এনজিওর আড়ালে কোটি টাকার প্রতারণা: বালিয়াডাঙ্গার ‘মাফিয়া’ হাসান,শাহাদাত, চম্পা ও তার পরিবারের ৬ সদস্য মিলে বেপরোয়া সিন্ডিকেট! টার্গেট ছিল পাঁচ কোটি টাকা! হাতিয়ে নেন ডের কোটি টাকা! উদ্যোগী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড খোলে ৭০০ গ্রাহকের সঙ্গে প্রতারণা
চাঁপাইনবাবগঞ্জে এনজিও প্রতারকদের খুঁটির জোর কোথায়? ভুক্তভোগীদের পক্ষে লেখায় প্রবীণ সাংবাদিক এস এম রুবেলকে হয়রানি ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও মুক্তির দাবিতে তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ জানিয়ে মানববন্ধনের ডাক দেশজুড়ে গণমাধ্যমে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি :| ২৮ জুন, ২০২৬।
চাঁপাইনবাবগঞ্জ: বালিয়াডাঙ্গা! ইউনিয়নে এনজিও ব্যবসার আড়ালে সাধারণ মানুষের সাথে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে কামরুজ্জামান হাসানসহ তার পরিবারের ছয় সদস্যকে অবরুদ্ধ করেছে বিক্ষুব্ধ প্রতারণা হওয়া গ্রাহকসহ এলাকাবাসী। ‘উদ্যোগী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামক একটি ভুয়া এনজিওর মাধ্যমে দীর্ঘ ৭ বছর ধরে এই প্রতারক চক্রটি সাধারণ মানুষের সাথে জালিয়াতি চালিয়ে আসছিল।
দীর্ঘ দুই বছর যাবত পলাতক জীবনের পর অবশেষে ভুক্তভোগীদের হাতে ধরা পড়েছেন মূল হোতা হাসান, শাহাদাত, চম্পা, এবং তার সহযোগী পরিবারের একই ৬ জন সদস্যরা!প্রতারণার অভিনব কৌশল ও ‘পারিবারিক’ সিন্ডিকেট! অনুসন্ধানে জানা যায়! কামরুজ্জামান হাসান তার আপন ৫ ভাই—শাহাদাত, শাহীন, শাজেমান-রহমান,চম্পা এবং সহযোগী আরিফকে নিয়ে একটি শক্তিশালী প্রতারক চক্র গড়ে তোলেন। চক্রটি ‘উদ্যোগী ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সমবায় সমিতি লিমিটেড’ নামে একটি এনজিও খুলে গ্রামের সহজ-সরল মানুষ এবং প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের টার্গেট করে। হাসান নিজে ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করলেও তার স্ত্রী চম্পা রানী সহ-সভাপতি ও ক্যাশিয়ারের ভূমিকায় থেকে পুরো আর্থিক লেনদেন নিয়ন্ত্রণ করতেন। চড়া সুদের প্রলোভন দেখিয়ে তারা সাধারণ মানুষকে এফডিআর (FDR) ও সঞ্চয়ী স্কিমে বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত করতেন।
সাতশো গ্রাহকের স্বপ্নভঙ্গ ও অর্থ আত্মসাৎ! ব্যাকগ্রাউন্ড লীডে মাফিয়া সিন্ডিকেটের মূলহোতা হাসানের আপন ভাই শাহাদাত! এই চক্রের জালে খলনায়ক হিসেবে তার আপন ভাই হাসান সহ, প্রায় সাতশ সাধারণ গ্রাহকে অত্যন্ত সুকৌশলে প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া কয়েক কোটি টাকা দিয়ে হাসান ও তার ভাইয়েরা শহরের বিভিন্ন প্রান্তে অঢেল জমি ও সম্পদ গড়ে তুলেছেন--!" গ্রাহকদের জমানো টাকা তাদের পকেটে যাওয়ার পর থেকেই শুরু হয় টালবাহানা। গ্রাহকরা তাদের পাওনা টাকা ফেরত চাইতে গেলে উল্টো হুমকির মুখে পড়তে হতো বলে অভিযোগ রয়েছে। এভাবে তারা প্রায় সাতশো পরিবারকে তাদের জিম্মি করে রেখেছিলেন।
অবরুদ্ধ প্রতারক চক্র ও উত্তপ্ত বালিয়াডাঙ্গা! গত দুই বছর ধরে আত্মগোপনে থাকা হাসান ও তার চক্রের সদস্যরা সম্প্রতি বালিয়াডাঙ্গায় ফিরে আসলে ভুক্তভোগীরা ফুঁসে ওঠেন। স্থানীয়রা মিলে হাসান! ও তার স্ত্রী চম্পা,শাহাদাত এবং তিন ভাইকে ঘেরাও করে আটক করেন। পরবর্তীতে একটি জনসম্মুখে সালিশ বৈঠকে তাদের প্রতারণার যাবতীয় নথিপত্র ও এভিডেন্স তল্লাশি করা হয়। প্রাথমিকভাবে প্রাপ্ত তথ্যে তাদের বিরুদ্ধে জালিয়াতি ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে এবং উপস্থিত ভুক্তভোগী প্রত্যেক গ্রাহককে টাকা ফেরত দেওয়ার, প্রতিশ্রুতি দেন এবং স্ট্যাম্প লিখিত দিয়ে ভুক্তভোগীদের আশ্বাস দেন।
ভুক্তভোগীদের সংবাদ সম্মেলন ও আইনানুগ ব্যবস্থার দাবি! এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বালিয়াডাঙ্গা ইউনিয়নে চরম উত্তজনা বিরাজ করছে। প্রতারিত গ্রাহকরা সংবাদ সম্মেলন করে অবিলম্বে এই চক্রের একই পরিবারের মালিক এনজিও নির্বাহী সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তি এবং পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন। উত্তেজিত এলাকাবাসীর দাবি! যে কোনো সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। তাই দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ ও আইনি পদক্ষেপের অপেক্ষায় রয়েছেন ভুক্তভোগীরা। অন্যদিকে ভুক্তভোগীদের জোরালো দাবি, এই প্রতারকদের হাত থেকে পাওনা টাকা উত্তোলন করে দেওয়ার আহ্বান ও জোর দাবি জানান সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ চাঁপাইনবাবগঞ্জ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি।
মূল হোতা শাহাদাত রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে যারা সাধারণ মানুষের সরল বিশ্বাস ও অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে প্রতারণার জাল বিস্তার করে,! তারা সমাজের বিষফোড়া। শাহাদাত ওরফে 'চিট শাহাদাত' এবং তার সহযোগী হাসানের কর্মকাণ্ড নিয়ে এক ভয়াবহ প্রতারণার চিত্র অনুসন্ধানে চঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে! এনজিও খোলার প্রলোভন দেখিয়ে এবং ৫ কোটি টাকা তহবিল সংগ্রহের মিথ্যা টার্গেট দিয়ে তারা যে দুই কোটি টাকারও বেশি অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে, তা কেবল অর্থনৈতিক অপরাধ নয়, বরং নৈতিকতার চরম স্খলন। ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে এবং আইনি বা সামাজিক বিপদের ভয় দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। শাহাদাত, হাসান, চম্পা, এই অপতৎপরতা শুধু ভুক্তভোগীদের সর্বস্বান্ত করেনি! বরং প্রকৃত দেশের সহজ সরল সাধারণ মানুষের সঙ্গে ভাবমূর্তিকে চরমভাবে ক্ষুণ্ণ করেছে। আজ সময় এসেছে এই মুখোশধারী প্রতারকদের প্রকৃত রূপ উন্মোচন করার এবং আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার। আইনি পদক্ষেপের মাধ্যমে তারা আর যাতে করে ভবিষ্যতে কেউ আর রাজনৈতিক প্রভাবশালী দাপট খাটিয়ে ও নাম ভাঙিয়ে মানুষের বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে এমন জঘন্য প্রতারণার সাহস না পায়।
জনমনে এখন একটাই প্রশ্ন—আইনের ফাঁকফোকর গলিয়ে এই ‘মাফিয়া’ চক্রটি কতদিন এভাবে সাধারণ মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলবে? এলাকাবাসী প্রশাসনকে অনুরোধ জানিয়েছেন,! দ্রুত যেন তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে এবং তাদের অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। এই অপরাধচক্রের কর্মকাণ্ডে যুক্ত যারা রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক! জোর দাবি জানান সুশীল সমাজ নাগরিকবৃন্দ ভুক্তভোগী জনতা।
উল্লেখ্য : চলমান পরিস্থিতি নিয়ে তারা সুকৌশলে এনজিও মাধ্যমে প্রতারণা করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে তারা জেলা জুড়ে একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট গড়ে তুলেছেন! অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে। এই এনজিওর মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে, এই এনজিওর সম্পাদক দাবি করা, কামরুজ্জামান হাসান, তার নামে বেনামে অবৈধ সম্পদ গড়ে তুলেছেন। জেলা শহরের সার্কিট হাউস মোড়ে অর্থাৎ শাহীবাগ এলাকায়, ২ কাঠা ৫ তলা বিশিষ্ট বাড়ি কিনেছেন প্রায় কয়েক কোটি দিয়ে, এবং জেলা শহরের, আতাহার এলাকায়, পাকা রাস্তা সংলগ্ন পাঁচ কাঠা মাটি, কিনেন প্রায়, ৪৫ লাখ টাকার উপর। এবং তার নিজ এলাকায়, বাড়ির পিছনে ২ কাঠা মাটি, কিনেন, ২৫ লক্ষ টাকার উপর। অন্যদিকে তার আরেক ভাই, এই এনজিওর, সভাপতি দাবি করা, শাহাদাত ওরফে চিট শাহাদাত নামে জেলায় পরিচিত,। বালু বাগান সরকারপাড়া এলাকায়, তিন কাঠা মাটির উপর পাঁচ তলা বিল্ডিং ফাউন্ডেশনের কাজ চলমান রয়েছেন, এবং শাহাদাতের নামে বেনামী, গাড়ি-বাড়ি আলিশান কারবার, তার চলাফেরার জন্য একটি নতুন, গত কয়েক মাস আগে পালসার গাড়ি নগদ টাকা অর্থনয় ক্রয় করে বিলাসী জীবন যাপন করছেন। অনুসন্ধানে আরো জানা যায় এনজিও পরিচালক সম্পাদক, হাসানের স্ত্রীর চম্পা রানীর নামে বেনাম, জায়গা জমি নগদ টাকা ব্যাংক ব্যালেন্স সহ বিপুল সংখ্যক অর্থ গচ্ছিত ও আত্মসাৎ করেছেন। বাকি একই ক্যাবিনেটের নির্বাহী সদস্যরা, একই ধারাবাহিকতায় রাজকীয় জীবনযাপন করে আসছেন। এই প্রতারকদের সকল, ভুক্তভোগীদের আত্মসাৎ করা তাদের অবৈধ সম্পদ অনুসন্ধানে প্রতিবেদকের কাছে। সকল প্রকার এভিডেন্স সংরক্ষিত রয়েছেন।
গত ২৮ জুন ২০২৬ তারিখে ভুক্তভোগী গ্রাহকেরা একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। এর পর থেকেই অভিযুক্ত সেই প্রতারক পাঁচ ভাই এবং তাদের অন্যতম সহযোগী চম্পা রানী ভুক্তভোগীদের কণ্ঠ চেপে ধরতে ও নানাভাবে হয়রানি করতে অনৈতিক ও অসাধু পথ অবলম্বন করছেন। এরই ধারাবাহিকতায়, সংবাদ সম্মেলন ও মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ভুক্তভোগীদের ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা আদালতে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম মামলাটি দায়ের করেছেন নিজেকে ওই কথিত এনজিওর সহ-সভাপতি ও ক্যাশিয়ার দাবি করা চম্পা রানী। চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিজ্ঞ আমলী আদালতে দায়েরকৃত এই মামলার নম্বর—সিআর-৯৮০/২০২৬ (নবাব)। এই মামলায় ভুক্তভোগী গ্রাহকদের মধ্য থেকে তিনজনকে লক্ষ্য করে দণ্ডবিধির ১৪৭, ১৪৮, ৩৪২, ৩৫৪, ৩৬৫ এবং ৩৮৬ ধারায় গুরুতর সব অভিযোগ আনা হয়েছে। অন্যদিকে, ভুক্তভোগীদের দমাতে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে, যার মামলা নম্বর—৪৭, পি/২০২৬ (নবাব)। এই মামলার বাদী হয়েছেন নিজেকে ওই এনজিওর সাধারণ সম্পাদক দাবি করা কামরুজ্জামান হাসান। তিনি প্রতারণার শিকার তিনজন নির্দিষ্ট ভুক্তভোগীকে বিবাদী করে এই মামলাটি করেন। মামলাটিতে প্রতিপক্ষ বা অভিযুক্তরা হলেন— ১. মোসা. তাসলিমা বেগম, ২. মো. বাবলু হোসেন এবং ৩. বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি) কর্মরত সদস্য মো. তাসরিফ। এভাবে চক্রটি নিজেদের এনজিওর নামে করা জালিয়াতি আড়াল করতে উল্টো ভুক্তভোগী গ্রাহকদের ওপর একের পর এক মিথ্যা মামলার বোঝা চাপিয়ে প্রতিনিয়ত হয়রানি ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছে।
চাঁপাইনবাবগঞ্জে এনজিও প্রতারকদের খুঁটির জোর কোথায়? ভুক্তভোগীদের পক্ষে লেখায় প্রবীণ সাংবাদিক এস এম রুবেলকে হয়রানি ও মিথ্যা মামলার তীব্র নিন্দা চাঁপাইনবাবগঞ্জে শত শত প্রতারিত মানুষের কান্না ও আত্মনাদে যখন আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে, তখন সেই অসহায় মানুষের পক্ষে কলম ধরে আজ চরম নিরাপত্তাহীনতা ও আইনি হয়রানির শিকার হচ্ছেন জেলার নির্ভীক ও সিনিয়র সাংবাদিক, বিশিষ্ট লেখক এস এম রুবেল। একটি প্রতারক এনজিও চক্রের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ করায় তাঁর বিরুদ্ধে সাজানো ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দায়ের এবং তাঁকে লাঞ্ছিত করার ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ করছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। ঘটনার প্রেক্ষাপট ও প্রতারণার চিত্র! সম্প্রতি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসনের সামনে আয়োজিত এক মানববন্ধনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে শতাধিক ভুক্তভোগী তাঁদের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে উপার্জিত টাকা ফেরত পাওয়ার আকুতি জানান। একটি নির্দিষ্ট এনজিও-র আড়ালে একই পরিবারের ছয় জন সদস্য মিলে সাধারণ মানুষের কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়ে এই ভয়াবহ প্রতারণার জাল বুনেছে।
ভুক্তভোগীদের এই চরম অসহায়ত্বের চিত্র দেখে চাঁপাইনবাবগঞ্জের প্রথম সারির গণমাধ্যমগুলো সাহসিকতার সাথে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশ করে। বিশেষ করে কয়েকটি ধারালো কলম এই অপরাধী চক্রের মুখোশ উন্মোচন করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে, যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং জনমনে ব্যাপক সাড়া জাগায়। সত্যের পক্ষে লড়ে আজ সাংবাদিকই আসামির কাঠগড়ায়!।একজন মানবাধিকার কর্মী এবং জাঁদরেল সাংবাদিক হিসেবে এস এম রুবেল এই অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ভুক্তভোগীদের টাকা ফেরতের দাবিতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কিন্তু অপরাধী চক্রটি নিজেদের পাপ ঢাকতে এবং গণমাধ্যমের কণ্ঠরোধ করতে উল্টো সাংবাদিকদের ওপর চড়াও হয়। ক্ষমতার অপব্যবহার এবং আইনের ফাঁকফোকর গলে তারা এই মানবাধিকার রক্ষাকারী সাংবাদিকের বিরুদ্ধেই মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা ঠুকে দেয়। উল্লেখ্য, এস এম রুবেল চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও সাধারণ সম্পাদক। তিনি অত্যন্ত সুনামের সাথে জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তিনি বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠিত সংবাদ মাধ্যম ‘দৈনিক নয়া বাংলা’ পত্রিকার নির্বাহী সম্পাদক, ‘দৈনিক চাঁপাই দিগন্ত’-এর সম্পাদক ও প্রকাশক, এবং স্থানীয় ‘দৈনিক সত্য খবর’ পত্রিকার সিনিয়র রিপোর্টার। এ ছাড়াও তিনি অত্র জেলার সুপ্রতিষ্ঠিত সংবাদ মাধ্যম ‘দৈনিক অপরাধ দমন’-এর সিনিয়র ক্রাইম সিন ও ক্রাইম পেট্রোল ইনভেস্টিগেশন টিমের অনুসন্ধানী প্রধান প্রতিবেদক (ক্রাইম রিপোর্টার) হিসেবে অপরাধ জগতের বহু কালো অধ্যায় অবলীলায় ফুটিয়ে তুলেছেন। তাঁর ক্ষুরধার লেখনীর মাধ্যমেই প্রশাসন ও জনগণের মাঝে এক দৃঢ় বিশ্বাসের সেতু তৈরি হয়েছিল এবং শোষিত মানুষের অধিকার সুপ্রতিষ্ঠিত হয়ে আসছে।
গণমাধ্যমকর্মীদের দাবি ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান! জনগণের অধিকারের কথা বলায় আজ এই দক্ষ ও সৎ সাংবাদিককে নানামুখী লাঞ্ছনা ও আইনি হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। অপরাধী চক্রের এমন আস্ফালনে জেলার সাধারণ সাংবাদিক সমাজ আজ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, সাংবাদিকদের মুখ চেপে ধরে কখনো সত্যকে আড়াল করা যায় না। মুক্ত সাংবাদিকতা ও জনগণের মানবাধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আমরা চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের জরুরি ও জোরালো হস্তক্ষেপ কামনা করছি। দেশ জুড়ে গণমাধ্যমের সংবাদকর্মীদের স্পষ্ট দাবি! নির্ভীক সাংবাদিক এস এম রুবেলের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত সকল ভূয়া, ভিত্তিহীন ও হয়রানিমূলক মামলা অতি দ্রুত প্রত্যাহার করে তাঁকে সম্পূর্ণ মুক্তি দিতে হবে। একই পরিবারের ছয় সদস্যের সেই চিহ্নিত এনজিও প্রতারক চক্রকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং ভুক্তভোগীদের টাকা ফেরতের ব্যবস্থা করতে হবে। স্বাধীন ও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে গণমাধ্যমকর্মীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।।জনগণের আইন ও ন্যায়বিচার যেন কোনো অপরাধী চক্রের খেয়ালখুশির হাতিয়ার না হয়—প্রশাসনের কাছে এটাই আজ।চাঁপাইনবাবগঞ্জের আপামর জনসাধারণের জোরালো দাবি।
সাংবাদিক এস এম রুবেলের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত রাজনৈতিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং এনজিও প্রতারক চক্রের গ্রেপ্তারের দাবিতে জেলার একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক সিনিয়র রিপোর্টারকে অবিলম্বে মিথ্যাও সাধনা মামলা থেকে দ্রুত মুক্তি অব্যাহত করা হোক! সাংবাদিকের কণ্ঠরোধ করে অপরাধীরা পার পাবে না" — অবিলম্বে এস এম রুবেলের নামে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও প্রতারকদের গ্রেপ্তারের দাবি জেলার বিশিষ্ট রাজনীতিকের চাঁপাইনবাবগঞ্জের অসহায় ও সর্বস্বান্ত মানুষের অধিকারের পক্ষে সাহসিকতার সাথে কলম ধরায় প্রবীণ সাংবাদিক, লেখক ও জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম রুবেলের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও মিথ্যা হয়রানিমূলক মামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জেলার একজন বিশিষ্ট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। এই প্রবীণ রাজনীতিক অত্যন্ত ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "যেখানে একই পরিবারের ছয় সদস্যের একটি এনজিও প্রতারক চক্র সাধারণ মানুষের কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে প্রকাশ্য দিবালোকে ঘুরে বেড়াচ্ছে, সেখানে ভুক্তভোগীদের পক্ষে দাঁড়িয়ে অপরাধের সত্য চিত্র তুলে ধরায় একজন সৎ ও নির্ভীক সাংবাদিককে আইনি হয়রানি ও লাঞ্ছনার শিকার হতে হচ্ছে—যা অত্যন্ত নজিরবিহীন এবং আইনের শাসনের পরিপন্থী। অপরাধী চক্র নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে এবং গণমাধ্যমের মুখ চেপে ধরতেই আইনের এই চরম অপব্যবহার করছে। আমরা স্পষ্ট ভাষায় বলতে চাই, সাংবাদিক এস এম রুবেলের মতো একজন নিবেদিতপ্রাণ মানবাধিকার কর্মীর কণ্ঠরোধ করে এই প্রতারক গ্যাং পার পাবে না।" তিনি আরও যোগ করেন যে, প্রশাসনকে অবিলম্বে এই কালো হাতগুলোর চক্রান্ত রুখে দিতে হবে এবং সাংবাদিক রুবেলের বিরুদ্ধে সাজানো এই ভূয়া মামলা অতি দ্রুত নিঃশর্তভাবে প্রত্যাহার করে তাঁর মুক্তি নিশ্চিত করতে হবে। সেই সাথে, শত শত পরিবারের কান্না ও আত্মনাদের কারণ হওয়া সেই চিহ্নিত ছয় এনজিও প্রতারককে অনতিবিলম্বে গ্রেপ্তার করে কঠোরতম আইনগত ব্যবস্থার মাধ্যমে ভুক্তভোগীদের টাকা আদায়ের জোরালো দাবি জানান এই রাজনৈতিক নেতা। তিনি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, অন্যায়ভাবে সাংবাদিকদের ওপর এমন নিপীড়ন চলতে থাকলে জেলার সুশীল সমাজ ও আপামর জনসাধারণকে সাথে নিয়ে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। পর্ব-২।