
স্টাফ রিপোর্টার ঃ ঢাকা
৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব, শোকাবহ ও আবেগঘন অধ্যায়ের সাক্ষী হলো রাজধানী ঢাকা। আজ ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ পাশসহ আশপাশের বিস্তীর্ণ এলাকা রূপ নেয় মানুষের ঢলে ভরা এক বিশাল শোকসভায়—যেখানে লক্ষ লক্ষ মানুষ একত্রিত হন ঐতিহাসিক জানাজায় অংশ নিতে। শোক, শ্রদ্ধা আর ভালোবাসার এই মিলনমেলায় অংশ নিয়ে নিজেদের গৌরবান্বিত মনে করছেন চট্টগ্রাম থেকে আগত নেতৃবৃন্দ ও কর্মীরা।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ ইব্রাহিম ফরাজী-এর নেতৃত্বে শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা চট্টগ্রাম সদর থেকে ঢাকায় এসে এই ঐতিহাসিক জানাজায় শরিক হন। তাঁদের উপস্থিতি জানাজার আবহকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে।
এ সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন চট্টগ্রাম মডেল স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সম্মানিত সদস্য সচিব ও প্রধান শিক্ষকসহ শ্রমিক দলের একঝাঁক নেতৃবৃন্দ। সফরসঙ্গীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলেন—মোহাম্মদ ইউসুফ, মোঃ সাদ্দাম, মোহাম্মদ জাকিরুল ইসলাম, মোঃ লিটন, মোহাম্মদ জাবেদসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
নেতৃবৃন্দ জানান, এটি শুধু একটি জানাজা নয়—এটি বাংলাদেশের ইতিহাসে এক গভীর শোকাবহ অধ্যায়ের প্রতীক। মানুষের এই বিশাল উপস্থিতি প্রমাণ করে, জাতির হৃদয়ে ভালোবাসা, শ্রদ্ধা ও আবেগ কতটা গভীরভাবে প্রোথিত। এই জানাজায় অংশ নিতে পারাকে তাঁরা নিজেদের জীবনের এক বিরল সম্মান ও গর্বের মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন।
জানাজা শেষে অনুভূতি প্রকাশ করে মোঃ ইব্রাহিম ফরাজী বলেন,
“লক্ষ মানুষের এই ঐতিহাসিক জানাজায় শরিক হতে পারা আমাদের জীবনের এক স্মরণীয় মুহূর্ত। আমরা মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানাই—তিনি যেন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন।”
এই শোকযাত্রা ও জানাজার মধ্য দিয়ে সারাদেশের মানুষের হৃদয়ে এক গভীর ও অমলিন স্মৃতি রচিত হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, এই ঐতিহাসিক মুহূর্ত ভবিষ্যতেও বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক ইতিহাসে এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে—যেখানে জাতির আবেগ, ঐক্য ও শ্রদ্ধা একসূত্রে মিলিত হয়েছে।