শিবগঞ্জে ড. কেরামত আলীর ঐতিহাসিক জয়' গণমানুষের ভালোবাসায় ধূলিসাৎ সব বাধা, নতুন ইতিহাসের পথে সীমান্ত জনপদ
চমক নয়! রাজনৈতিক ভূ'মিক'ম্প! চাঁপাইনবাবগঞ্জে বুলবুল'র' ঝ'ড়ে তছনছ সব হিসাব! দুই ভায়ের রাজনীতিতে নজিরবিহীন আ'ঘা'ত।
অনুসন্ধানী প্রতিবেদক' এসএম রুবেল' চাঁপাইনবাবগঞ্জ' ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬। চাঁপাইনবাবগঞ্জ-০৩ (সদর) আসনে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সমীকরণ ও বড় দলগুলোর দাপটকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে এক নজিরবিহীন বিপ্লব ঘটে গেছে। জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা দক্ষিণ মহানগরীর আমির নুরুল ইসলাম বুলবুলের এই অভাবনীয় বিজয়কে বিশ্লেষকরা স্রেফ 'জয়' বলতে নারাজ; একে অভিহিত করা হচ্ছে 'রাজনৈতিক সুনামি' হিসেবে।
ধানের শীষ-নৌকা ফিকে, বুলবুলের ‘নীরব বিপ্লবে’ কুপোকাত প্রভাবশালী প্রার্থীরা!চাঁপাইনবাবগঞ্জের সদর আসনটি দীর্ঘকাল থেকেই রাজনীতির অন্যতম ‘হটসিট’ হিসেবে পরিচিত। যেখানে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থীদের মধ্যে লড়াই হওয়ার কথা ছিল, সেখানে সবাইকে হতবাক করে দিয়ে বিশাল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন নুরুল ইসলাম বুলবুল। নির্বাচনের আগে তাকে নিয়ে নানা নেতিবাচক প্রচারণা ও আইনি বেড়াজাল তৈরি করার চেষ্টা করা হলেও, ভোটের ফলাফলে দেখা গেছে তার জনপ্রিয়তার জোয়ারের কাছে সবকিছুই খড়কুটোর মতো উড়ে গেছে।
যেভাবে এলো! চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা জুড়ে এই নজিরবিহীন বিজয়! তৃণমূলের সাথে গভীর সংযোগ! নির্বাচনের অনেক আগে থেকেই ঢাকা দক্ষিণ মহানগরের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজের জন্মভূমি চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখে ছায়ার মতো পাশে ছিলেন বুলবুল। তার এই ধারাবাহিক গণসংযোগই ভোটের দিন নীরব বিপ্লব ঘটিয়েছে।
বিএনপি ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভরাডুবি! বিএনপি এবং অন্যান্য স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভোট ব্যাংকে বড় ধরনের ধস নামিয়ে দিয়ে সাধারণ ভোটাররা বুলবুলকেই তাদের শেষ আশ্রয়স্থল হিসেবে বেছে নিয়েছেন। তরুণ প্রজন্মের সমর্থন ও ব্যক্তিত্ব টানে সোশ্যাল মিডিয়া এবং মাঠে-ঘাটে তরুণ ভোটারদের মধ্যে বুলবুলের পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি ও বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
হতাশায় প্রতিপক্ষ! নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফল আসার পর থেকেই আওয়ামী লীগ ও বিএনপির স্থানীয় কার্যালয়গুলোতে নেমে এসেছে পিনপতন নীরবতা। বড় দলগুলোর অনেক বাঘা বাঘা নেতাও এখন হিসাব মেলাতে পারছেন না, কীভাবে তাদের দুর্গে এমন হানা দিলেন দেশ জুড়ে এই জামায়াত নেতারা! স্থানীয় অনেক ভোটারের মতে, এটি স্রেফ একটি দলের জয় নয়, বরং গতানুগতিক রাজনীতির বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের একটি কঠোর বার্তা।বিশ্লেষকদের চোখে এই জয় সাধারণত জনগণের চাপা ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা রাজনৈতিক বিশ্লেষকগণ বলছেন, "নুরুল ইসলাম বুলবুল প্রমাণ করেছেন যে, জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারলে প্রতিকূল পরিবেশেও জয় ছিনিয়ে আনা সম্ভব। এই জয় আগামী দিনের জাতীয় রাজনীতিতে জামায়াতের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে।
জানতে জামায়াত ও ডাঁড়ি পাল্লার প্রার্থী নুরুল ইসলাম বুলবুল বলেন! আমার এই বিজয় চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসীর। তারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং উন্নয়নের পক্ষে রায় দিয়েছেন। আমি সদর আসনের প্রতিটি মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করতে চাই, — বিজয়ের মালা নিয়ে নুরুল ইসলাম বুলবুল ও শিবগঞ্জের ড. কেরামত আলী' নির্বাচন ঘিরে জয় পরাজয়ের! সাধারণ মানুষের যেসব বার্তা নিয়ে বলছেন তারা' চাঁপাইনবাবগঞ্জ-০৩ আসনের এই ফলাফল শুধুমাত্র একটি আসনের পরিবর্তন নয়, বরং এটি সারা বাংলাদেশের রাজনৈতিক মানচিত্রে একটি নতুন বার্তা। নুরুল ইসলাম বুলবুলের এই 'ম্যাজিক' জয় এখন টক অফ দ্য কান্ট্রি! হয়ে থাকবে চিরস্মরণীয় প্রিয়' চাঁপাইনবাবগঞ্জ।।
অন্যদিকে! শিবগঞ্জ উপজেলাবাসীর অকুন্ঠ সমর্থন এবং ড. মোঃ কেরামত আলীর ঐতিহাসিক বিজয় নিয়ে! চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় এক অবিস্মরণীয় রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ঘটে গেছে। জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ড. মোঃ কেরামত আলী বিশাল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়ে প্রমাণ করেছেন যে, জনগণের ভালোবাসাই রাজনীতির মূল শক্তি। দীর্ঘদিনের প্রচার-প্রচারণা এবং সাধারণ মানুষের পাশে থাকার ফলস্বরূপ শিবগঞ্জবাসী তাকে দুহাত ভরে সমর্থন জানিয়েছেন।
নির্বাচনী ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, শিবগঞ্জের সাধারণ ভোটাররা এবার কোনো নির্দিষ্ট দলের চেয়ে ব্যক্তি ইমেজের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। ড. কেরামত আলীর পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, উচ্চশিক্ষা এবং সাধারণ মানুষের বিপদে-আপদে এগিয়ে আসার মানসিকতা তাকে অন্য প্রার্থীদের থেকে যোজন যোজন এগিয়ে রেখেছে। ভোটের দিন সকাল থেকেই শিবগঞ্জের প্রতিটি কেন্দ্রে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, যেখানে তরুণ ও বয়স্ক ভোটারদের দীর্ঘ লাইন তার পক্ষেই 'গণবিপ্লব' এর ইঙ্গিত দিচ্ছিল।
শিবগঞ্জবাসীর মতে, ড. কেরামত আলী কেবল একজন নেতাই নন, তিনি এই অবহেলিত জনপদের উন্নয়নের রূপকার হবেন বলে তারা বিশ্বাস করেন। এই বিজয়কে স্থানীয়রা দেখছেন "দুর্নীতির বিরুদ্ধে সততার জয়" হিসেবে। জয়ের পর শিবগঞ্জের অলিগলিতে তার সমর্থকদের উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো, যা প্রমাণ করে ড. কেরামত আলী পুরো শিবগঞ্জকে এক সুতোয় বাঁধতে সক্ষম হয়েছেন।শিবগঞ্জের প্রিয় মুখ ড. মোঃ কেরামত আলী' ড. মোঃ কেরামত আলী শিবগঞ্জ উপজেলার সাধারণ মানুষের হৃদয়ে এক বিশেষ স্থান দখল করে নিয়েছেন। তার এই বিশাল জয় কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়, বরং এটি তার বছরের পর বছর ধরে করা জনসেবার প্রতিফলন।
শিবগঞ্জবাসী তাকে কেবল একজন আদর্শিক নেতা হিসেবেই নয়, বরং একজন অভিভাবক হিসেবে ভালোবেসে গ্রহণ করেছেন। উপজেলার সাধারণ কৃষক থেকে শুরু করে শিক্ষিত তরুণ সমাজ—সবাই তার মধ্যে এক উজ্জ্বল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখছেন। মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়া এবং শিবগঞ্জের সার্বিক উন্নয়নে তার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ভোটারদের ভীষণভাবে প্রভাবিত করেছে। ড. মোঃ কেরামত আলী পুরো শিবগঞ্জবাসীকে এক ঐক্যবদ্ধ প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসেছেন, যেখানে দল-মত নির্বিশেষে মানুষ তাকে সমর্থন জানিয়েছে। তার এই নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও গ্রহণযোগ্যতা তাকে শিবগঞ্জের রাজনীতির এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে।