
চট্টগ্রাম মহানগর প্রতিনিধি ঃ
বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন শিক্ষা বোর্ডের অধীনে কিন্ডারগার্টেন এডুকেশন এসোসিয়েশন (কেয়া) পরিচালিত বৃত্তি পরীক্ষা আজ ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫ খ্রি. চট্টগ্রামে উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। চট্টগ্রাম মহানগরীর ৮টি কেন্দ্র এবং হাটহাজারী ৩টি ও রাউজানের ১টি কেন্দ্রে একযোগে এই বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
আজ সকাল ১০:০০ টায় পরীক্ষা শুরু হয়ে ১টা পর্যন্ত চলে, পরীক্ষা চলাকালীন সময় পরীক্ষার কেন্দ্র পরিদর্শনে আসেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন সোসাইটি’র চট্টগ্রাম বিভাগীয় সভাপতি মইনুদ্দীন কাদের লাভলু, হাটহাজারী কেন্দ্র পরিদর্শন করেন চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি, কিন্ডারগার্টেন এডুকেশন এসোসিয়েশন- কেয়া’র পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক ছৈয়দ হাফেজ আহমদ,বন্দর এলাকার কেন্দ্রগুলি পরিষদ পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন সোসাইটি’র চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক এম. নজরুল ইসলাম খান, কেয়া’র মহাসচিব মো. রফিকুল ইসলাম মল্লিক,পাঁচলাইশ- অক্সিজেন কেন্দ্র পরিদর্শনে ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষা অনুরাগী কেয়া’র ভাইস- চেয়ারম্যান লায়ন মো. শফিকুর রহমান চৌধুরী,রিডার্স স্কুল এন্ড কলেজ এর প্রধান পরিচালক অধ্যক্ষ কে এম মোস্তফা রেজাউল মনির। উপস্থিত ছিলেন কেয়া’র যুগ্ম মহাসচিব, ইপিজেড কর্ণফুলী মডেল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক মোঃ এনায়েত হোসেন,নব আলো আইডিয়াল স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এম এ রহমান, ইপিজেড কর্ণফুলী মডেল স্কুলের শাখা প্রধান,কেন্দ্র সচিব মিরাজ মাহমুদ,অধ্যক্ষ ছৈয়দুল আজাদ, রাউজান কেন্দ্রের মো. হাসান ইমাম সুন্দরবন আইডিয়াল স্কুলের চেয়ারম্যান মোঃ রুবেল শেখ, জাহানারা বেগম এফ এম প্রি-ক্যাডেট স্কুলের পরিচালক সাইফুল্লাহ সিদ্দিকী,সানমুন আইডিয়াল স্কুলের সহকারি প্রধান শিক্ষক শামীমা আক্তার, চট্টগ্রাম মডেল স্কুলের সহকারী প্রধান শিক্ষক ইয়াসমিন ইসলাম প্রমূখ।
এ পরীক্ষায় বিপুল সংখ্যক ক্ষুদে শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। সকাল থেকেই বিভিন্ন কেন্দ্রে শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক ও বিদ্যালয় পরিচালকদের উপস্থিতিতে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। শিশুদের জন্য এটি ছিল একদিকে যেমন মেধা যাচাইয়ের সুযোগ, অন্যদিকে তেমনি একটি আনন্দময় শিক্ষা উৎসব।
আয়োজকরা জানান, ২০০০ সাল থেকে কেয়া বৃত্তি পরীক্ষা শিশুদের মেধা বিকাশ, প্রতিযোগিতামূলক মানসিকতা গঠন ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহ বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও সুশৃঙ্খল ও উৎসবমুখর পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন হওয়ায় অভিভাবক ও শিক্ষকমহলে সন্তোষ প্রকাশ করা হয়।