1. live@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা
  2. info@www.dainikajkernayabangla.com : দৈনিক আজকের নয়া বাংলা :
বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:১৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পটুয়াখালীতে নির্বাচনকালীন বিশেষ অভিযানে ৮৭ গ্রাম হেরোইনসহ আটক ২ চাঁপাইনবাবগঞ্জ-০২ আসনে জামায়াত প্রার্থী ড. মিজানুর রহমানের ৫৫ দফা ইশতহার ঘোষণা পবিত্রতা,আত্মশুদ্ধি ও ক্ষমা প্রার্থনার আবহে,হযরত আলিশাহ (রহঃ) জামে মসজিদে পালিত   শবে বরাত গণতন্ত্র ও বাবার রাজনৈতিক আদর্শ তুলে ধরে ভোটারদের কাছে ইসরাফিল খসরু চাঁপাইনবাবগঞ্জে সেনাবাহিনীর সাঁড়াশি অভিযান’ মৃধাপাড়ায় আলোচিত মাদকের সাম্রাজ্য তছনছ, সপরিবারে গ্রেফতার ৫ মাদক সম্রাট তরুণ প্রজন্মের কবিরাজ, মনিরুল ইসলাম,, এর চট্টগ্রাম মহানগরে, আয়ুর্বেদিক ওষুধে আলোড়ন তরুণ প্রজন্মের কবিরাজ, মনিরুল ইসলাম,, এর চট্টগ্রাম মহানগরে, আয়ুর্বেদিক ওষুধে আলোড়ন, বৈষম্যহীন এক দফা দাবি ৯ম পে-স্কেলের গেজেট জারির দাবিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জে অবস্থান ও বিক্ষোভ চায়না মাছ ধরার ফাঁদ ও হানি ট্র্যাপ হুমকির পদক্ষেপের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন অনরা গম আছোন নি….! চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় জিজ্ঞেস করেন,  ডক্টর শফিকুর রহমান 

একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রথিতযশা ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া আর নেই

মিলন বৈদ্য শুভ,রাউজান(চট্টগ্রাম) :
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

 

মিলন বৈদ্য শুভ,রাউজান(চট্টগ্রাম) :

 

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ও একুশে পদকপ্রাপ্ত প্রথিতযশা ছড়াকার সুকুমার বড়ুয়া আর নেই। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৮ বছর।
শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৭টার দিকে চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার গহিরায় অবস্থিত জে কে মেমোরিয়াল হাসপাতালে তিনি শেষনিশ্বাস ত্যাগ করেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে তিনি চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। শুক্রবার সকালে তাকে জে কে মেমোরিয়াল হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। তার ফুসফুসে পানি জমে যাওয়ায় পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে ওঠে। চিকিৎসকেরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালালেও শেষ পর্যন্ত তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি বলে জানান তার মেয়ে অঞ্জনা বড়ুয়া।
ছন্দের জাদুকর হিসেবে খ্যাত সুকুমার বড়ুয়া ১৯৩৮ সালের ৫ জানুয়ারি চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার মধ্যম বিনাজুরি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ষাটের দশকে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৬৩ সালে ঢাকার তোপখানা রোডে মাত্র ছয় টাকায় একটি বেড়ার ঘর ভাড়া নিয়ে তার সাহিত্যচর্চার পথচলা শুরু হয়। দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে তিনি ১৯৯৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টোর কিপার পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন।
প্রায় ছয় দশক ধরে ছড়া রচনার মাধ্যমে তিনি বাংলা শিশু ও কিশোর সাহিত্যে নিজস্ব একটি স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন। ব্যঙ্গাত্মক ও হাস্যরসাত্মক ছড়ার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা, সামাজিক বাস্তবতা, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং রাজনৈতিক বার্তা তার লেখায় স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে। এই অনন্য অবদানের জন্য তিনি ‘ছড়ারাজ’, ‘ছড়াশিল্পী’ ও ‘ছড়াসম্রাট’সহ নানা অভিধায় অভিষিক্ত হন।
তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থগুলোর মধ্যে রয়েছে— পাগলা ঘোড়া, ভিজে বেড়াল, চন্দনা রঞ্জনার ছড়া, এলোপাতাড়ি, নানা রঙের দিন, চিচিং ফাঁক, কিছু না কিছু, প্রিয় ছড়া শতক, নদীর খেলা, ছোটদের হাট, মজার পড়া ১০০ ছড়া, যুক্তবর্ণ, চন্দনার পাঠশালা এবং জীবনের ভেতরে বাইরে।
বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০১৭ সালে তাকে একুশে পদক প্রদান করা হয়। এছাড়া তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার, আলাওল সাহিত্য পুরস্কার, চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব সম্মাননা, অবসর সাহিত্য পুরস্কার, আনন ফাউন্ডেশন আজীবন সম্মাননা, চন্দ্রাবতী শিশুসাহিত্য পুরস্কারসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত হন।
তার মৃত্যুতে বাংলা শিশু সাহিত্যাঙ্গনে অপূরণীয় শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করছেন সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিজনরা।

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 
১০১১১২১৩১৪১৫
১৬১৭১৮১৯২০২১২২
২৩২৪২৫২৬২৭২৮  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট