ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন
রাউজান-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর সঙ্গে সনাতনী সম্প্রদায়ের মতবিনিময় সভামিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম):ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে চট্টগ্রামের রাউজান-৬ আসনে বিএনপির মনোনীত পদপ্রাপ্ত প্রার্থী ও জননেতা আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর সঙ্গে সনাতনী সম্প্রদায়ের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সৌহার্দ্য, সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের মধ্য দিয়ে সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত করেন মোহাম্মদ আলী সুমন এবং পবিত্র গীতা পাঠ করেন ডা. সুপন বিশ্বাস (শঙ্করেশ)।
মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান-৬ আসনের সাংসদ ও বিএনপির পদপ্রাপ্ত নেতা আলহাজ্ব গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক নরুল হুদা এবং যুগ্ম আহ্বায়ক ফিরোজ আহমেদ।
এছাড়াও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি অরুণ পালিত, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি রোটারিয়ান জুয়েল চক্রবর্ত্তী, সাবেক পিপি অ্যাডভোকেট এনামুল হক, বিএনপির কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এম. এ. হামিদ, কেন্দ্রীয় বিএনপির সদস্য সুশীল বড়ুয়া এবং চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সনাতনী সংগঠনের আহ্বায়ক লিটন মহাজন।
অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুমন দাশ গুপ্ত।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাগীশিক রাউজান শাখার সম্মানিত সভাপতি ও দক্ষিণ রাউজান উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের উপকমিটির সাধারণ সম্পাদক শ্রীযুক্ত বিটু দে। তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সহ-সাধারণ সম্পাদক টিপু দে, টিটু চৌধুরী, জিকু দে, হিমাদ্রী পাল (ইমন), সাংগঠনিক সম্পাদক বাপ্পা কুমার দাশ, পাবেল চৌধুরী, শ্রীমান দাশ শুভ, নিলয় ভট্টাচার্য, অনিক দাশ গুপ্ত (শুভ), দুর্জয় পাল, চন্দন দাশ, রাজু দাশ, অর্থ সম্পাদক রূপন বিশ্বাসসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাউজান উপজেলা জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদের সভাপতি দীপক তালুকদার, সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দাশ, অর্থ সম্পাদক ভোমর দাশসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
মতবিনিময় সভায় রাউজানের বিভিন্ন মঠ ও মন্দির থেকে আগত সনাতনী সমাজের বিপুল সংখ্যক ধর্মপ্রাণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন। সভায় সনাতনী সম্প্রদায়ের বিভিন্ন সমস্যা, দাবি ও প্রত্যাশা তুলে ধরা হয়। বক্তারা পারস্পরিক সম্প্রীতি, ধর্মীয় সহাবস্থান এবং উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
অনুষ্ঠানটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হয়। সনাতনী সম্প্রদায়ের নেতৃবৃন্দ ভবিষ্যতেও এ ধরনের মতবিনিময় সভা অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।