
“মেধা ও সাহসিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত’ র্যাবের ওরিয়েন্টেশন কোর্সে দেশসেরা মতিউর রহমান মুকুটে যুক্ত হলো নতুন পালক
(এসএম রুবেল সিনিয়ার ক্রাইম রিপোর্টার)
“মানুষের জন্য কাজ করাই আসল সার্থকতা” ডিএডি মতিউর রহমান ‘র্যাবের চৌকস কর্মকর্তা মতিউর রহমানের সাফল্যের মুকুটে যুক্ত হলো নতুন পালক। ঢাকা র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-এর পেশাদারিত্ব ও সেবার মান অক্ষুণ্ণ রাখতে আবারও এক উজ্জ্বল নক্ষত্রের উদয় হয়েছে। এলিট ফোর্স র্যাবের ওরিয়েন্টেশন কোর্সে অসামান্য মেধার পরিচয় দিয়ে দেশসেরা (প্রথম স্থান) হওয়ার গৌরব অর্জন করেছেন মতিউর রহমান। এই সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ঢাকা সদরদপ্তরে সাব-ইন্সপেক্টর (SI) থেকে পদোন্নতি পেয়ে ডেপুটি অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর (DAD) হিসেবে নতুন দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন। নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের ফল’ র্যাব ফোর্সেস ট্রেনিং স্কুলে অনুষ্ঠিত অত্যন্ত কঠিন ও সুশৃঙ্খল এই কোর্সে মতিউর রহমান তার দক্ষতা! নিয়মানুবর্তিতা এবং পেশাদারিত্বের মাধ্যমে সকল অংশগ্রহণকারীর মধ্যে শীর্ষ স্থান দখল করেন। তার এই অর্জনকে ঘিরে আজ র্যাব সদরদপ্তরে ছিল আনন্দ ও গর্বের পরিবেশ। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ তাকে বিশেষ সম্মাননা ও পদক প্রদান করেন।
দেশের চলমান পরিস্থিতিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং অপরাধ দমনে তিনি এখন আরও শক্তিশালী ভূমিকায়। জনগণের সেবায় নিবেদিতপ্রাণ এই কর্মকর্তার’ নতুন শপথ অপরাধ দমনে আপসহীন’ পদোন্নতি পাওয়ার পর এক প্রতিক্রিয়ায় মতিউর রহমান বলেন, “এই অর্জন কেবল আমার নয়, এটি আমার সকল প্রশিক্ষক এবং সহকর্মীদের অনুপ্রেরণার ফল। দেশের চলমান পরিস্থিতিতে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা করা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। এলিট ফোর্সের একজন গর্বিত সদস্য হিসেবে আমি অপরাধ দমনে সর্বদা আপসহীন থাকব।”
জনসেবা ও দেশের প্রতি অঙ্গীকার প্রতিশ্রুতি শপথ করে, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় এবং সন্ত্রাসবাদ ও অপরাধ নির্মূলে র্যাবের ভাবমূর্তি আরও উজ্জ্বল করতে তিনি এ কঠিন শপথ নিয়েছেন। বিশেষ করে ঢাকা হেডকোয়ার্টারে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে নিয়োজিত হয়ে তিনি জনসাধারণের সেবায় নিজেকে বিলিয়ে দেওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। র্যাবের শীর্ষ কর্মকর্তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, মতিউর রহমানের মতো মেধাবী ও সাহসী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে দেশ থেকে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে বাহিনীটি আরও এক ধাপ এগিয়ে যাবে। মেধার জয়, সাহসিকতার নতুন শপথ! অভিনন্দন মতিউর রহমান! র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (RAB) ওরিয়েন্টেশন কোর্সে প্রথম স্থান অর্জন করে তিনি প্রমাণ করেছেন—নিষ্ঠা ও পরিশ্রম থাকলে যেকোনো শিখর জয় করা সম্ভব। র্যাব ওরিয়েন্টেশন কোর্সে দেশসেরা (১ম স্থান) অর্জন, সাব-ইন্সপেক্টর থেকে DAD.Deputy Assistant Director. পদে পদোন্নতি র্যাব ঢাকা হেডকোয়ার্টারে নতুন দায়িত্ব গ্রহণে,এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকুক, উজ্জ্বল হোক এলিট ফোর্সের মান।
প্রশাসনের উচ্চাশা নতুন দিনের নেতৃত্ব মতিউর রহমানের ওরিয়েন্টেশন কোর্সে প্রথম স্থান অর্জন এবং তার কর্মতৎপরতা দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তারাও তাকে নিয়ে নতুন করে আশাবাদী। প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মতে, বর্তমান সময়ে অপরাধের ধরন বদলাচ্ছে, তাই মতিউর রহমানের মতো মেধাবী ও কৌশলী কর্মকর্তাদের সামনে আসা প্রয়োজন।আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান” মতিউর রহমান শুধু একজন অফিসার নন, তিনি একজন দক্ষ লিডার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলছেন। তার কর্মনিষ্ঠা আমাদের বাহিনীর তরুণ সদস্যদের জন্য অনুপ্রেরণা। আমরা প্রত্যাশা করি, ঢাকা হেডকোয়ার্টারের গুরুত্বপূর্ণ অপারেশনে তার মেধা ও সাহস বাহিনীর সাফল্যকে আরও ত্বরান্বিত করবে।”
মতিউর রহমানের জনবান্ধব সেবা এবং জনগণ তার প্রতি আস্থা ও ভরসায় সিক্ত হয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, মতিউর রহমান কেবল একজন দক্ষ কর্মকর্তাই নন, বরং সাধারণ মানুষের কাছে তিনি হয়ে উঠেছেন এক ভরসার প্রতীক। ঢাকা হেডকোয়ার্টারে তার দায়িত্বশীলতা এবং মানবিক পুলিশিং কার্যক্রম ইতিমধ্যে সাধারণ মানুষের মন জয় করে নিয়েছে। জনগণের মুগ্ধতা ও মানবিক সেবা, মাঠে কাজ করতে গিয়ে মতিউর রহমান সবসময় অপরাধ দমনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে সচেষ্ট থেকেছেন। ভুক্তভোগীদের সাথে তার ধৈর্যশীল আচরণ এবং দ্রুত সমস্যা সমাধানের মানসিকতা তাকে অন্য সবার চেয়ে আলাদা করেছে। স্থানীয়রা বলছেন, “তিনি শুধু পোশাকি বাহিনীর একজন সদস্য নন, বিপদে পড়লে বড় ভাইয়ের মতো পাশে দাঁড়ানো একজন মানুষ।” তার এই জনবান্ধব কর্মকাণ্ডের ফলে পুলিশ ও জনগণের মধ্যে আস্থার যে দূরত্ব ছিল, তা অনেকাংশেই ঘুচে গেছে ও তিনি একজন উদয় মনের মানুষ।
শান্তি-শৃঙ্খলায় নতুন মিশনে অগ্রযাত্রায় তার বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে ঢাকা মহানগরীর শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ডিএডি মতিউর রহমান আধুনিক প্রযুক্তি ও কৌশলী তদন্তের মাধ্যমে বড় বড় অপরাধ চক্র শনাক্ত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখবেন বলে মনে করছে প্রশাসন। বিশেষ করে কিশোর গ্যাং, মাদক ও সাইবার অপরাধ দমনে তার পরিকল্পনা প্রশাসনকে নতুন পথ দেখাচ্ছে। দেশপ্রেমের মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে মতিউর রহমান যে শপথ নিয়েছেন, তার প্রতিফলন ইতিমধ্যে তার কর্মে দৃশ্যমান। জনগণের ভালোবাসা আর প্রশাসনের আস্থাকে পুঁজি করে তিনি র্যাবের আভিজাত্য ওপেশাদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবেন—এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।।অভিনন্দন ও গর্বের মুহূর্ত র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (RAB) ওরিয়েন্টেশন কোর্সে প্রথম স্থান অর্জন সত্যিই অসাধারণ সাফল্য। এই অর্জন প্রমাণ করে নিষ্ঠা, শৃঙ্খলা ও কঠোর পরিশ্রমের ফল কখনও বিফলে যায় না। এই সাফল্যের পেছনে যাঁরা অবদান রেখেছেন সকল প্রশিক্ষক, কর্মকর্তাবৃন্দ ও সংশ্লিষ্ট সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। ভবিষ্যতেও RAB-এর পেশাদারিত্ব ও সেবার মান আরও উজ্জ্বল হোক—এই প্রত্যাশা করেন তিনি।