মিলন বৈদ্য শুভ,রাউজান(চট্টগ্রাম) :
রাউজান উপজেলার পশ্চিম কদলপুরস্থ খাস্তগীর বাড়িতে নিত্যধামগত পিতৃদেব রমণী মোহন খাস্তগীর, মাতৃদেবী প্রিয়লতা খাস্তগীর এবং পিতৃ-মাতৃকূলের পূতঃ স্মৃতি স্মরণে শ্রীগ্রন্থাদি পারায়ণ, চৌষট্টি মোহান্তের ভোগারাধনা ও অষ্টপ্রহরব্যাপী মহানামযজ্ঞ সংকীর্তন ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে।
৬,৭ ও ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬—তিনদিনব্যাপী আয়োজিত এ মহতী ধর্মীয় অনুষ্ঠানে প্রতিদিন ভক্তিময় পরিবেশে নানা আচার-অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল শ্রীমদ্ভাগবত রসতত্ত্ব আস্বাদন, শ্রীগ্রন্থাদি পারায়ণ, শ্রীশ্রী গৌর-নিত্যানন্দ মহিমাকীর্তন এবং চট্টলার ভজনানন্দী বৈষ্ণববৃন্দের কীর্তন পরিবেশন।
অনুষ্ঠানে শ্রীমদ্ভাগবত রসতত্ত্ব আস্বাদন করান বোয়ালখালী শাকপুরা রাধা-মদনগোপাল সেবাশ্রমের অধ্যক্ষ প্রবীণ বৈষ্ণবাচার্য শ্রীল মুরালী দাস বাবাজী মহারাজ। শ্রীশ্রী গৌর-নিত্যানন্দ মহিমাকীর্তন ও শুভ অধিবাস কীর্তন পরিবেশন করেন অধ্যাপক রাজীব বিশ্বাস। সপার্ষদ মহাপ্রভু ও চৌষট্টি মোহান্তের ভোগারাধনায় পৌরহিত্য করেন শ্রীল মুরালী দাস বাবাজী মহারাজ।
প্রতিদিন ভোগারতি শেষে উপস্থিত ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরণ করা হয়। গোধূলি লগ্নে শুভ অধিবাসের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান আরও ভাবগম্ভীর ও আধ্যাত্মিক আবহে পরিণত হয়।
এ ধর্মীয় আয়োজনের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিলেন বিনীত পুত্রকন্যাগণ—সাধ্বী মাধবী দেবী দাসী, শ্রীল মাধব দাস বাবাজী, সমীর, নীহার, রাধু, মীরা, সাধন, রতন, দেবীকা ও স্বপন প্রমুখ। সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন উত্তর আধার মানিক শাস্তি সমিতির সকল সদস্যবৃন্দ।
উক্ত মহতী ধর্মীয় অনুষ্ঠানে দূর-দূরান্ত থেকে আগত হাজার হাজার নর-নারী ভক্তবৃন্দের সমাগম ঘটে। ভক্তি, ধর্মীয় শুদ্ধাচার ও আধ্যাত্মিক চেতনায় পরিপূর্ণ এ আয়োজন এলাকাবাসী ও ভক্তসমাজের মাঝে গভীর ধর্মীয় অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করে।