"দীর্ঘদিন অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে এসব তথ্য"
বিশেষ প্রতিবেদন:১৬ জুন (চট্টগ্রাম)
চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর ইপিজেড ও পতেঙ্গা এলাকায় দূরপাল্লার বাসের অবৈধ কাউন্টারের দৌরত্ব যেন থামছেই না। পাঁচ টিআই কে ম্যানেজ করে নগরীতে চলছে অবৈধ গাড়ির পাকিং নিরব ভূমিকায় পাঁচ টিআই।
নগরীর বন্দর ইপিজেড ও পতেঙ্গা এলাকায় প্রতিদিন লাখো মানুষের যাতায়াত প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী আন্তঃজেলা বাসের যাত্রী ওঠানামা ও পরিচালনার জন্য নির্ধারিত স্থান সিটি গেইট ও কদমতলী বাস টার্মিনাল থাকার পরেও পাঁচ টিআই কে প্রতিমাসে মাসোহারা দিয়ে বন্দর ইপিজেড ও পতেঙ্গা এলাকায় দূরপাল্লার বাস ঢোকার পারমিশন দিয়েছে পাঁচ টিআই।
নগরীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিয়ম তোয়াক্কা না করে গড়ে তুলেছে অসংখ্য অস্থায়ী অবৈধ বাস কাউন্টার।নগরীর ইপিজেড থানার বন্দরটিলাসহ বিভিন্ন এলাকায় পারমিটবিহীনভাবে আন্তঃজেলা বাস কাউন্টার পরিচালনা করে যাত্রী সংগ্রহসহ টিকিট বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে রেজাউল নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। প্রধান সড়কের পাশে বাস দাঁড়িয়ে পার্কিং করার কারণেই সৃষ্টি হচ্ছে তীব্র যানজট চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
স্থানীয়দের দাবী সংশ্লিষ্ট কিছু অসাধু ব্যক্তি ও প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় এসব অবৈধ কার্যক্রম বছরের পর বছর ধরে চালিয়ে আসছে। এসব কার্যক্রমের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। বন্দর ইপিজেড ও পতেঙ্গা সহ পাঁচজন টিআই কে মাসোহারার বিনিময়ে একটি প্রভাবশালী চক্র এই বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করছে।
সচেতন নাগরিকরা বলছেন, অবৈধ বাস কাউন্টার ও ভিআইপি সড়ক দখল করে যাত্রী ওঠানামার কারণে চট্টগ্রাম নগরীর বন্দর ইপিজেড ও পতেঙ্গা এলাকায় ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার না থাকায় অবৈধ কাউন্টারের দৌরাত্ম বেড়েই চলছে। এসব কাউন্টার ভিআইপি রোড থেকে উচ্ছেদ করার জোরদাবি জানান। এর পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে এসব চক্রদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অবৈধ পাকিং এর এবিষয়ে বন্দর ইপিজেড ও পতেঙ্গা আন্তঃজেলা বাস মালিক সমিতির সভাপতি রেজাউলের কাছে জানতে চাইলে তিনি সংবাদমাধ্যম কে চরা কন্ঠে বলেন,আপনার কিছু করার ক্ষমতা থাকলে আপনারা কিছু করে দেখান। পাঁচ টিআই কে ম্যানেজ করার বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি বলেন,আমি টিআইদের কে ম্যানেজ করি না বলে অস্বীকার করেন।
গত ২৭ মে বুধবার সন্ধ্যায় প্রত্যেকটি কাউন্টার থেকে সাংবাদিক পুলিশ ও ট্রাফিকের কথা বলে ২ দুই হাজার টাকা করে কালেকশন করেন রেজাউল নামে এই ব্যক্তি। এছাড়া প্রত্যেকটি ব্যানার বাবদ রেজাউল কে দিতে হয় ২ হাজার টাকা। এসব টাকার ভাগ যায় বড় বড় কর্তাদের পকেটে।
টাকা উত্তোলনের ব্যাপারে কাউন্টার মালিকদের কাছে জানতে চাইলে কাউন্টার মালিকরা সংবাদমাধ্যম কে বলেন,বন্দর ইপিজেড ও পতেঙ্গা এলাকায় মোট ব্যানার রয়েছে ৪০ টির মতো। প্রতি ব্যানার বাবদ রেজাউল নামে এই ব্যক্তিকে দিতে হচ্ছে দু-হাজার টাকা। পাঁচ টিআই কে ম্যানেজ করেন রেজাউল নামে ঐব্যক্তি। কাউন্টার মালিকরা আরও বলেন,অত্র এলাকায় যেসব পরিবহন প্রবেশ করছে অধিকাংশ গাড়ির কাগজপত্র সঠিক নেই বলে জানান।
এব্যাপারে ট্রাফিক বিভাগের ডিসি কবীর আহমেদ 'র কাছে জানতে চাইলে তিনি সংবাদমাধ্যম কে বলেন, আপনারা নিউজ করুন, নিউজ করার পর তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।