সদর মডেল থানার অভিযানে অপরাধীদের আতঙ্ক এএসআই মোতালেব' ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
এসএম রুবেল ইনভেস্টিগেশন টীম অফ ক্রাইম সিন চাঁপাইনবাবগঞ্জ | ১৪ এপ্রিল, ২০২৬।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা এলাকায় অপরাধ দমন ও মাদক নির্মূলে এক অপ্রতিরোধ্য নাম হয়ে উঠেছেন এএসআই (নি.) মো. আব্দুল মোতালেব। তার ধারাবাহিক অভিযানে একের পর এক মাদক কারবারি গ্রেফতার হওয়ায় এখন অপরাধী মহলে বিরাজ করছে ‘মোতালেব আতঙ্ক’পুলিশ। গত ১৩ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখ রাতে সদর মডেল থানার বটতলাহাট বাজার এলাকায় এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে হাতে-নাতে এক মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করেন তিনি। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এই অভিযানে গ্রেফতার হওয়া কারবারির নাম.মো.হযরত আলী (৩২) সে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌরসভার ১০ নং ওয়ার্ডের ধাপাপাড়া এলাকার মৃত নজরুল ইসলামের ছেলে। আটককৃত কারবারির নিকট হতে উদ্ধারকৃত আলামত তল্লাশি করে আসামির হেফাজত থাকা ৩০ পিস অবৈধ নেশা দ্রব্য (ইয়াবা) ট্যাবলেট (যার মধ্যে ১৯টিতে 'WY' এবং ১১টিতে 'R' খোদাই করা ছিল)। ভারত যোগে আসা ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয় এছাড়াও! কারবারির নিকট হতে! মাদক বিক্রির নগদ ৮,৪৬০ টাকাসহ আলামত পাওয়া যায়।
অত্র এলাকায় যুবসমাজকে বিকৃতি করে ব্যবসা করে আসছিল! গ্রেফতারকৃত আসামি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথা অকপটে স্বীকার করেছে। তার বিরুদ্ধে ওয়ান সিক্সটি জবানবন্দী ধারা মোতাবেক ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের ৩৬(১) এর ১০(ক) ধারায় মামলা এন্ট্রি করা হয়। পেশাদারিত্ব ও সাফল্যের স্বীকৃতি এএসআই আব্দুল মোতালেব শুধু মাঠ পর্যায়ের অভিযানেই নয়, বরং শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বেও অনন্য। সম্প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ লাইন্স মাঠে অনুষ্ঠিত মাস্টার প্যারেড ও মাসিক কল্যাণ সভায় তার জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নিয়মিত উপস্থিতি ও কর্মতৎপরতা প্রশংসিত হয়েছেন তিনি! পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) এ এন এম ওয়াসিম ফিরোজ ও সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ইয়াসির আরাফাতের তত্ত্বাবধানে এএসআই মোতালেব সদর এলাকাকে মাদকমুক্ত করতে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। জনমনে স্বস্তি!
সদর মডেল থানা এলাকার সাধারণ মানুষ জানিয়েছেন,এএসআই মোতালেবের কঠোর অবস্থানের কারণে মাদক কারবারিরা এখন এলাকা ছাড়া। একের পর এক সফল অভিযানে পুলিশের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা যেমন বাড়ছে। তেমনি মাদক ব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য কমে আসছে- এনিয়ে নিয়ে বর্তমান আলোচনায় প্রশংসার দাবিদার হচ্ছেন নবাগত পুলিশ কর্মকর্তা ওসি একরামুল হোসাইন। তিনি যোগদানের পর পর থেকেই মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা দেন এবং তার নিয়ন্ত্রণে থাকা পুলিশ কর্মকর্তাদের কাজের সৎপরতা বাড়িয়ে! মাঠ এখন অপরাধী আতঙ্ক দখল পুলিশের। সদর মডেল থানা পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে এই জিরো টলারেন্স নীতি এবং অভিযান আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস-এর সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনায় মাঠ পর্যায়ে সক্রিয় অপরাধীদের দমনে এক নজিরবিহীন কঠোর ভূমিকা গ্রহণ করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ। বিশেষ করে, সদর মডেল থানার নবাগত অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ একরামুল হোসাইন, পিপিএম-এর যোগদানের পর থেকেই থানার দক্ষ অফিসার ও ফোর্সের সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ টিমগুলোর তৎপরতা বহুগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। "মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স" নীতি বাস্তবায়নে ওসি একরামুল হোসাইনের সাহসী নেতৃত্ব এবং মাঠ পর্যায়ে তাঁর টিমের দিন-রাত নিরলস অভিযানের ফলে পেশাদার অপরাধী, মাদক কারবারি এবং ওয়ারেন্টভুক্ত আসামিদের মধ্যে চরম আতঙ্ক ও ভীতি ছড়িয়ে পড়েছে। সদর মডেল থানার আওতাধীন বিভিন্ন এলাকায় সাঁড়াশি অভিযান এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করার মাধ্যমে অপরাধীদের নেটওয়ার্ক ভেঙে দেওয়ার জন্য জোরালো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। নবাগত ওসির নেতৃত্বে পুলিশের এই কঠোর ও আপসহীন অবস্থানের ফলে সদর এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বস্তি ও নিরাপত্তা বোধ ফিরে এসেছে এবং অপরাধ জগত একপ্রকার কোণঠাসা হয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে।