হোসেন বাবলা:২৮ মে,চট্টগ্রাম
এবারও কোরবানির পশুর চামড়ার দাম নির্ধারণ নিয়ে চরম অনিশ্চিয়তায় পড়েছে মৌসুমী ব্যবসায়ীরা...!
২৮ শে মে ঈদুল আজহার কোরবানি শেষে বিভিন্ন স্থান থেকে গরু মহিষ ও ছাগলের চামড়া নিয়ে রাস্তায় অলি- গলিতে স্তুপ করে ভালো দামের আশায় বসে থাকলে ও শেষ পর্যন্ত রাতে আড়ৎদার গণ না আসায় চরম হতাশা প্রকাশ করেছেন মৌসুমী ব্যবসায়ীরা।
অনেক ব্যাপারীরা অভিযোগ করেন,লাখ লাখ টাকা দিয়ে কোরবানি করা পশুর চামড়ায় ৩০০-৩৫০ টাকাও দাম না পাওয়া গেলে গরিব মানুষের উপর অত্যাচার নয় কি...?
ধর্মীয় রীতি নীতি অনুযায়ী এই চামড়ার বিক্রির অর্থ গুলো গরীব মিছকিন ও দুস্থ অসহায় মানুষের মাঝে নিকট আত্মীয় স্বজনরা বিলি করে থাকে।
পবিত্র ঈদুল আজহার উপলক্ষে চট্টগ্রাম মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় হাজার হাজার পশুর চামড়া পড়ে রয়েছে রাস্তার পাশে ও অলি- গলিতে স্তুপ হয়ে।
অনেক ব্যাপারীরা দুপুর থেকেই ৭০/৯০ টাকার উপরে দাম উঠে নি বলে চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।
বন্দর -ইপিজেড পতেঙ্গা - হালিশহর এলাকার বিভিন্ন সংগঠন, প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা ও গাউছিয়া কমিটির দায়িত্বশীল ব্যক্তিবর্গ ও কোরবানির চামড়ার দাম কমে নিন্মমুখী থাকায় বেশ কয়েকটি অনৈতিক সেন্ডিকেট গ্রুপ কে সরাসরি দায়ী করে অভিযোগ করেন।
চামড়া একটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন কারী শিল্প বাণিজ্য হলেও বর্তমানে দেশে কোন এক অদৃশ্য শক্তির কারণে এই শিল্পটি এখন পথে বসার উপক্রম হয়েছে বলে অনেক ব্যবসায়ী প্রতিনিধি গণ প্রতিবেদক কে জানিয়েছেন।
বিষয়টি বর্তমান সরকারের অর্থ ওশিল্প -বাণিজ্য বিভাগ অবশ্যই অবশ্যই নজরে আনার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানান মৌসুমী ব্যবসায়ীরা।