পুলিশ লাইন বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণে অপতৎপরতা: ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচনের আল্টিমেটাম শিক্ষক সমাজের অনুসন্ধানে ক্রাইম সিন
বিশেষ অনুসন্ধান: ক্রাইম সিন ইউনিট মিডিয়া সেল! এস এম রুবেল, অনুসন্ধানী প্রতিবেদক
চাঁপাইনবাবগঞ্জ | ৩০ জুন, ২০২৬
সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ফায়দা হাসিলের চেষ্টায় মরিয়া একদল কলঙ্কিত গণমাধ্যম যেখানে পুলিশ সুপার সভাপতি সর্বক্ষণিক তদারকি! সেখানে অনিয়মের প্রশ্ন স্পর্শ করতে না পারার আল্টিমেটাম শিক্ষক সমাজের
ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা অভিযোগ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ
আমি আবুল কাশেম! চাঁপাইনবাবগঞ্জ পুলিশ লাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। সম্প্রতি আমার বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের অর্থ আত্মসাৎ ও বিভিন্ন অনিয়মের যে অভিযোগ উত্থাপন করা হয়েছে, তা আমি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ভিত্তিহীন বলে ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করছি। আমার দীর্ঘ কর্মজীবনের অর্জিত সুনাম ও মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করার হীন উদ্দেশ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল আমার বিরুদ্ধে এই ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করেছে।
আমার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ গুলোর প্রেক্ষিতে আমার সুস্পষ্ট বক্তব্য নিচে তুলে ধরছি! ভবন মেরামতের বরাদ্দ নিয়ে মিথ্যাচার! ২০২২ সালে বিদ্যালয় ভবন মেরামতের জন্য বরাদ্দকৃত ২ লাখ টাকা কোনো কাজ না করে আত্মসাৎ করা হয়েছে—এই অভিযোগটি সর্বৈব মিথ্যা। প্রতিটি কাজ নিয়মানুযায়ী সম্পন্ন করা হয়েছে এবং যথাযথ বিল-ভাউচারের মাধ্যমেই তা সম্পন্ন হয়েছে। বিদ্যালয়ের রেকর্ডপত্র পরীক্ষা করলেই সত্যতা প্রমাণিত হবে! যেকোনো প্রকার অনিয়ম সেখানে ঘটেনি আমি ১০০% নিশ্চিত এবং অটল।
সম্পদ বিক্রির মিথ্যা অভিযোগ! বিদ্যালয়ের সিলিং ফ্যান,অ্যাম্পলি ফায়ার লোহা বা বেঞ্চ বিক্রির যে কাল্পনিক গল্প সাজানো হয়েছে! তা হাস্যকর এবং ভিত্তিহীন। বিদ্যালয়ের প্রতিটি সম্পদই এখন সংরক্ষিত এবং ব্যবহারের উপযোগী। দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে বিদ্যালয়ের সম্পদ সুরক্ষা আমার নৈতিক দায়িত্ব, যা আমি আজীবন পালন করে এসেছি।
SLIP ও অন্যান্য বরাদ্দে অনিয়ম! School Level Improvement Plan (SLIP) বা অন্যান্য খাতের অর্থ বরাদ্দ যথাযথ নিয়ম মেনে বিদ্যালয় কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এবং সরকারি! নির্দেশিকা অনুসরণ করে ব্যয় করা হয়েছে। এখানে কোনো প্রকার ভুয়া বিল-ভাউচার তৈরির প্রশ্নই আসে না। আমি দীর্ঘ কর্মজীবন সততা ও নিষ্ঠার সাথে সম্পন্ন করেছি এবং আজ আমার চাকরির শেষ পর্যায়ে এসে একটি মহল ঈর্ষান্বিত হয়ে আমাকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চক্রান্ত করছে। বিদ্যালয়ের কিছু অভিভাবকের নাম ব্যবহার করে যে ভিত্তিহীন অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে! তা আমাকে ফাঁসানোর একটি সুদূরপ্রসারী ষড়যন্ত্র মাত্র।
আমি সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানাচ্ছি যে- এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু তদন্ত পরিচালনা করা হোক। আমি যেকোনো তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি। সত্য উদ্ঘাটিত হলে এই মিথ্যা অপপ্রচারের সঙ্গে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচিত হবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আমি আমার সহকর্মী, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি! আপনারা কোনো প্রকার অপপ্রচারে বিভ্রান্ত হবেন না। আইন ও ন্যায়ের প্রতি আমার পূর্ণ আস্থা রয়েছে।
প্রতিবাদে! বিনীত!
মো. আবুল কাশেম
প্রধান শিক্ষক:
পুলিশ লাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
ফোন নং- +০০৪৪ ৬০৭৮৫৯০৮
উল্লেখ্য : ষড়যন্ত্র ও প্রতিবাদ নিয়ে, জরুরী বৈঠক! "পুলিশ সুপারের কঠোর তদারকিতে থাকা প্রতিষ্ঠানে দুর্নীতির কাল্পনিক অভিযোগ: শিক্ষক সমাজের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ"
"পুলিশ লাইন বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণে অপতৎপরতা: ষড়যন্ত্রকারীদের মুখোশ উন্মোচনের আল্টিমেটাম শিক্ষক সমাজের" "স্বচ্ছতায় ঘেরা পুলিশ লাইন বিদ্যালয়ে ভুয়া অভিযোগের পাহাড়: উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ"
"কর্তৃপক্ষের নজরদারিতে থাকা প্রতিষ্ঠানে ভিত্তিহীন অভিযোগ: ফায়দা হাসিলের হীন প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে শিক্ষক সমাজের রুখে দাঁড়ানো" "নিয়ম আর তদারকির অমোঘ দেয়াল যেখানে, সেখানে অভিযোগের নাটক সাজিয়ে ফায়দা হাসিলের চেষ্টা: সত্যের পথে অবিচল প্রধান শিক্ষক" ও শিক্ষক সমাজ।
পুলিশ সুপারের সরাসরি তদারকিতে পরিচালিত এবং স্বচ্ছতার প্রতিটি মানদণ্ডে উত্তীর্ণ চাঁপাইনবাবগঞ্জের পুলিশ লাইন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোনো ধরনের অনিয়ম হওয়ার অবকাশই নেই। অথচ, একটি স্বার্থান্বেষী মহলের ইন্ধনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে যে অর্থ আত্মসাতের মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তোলা হয়েছে, তা কেবল হাস্যকর নয়! বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত অপপ্রচার। বিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হিসেবে স্বয়ং পুলিশ সুপারের সার্বক্ষণিক তদারকি থাকা একটি প্রতিষ্ঠানে অনিয়ম বা ভুয়া বিল-ভাউচারের সুযোগ থাকার দাবি করাই অযৌক্তিক। মূলত বিদ্যালয়ের স্বচ্ছতা ও শিক্ষার পরিবেশকে কালিমালিপ্ত করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের লক্ষ্যেই এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। এটি কেবল একজন প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে নয়, বরং পুরো শিক্ষক সমাজের আত্মমর্যাদার ওপর আঘাত।
আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই—যেখানে তদারকি ও জবাবদিহিতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে, সেখানে অনিয়মের অভিযোগ তোলা কেবল বালখিল্যতা নয়! বরং এটি প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণের একটি হীন প্রচেষ্টা। আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাই এই কাল্পনিক অভিযোগ কারীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক। শিক্ষক সমাজ কোনো প্রকার ষড়যন্ত্র বা ভয়ভীতির কাছে মাথা নত করবে না। সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি আমাদের জোরালো, আর ষড়যন্ত্রকারীদের অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া এখন সময়ের দাবি।