ্রামের নালায় বস্তাবন্দি দেড় হাজারের বেশি বুলেট উদ্ধার ,..!  চট্টগ্রামে আর্দশ শিক্ষক ফোরাম এর নবাগত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত প্রীতি ফুটবল ম্যাচে গোল শূন্য ড্র করেছে দক্ষিণ হালিশহর উচ্চ বিদ্যালয় দল ইপিজেডে চীনা নাগরিকের চুরি যাওয়া ডলার ও মালামাল উদ্ধার করেছে পুলিশ..….! দেওয়ান হাটে গণ সংহতি আন্দোলনের মানববন্ধন কর্মসূচি: ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও জলাবদ্ধতা নিরসনে প্রশাসনের কার্যকরী পদক্ষেপের দাবি 

চায়না মাছ ধরার ফাঁদ ও হানি ট্র্যাপ হুমকির পদক্ষেপের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

রাজশাহী প্রতিনিধি! পলি আক্তার।
  • প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১৩৫ বার পড়া হয়েছে
  • চায়না মাছ ধরার ফাঁদ ও হানি ট্র্যাপ হুমকির পদক্ষেপের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন
  • চায়না থেকে আমদানি করা মাছ ধরার ফাঁদ, কৃত্রিম হানি ট্র্যাপ ও রাসায়নিক আকর্ষণকারীর নির্বিচার ব্যবহারে বরেন্দ্র অঞ্চলসহ দেশের জলাভূমির প্রাণবৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়েছে। এ অবস্থায় অবিলম্বে কার্যকর নীতিগত ও আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। সোমবার সকালে নগরীর এসকে সেমিনার হলে বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার, গ্রিন কোয়ালিশন-রাজশাহী ও বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের উদ্যোগে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব উদ্বেগের কথা জানানো হয়।
    সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রাজশাহীর পদ্মা নদীসহ নওগাঁ, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার নদী, বিল, খাল ও মৌসুমি জলাশয়ে চায়না দুয়ারি জাল, ছাতা জাল, মোনোফিলামেন্ট (কারেন্ট) জাল অবাধে ব্যবহার করা হচ্ছে। পাশাপাশি লেড লাইট, রাসায়নিক হানি ট্র্যাপ ও ইলেকট্রিক ফিশিং ডিভাইসের মাধ্যমে নির্বিচারে মাছ শিকার করা হচ্ছে। বক্তারা বলেন, দ্রুত মাছ বৃদ্ধির জন্য হরমোনাল ইনজেকশন ও মাছ বন্ধ্যাত্বকরণ ট্যাবলেট ব্যবহারের ফলে জলজ প্রাণীর প্রজনন ব্যবস্থা ধ্বংস হচ্ছে। এর প্রভাবে দেশি মাছ ও জলজ উদ্ভিদ দ্রুত হ্রাস পাচ্ছে এবং জলাভূমিনির্ভর জেলে ও জনগোষ্ঠীর জীবিকা চরম ঝুঁকিতে পড়ছে।
  • পবা উপজেলার বারনই নদী পাড়ের মৎস্যচাষী আবু সামা বলেন, পুকুরে ব্যবহৃত হরমোন ও রাসায়নিক বৃষ্টি ও বন্যার মাধ্যমে মুক্ত জলাশয়ে ছড়িয়ে পড়ছে, যার প্রভাব অন্যান্য জলজ প্রাণীর ওপর পড়ছে। ফলে আগের মতো দেশি মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। বারসিকের নৃবিজ্ঞানী ও আঞ্চলিক সমন্বয়ক মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, স্বল্পমেয়াদে এসব প্রযুক্তি কিছু জেলের আয় বাড়ালেও দীর্ঘমেয়াদে জলাশয়কে কার্যত ‘মৃত’ করে তুলছে। নিষিদ্ধ এসব চায়না ফাঁদ ও রাসায়নিক হানি ট্র্যাপ অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অবাধে বিক্রি হলেও বিদ্যমান মৎস্য সুরক্ষা আইন ও পরিবেশ আইন যথাযথভাবে কার্যকর হচ্ছে না।বরেন্দ্র ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি আতিকুর রহমান বলেন, এটি মৎস্য ব্যবস্থাপনার কাঠামোগত ব্যর্থতার বহিঃপ্রকাশ। আইন থাকা সত্ত্বেও ক্ষতিকর এসব উপকরণের আমদানি ও ব্যবহার কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। সংবাদ সম্মেলন থেকে জলাভূমিতে বিষ, হানি ট্র্যাপ, বৈদ্যুতিক শক ও অবৈধ মাছ ধরার উপকরণ নিষিদ্ধ, অনলাইন বিক্রি বন্ধ, আইন কার্যকর এবং জলাভূমিনির্ভর জনগোষ্ঠীর খাদ্য ও জীবিকা নিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়। বক্তারা সতর্ক করে বলেন, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে দেশের জলাভূমি ও মৎস্য সম্পদের অপূরণীয় ক্ষতি হবে এবং জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২
১৩১৪১৫১৬১৭১৮১৯
২০২১২২২৩২৪২৫২৬
২৭২৮২৯৩০৩১  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট