শান্তিতে ঘুমাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাহারা দেবে পুলিশ’ এই শ্লোগানে রাজশাহী রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের নেতৃত্বে অনন্য গৌরবে আম রাজধানীর মুকুটে নতুন পালক! মান উজ্জ্বল করে প্রশংসাই ভাসছেন এসপি গৌতম কুমার
বিশেষ অনুসন্ধান: ক্রাইম সিন ইউনিট মিডিয়া সেল! এস এম রুবেল, অনুসন্ধানী প্রতিবেদক
চাঁপাইনবাবগঞ্জ | ১৬ আগস্ট , ২০২৬
যার বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতি হয়ে থাকবে! রাজশাহী রেঞ্জে শ্রেষ্ঠত্বের গৌরব অর্জন এসপি গৌতম কুমার বিশ্বাস! চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাবাসি ও পুলিশের প্রশংসায় অনন্যা নজীর!
সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জকে মাদক ও চোরাচালানমুক্ত করতে জেলা পুলিশের নিরলস প্রচেষ্টা ও সফলতার স্বীকৃতি মিলল রাজশাহী রেঞ্জের মাসিক অপরাধ সভায়। জুলাই ২০২৬ মাসের অপরাধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অসাধারণ কর্মদক্ষতা ও ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে সমগ্র রেঞ্জে প্রথম স্থান অর্জন করে অনন্য নজির স্থাপন করেছে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ। এই গৌরবময় অর্জনের মাধ্যমে জেলা পুলিশ প্রশাসন কেবল নিজেদের সক্ষমতাই প্রমাণ করেনি! বরং জনগণের আস্থা ও ভালোবাসার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।
এই পুলিশ সুপার যোগ-দানের পর পর থেকেই! বদলে গেছে আম রাজধানী চিত্র ও অপরাধ দমন কর্মকান্ড তার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে! জুলাই মাসের সফল অভিযানের পরিসংখ্যান! জুলাই মাসজুড়ে পরিচালিত ধারাবাহিক বিশেষ অভিযানে জেলা পুলিশ মোট ২০৬ টি মামলা দায়ের করেছে এবং বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৮৫৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। উদ্ধার করা হয়েছে ৪ কেজি ১৬৮.৫ গ্রাম হেরোইন, ৮,৬২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ৯ কেজি ১০৫ গ্রাম গাঁজা, ৪৪৯ বোতল স্কাফ সিরাপ, ৫৬১ লিটার চোলাই মদ, ৩৫৫ লিটার ওয়াশ এবং এক বোতল বিদেশি মদ। পাশাপাশি! চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ৮৬টি ভারতীয় মোবাইল ফোন, বিভিন্ন অবৈধ অনুপ্রবেশ যন্ত্রাংশ এবং একটি ভারতীয় মাল ভর্তি পিকআপও জব্দ করেছে জেলা পুলিশ।
পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে উজ্জ্বল মান! রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মোঃ আশিক সাঈদ এর নিকট হতে শ্রেষ্ঠত্বের এই সম্মাননা পুরস্কার গ্রহণ করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সুযোগ্য ও মানবিক পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস। এই পুরস্কার কেবল একটি প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি নয়! এটি আম রাজধানী চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার মানুষের জন্য এক পরম অহংকারের বিষয়। পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব! জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্যের নিরলস পরিশ্রম, পেশাদারিত্ব এবং মানবিক দায়বদ্ধতা জেলাবাসীর মনে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তিনি পুলিশের মানকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন শুধু একমাত্র তার নেতৃত্ব ও দিকনির্দেশনার এই গৌরব সফলতা তার অক্লান্ত পরিশ্রমে অর্জন করা সম্ভব হয়েছে।
জনমানুষের সন্তুষ্টি ও গর্বের উচ্চারণে প্রশংসায় ভাসছেন জেলা পুলিশসহ পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস এর এই সাফল্যে উচ্ছ্বসিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ। স্থানীয় সচেতন নাগরিক সমাজ মনে করেন,সীমান্তবর্তী এ জেলায় মাদকের ভয়াল থাবা থেকে নতুন প্রজন্মকে বাঁচাতে পুলিশ সুপারের এই কঠোর ও বলিষ্ঠ ভূমিকা অত্যন্ত প্রশংসনীয়। সাধারণ মানুষের মতে, পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস কেবল একজন কর্মকর্তা নন, তিনি আমাদের জেলার গর্ব। তাঁর নেতৃত্বে পুলিশ এখন সত্যিকার অর্থেই জনগণের বন্ধু। রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, সামাজিক নেতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরাও এই সাফল্যকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে পুলিশের এই ধারাবাহিক অভিযান জেলাবাসীর জন্য আশীর্বাদ সূচনা হয়ে থাকবে আজীবন।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশের প্রশংসনীয় কার্যক্রম, অপরাধ দমন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষার সফলতায় আনন্দে এই জেলার মানুষ 'শান্তিতে ঘুমাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাহারা দেবে পুলিশ' — অনন্য নিরাপত্তায় আম রাজধানী! সীমান্তবর্তী ও সংবেদনশীল জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এক যুগান্তকারী ও প্রশংসনীয় অধ্যায় রচনা করেছে জেলা পুলিশ। ‘শান্তিতে ঘুমাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাহারা দেবে পুলিশ’—এই স্লোগানকে কেবল কথার কথায় সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবে রূপ দিয়ে অনন্য এক নজির স্থাপন করেছেন পুলিশ সুপার (এসপি) গৌতম কুমার বিশ্বাস। যোগদানের পর থেকেই তিনি ও তাঁর পুরো টিম মাদকবিরোধী অভিযান, কিশোর গ্যাং দমন এবং সন্ত্রাস নির্মূলে সরাসরি মাঠে থেকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড কঠোর হাতে দমনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় নিরাপত্তা পৌঁছে দেওয়ায় জেলাজুড়ে স্বস্তির সুবাতাস বইছে। রাজশাহী রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ জেলা পুলিশের এই গৌরবোজ্জ্বল অর্জন কেবল আম রাজধানীর মুকুটে নতুন পালকই যুক্ত করেনি, বরং জনবান্ধব পুলিশিংয়ের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে সর্বমহলে ব্যাপক প্রশংসায় ভাসছেন এই মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা।
জনবান্ধব পুলিশিংয়ের অনন্য রূপকার: এসপি গৌতম কুমার বিশ্বাসের নেতৃত্বে বদলে যাওয়া চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ! যোগদানের পর থেকেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস পুলিশ ও সাধারণ জনগণের দীর্ঘদিনের দূরত্ব ঘুচিয়ে গড়ে তুলেছেন এক আস্থার এক সেতুবন্ধন। আমি জনগণের সেবক, আমার সেবামূলক কর্মকাণ্ডের দরজা ২৪ ঘণ্টা খোলা —এই ঘোষণা দিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন পুলিশ আসলেই জনগণের বন্ধু। তাঁর বলিষ্ঠ ও দূরদর্শী নেতৃত্বে জেলার ৫টি থানারই অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এবং পুলিশ সদস্যরা ২৪ ঘণ্টা জনগণের সেবা প্রদানে নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। সেবাগ্রহীতারা তাঁর কার্যালয়ে গেলে কোনো ধরনের জটিল সিরিয়ালের মুখোমুখি হন না বরং যেকোনো আইনি পরামর্শ বা সেবার জন্য সরাসরি তাঁর দ্বারস্থ হতে পারেন। এসপি গৌতম কুমার বিশ্বাসের এই জনমুখী দৃষ্টিভঙ্গি ও যুগোপযোগী দিকনির্দেশনা চাঁপাইনবাবগঞ্জবাসীর মনে পুলিশ সম্পর্কে প্রচলিত ভয়ের ধারণা সম্পূর্ণ বদলে দিয়েছে! যা জেলায় পুলিশ-জনতার পারস্পরিক সহযোগিতায় এক অনন্য ও অটুট মেলবন্ধন তৈরি করেছে।
যতদিন থাকব সেবার মান আরও বাড়িয়ে দেব! জনবান্ধব এসপি গৌতম কুমার বিশ্বাসের প্রত্যয়ে মুগ্ধ চাঁপাইনবাবগঞ্জ আমি যতদিন এই জেলায় থাকব, জনগণের সেবার মান আরও দিগন্তরূপে নিয়ে যাবো—পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের এই দৃঢ় অঙ্গীকার ও বাস্তবমুখী কর্মকাণ্ডে মুগ্ধ আজ চাঁপাইনবাবগঞ্জের সর্বস্তরের মানুষ ও সুশীল সমাজ। সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি সেবার পরিধিকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ায় এই মানবিক পুলিশ কর্মকর্তা এখন জেলার প্রতিটি নাগরিকের আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছেন। প্রতিটি জেলায় এমন মানবিক কর্মকর্তা হোক অপরিহার্য দাবি! স্থানীয় সুশীল সমাজ, সচেতন নাগরিক ফোরাম এবং অপরাধ বিশেষজ্ঞরা উচ্চকণ্ঠে তার এমন পরিধিতা স্বীকার করছেন—চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাসের মতো জনবান্ধব ও সাহসী নেতৃত্ব আজ দেশের প্রতিটি জেলার জন্যই এক অনিবার্য প্রয়োজন। পেশাদারিত্ব, মানবিকতা এবং সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দেওয়ার এই বিরল দৃষ্টান্ত কেবল একটি জেলার নিরাপত্তাই নিশ্চিত করছে না, বরং এটি সারা দেশের পুলিশিং ব্যবস্থার জন্যই এক উজ্জ্বল ও অনুসরণীয় মডেল হয়ে উঠেছে।
ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিজের এই অর্জনের প্রতিক্রিয়ায় পুলিশ সুপার গৌতম কুমার বিশ্বাস বলেন জেলা এ জেলার সম্মানিত নাগরিকবৃন্দ ও পুলিশের সকল কর্মকর্তা ও সদস্যের নিষ্ঠা! আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতার ফলেই এই গৌরব অর্জন সম্ভব হয়েছে। এই পুরস্কার জেলা পুলিশের প্রত্যেক সদস্যের মনোবল আরও বাড়াবে, এবং ইতিমধ্যেই আরো দায়িত্বশীলতা বেড়েছেন এবং ভবিষ্যতে আরও ভালোভাবে দায়িত্ব পালনে অনুপ্রেরণা জোগাবে। তিনি দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা করেন! শান্তিতে ঘুমাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মানুষ সারা রাত যাপন পাহারা দিবে পুলিশ! তার এই উচ্চকণ্ঠে বার্তাটি জেলা মানুষের হৃদয়ে আজও বাড় বাড় নাড়া দিচ্ছে! মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের এই যুদ্ধ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং অপরাধমুক্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জ গড়তে পুলিশ সদস্যদের আরও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করার আহ্বান জানান তিনি। পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছে বিশেষ বার্তা— মাদককে না বলুন, জীবনকে হ্যাঁ বলুন। পুলিশের এই মানবিক ও কঠোর অবস্থানের বার্তা এখন ছড়িয়ে পড়ছে পুরো জেলায়! যা একটি সুস্থ ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছেন সচেতন মহল। এই প্রত্যাশা নিয়ে পুলিশ সাধারণ মানুষের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার অগ্রগতি আরও বাড়ছে।