বিশেষ প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম
নগরীর পতেঙ্গা বিজয় নগর থেকে নিখোঁজের ২২ দিনের মাথায় উদ্ধার হওয়া গৃহবধূ রিমা আক্তারের ঘর-সংসার টিকা নিয়ে নয় ছয়ের অভিযোগ উঠেছে।
পতেঙ্গা মডেল থানা পুলিশ টিমের তথ্য অনুযায়ী বিগত ১ রমজানে নিখোঁজ হওয়ার পর ২৫ রমজান রাতে স্বামী নয়নের স্ত্রী রিমা আক্তার কে তার বান্ধবীর বাসা থেকে পুলিশ উদ্ধার করে থানায় এনে পরিবারের জিম্মায় দেন।
পরিবারে চরম উদ্বেগ-উৎকণ্ঠার মূহুর্তে রিমার পরিবার এই বিষয়ে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে ঈদের পর সমাধান করার একটি উদ্যোগ
জিডির তদন্ত কর্মকর্তা এএসআই জিল্লুর রহমান সহ ঠিক করে।
এই বিষয়ে রিমার স্বামী মো. নয়ন (৩২), পিতা—মো. সিদ্দিক আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়ে ও বারবার সময় জ্ঞাপন করছে।
এব্যাপারে পতেঙ্গা মডেল থানায় (জিডি নং–৯১৯/২৬) দায়ের করার পরবর্তীতে রিমার বড় বোন পিংকি আক্তার ও পরিবার সদস্যরা থানায় গিয়ে তদন্ত কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে দ্রুত মিমাংসার উদ্যোগ নেয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
রিমার বিয়ে হয়েছে ৫/৬ মাস হলেও স্বামী নয়ন প্রথমদিকে কোনো দাম্পত্য সমস্যার কথা জানা যায়নি। তবে বিয়ের ২/১ মাস ধরে বোনকে কিছুটা সমস্যা নিয়ে নয়নের বোন জামাই মোঃ মোর্শেদ বিভিন্ন আপত্তি কর অভিযোগ ও রিমা কে জ্বালাতন সহ পরকিয়া প্রেম এবং মোবাইলে অন্য লোকের সাথে কথা বলতে বা খারাপ অবস্থায় যোগাযোগ করার ব্যাপারে নির্যাতন করার সরাসরি অভিযোগ করেন রিমার বড়বোন পিংকি।
রিমার
পরিবারের দাবি, নিখোঁজ রিমা ২/৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। ফলে বিষয়টি আরও উদ্বেগজনক হয়ে উঠেছে।
এদিকে স্বামী নয়নের সাথে বার বার কথা বলার চেষ্টা করলেও সে কথা না বলে তার বোন জামাই মোর্শেদের সাথে কথা বলতে বলেন, অভিযুক্ত নয়ন গার্মেন্টসে চাকরি করলেও বিকেলে বাসায় এসে মোবাইলে ক্যাসিনো ও অনলাইনে জুয়ায় মগ্ন থাকেন বলে স্ত্রী রিমা আক্তার প্রতিবেদক কে জানাই।
পরিবারের পক্ষ থেকে রিমা আক্তারের ঘর-সংসার সম্পর্কে
সামাজিক ও পারিবারিক উদ্যোগ নিলেও স্বামী নয়নের পরিবার কোনো সহযোগিতা কিংবা রিমা আক্তারের খোঁজ খবর, ঈদের পর তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নিতে কেউ আসেনি বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন।
দীর্ঘ দিন ধরেই রিমার শ্বশুর বাড়ির লোকজন স্বক্রিয় ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে যে, তারা আজও রিমা আক্তারের ঘর-সংসার জোড়া হবে না ডিসকাষ্ট হবে তা নিয়ে চরম মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে নয়নের পরিবারের প্রতি।
বিষয়টি দ্রুত মিমাংসা করে রিমার সাংসারিক জীবনে শান্তি ফিরিয়ে আনতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অসহায় রিমা আক্তারের স্বজনরা।