
আব্দুল্লাহ আল মুক্তাদির বাঁধন: রাজশাহী প্রতিনিধি। র্যাব প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে সব ধরনের অপরাধীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। জঙ্গি,সন্ত্রাসী, সঙ্ঘবদ্ধ অপরাধী,মাদক, অস্ত্র, ভেজাল পণ্য, ছিনতাইকারী প্রতারক, হত্যা এবং ধর্ষণ মামলার আসামিসহ সকল অপরাধের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ ০১০৫ ঘটিকায় নওগাঁ জেলার ধামুরহাট থানাধীন খরমপুর এলাকা হতে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫ এর প্রশপত্র ফাঁসের ঘটনায় জড়িত তদন্তেপ্রাপ্ত পলাতক আসামী ১। মোঃ আনোয়ার হোসেন (৪১), পিতা-মোঃ মোজাফফর রহমান,সাং-বরমপুর, থানা-ধামইরহাট,জেলা- নওগাঁকে গ্রেফতার করে। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, গত ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখ জয়পুরহাট সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫ চলাকালে বিকাল ১৬০০ ঘটিকায় উক্ত পরীক্ষা কেন্দ্রের ২য় তলার কক্ষ নং-২০২ এর পরীক্ষার্থী মোঃ আমির হামজা, বোল নং-৪৪১৪৮০০ এর ব্যবহৃত মোবাইলে এসএমএস দেখে উত্তর পূরণ করছেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কক্ষ পরিদর্শক পরীক্ষার্থী আমির হামজাকে জিজ্ঞাসা করলে সে তার ব্যবহৃত মোবাইল নং০১৩৪২৬১৫১৯২ এ মোবাইল নং- ০১৩৩৬৫৩৩৫১৯ হতে প্রাপ্ত এসএমএস থেকে উত্তরপত্র পূরণ করছেন মর্মে স্বীকার করেন। সংশ্লিষ্ট কক্ষ পরিদর্শক উক্ত এসএমএস এর সাথে পরীক্ষার্থী আমির হামজার উত্তরের মিল বুজে পাওয়ায় তাৎক্ষনিকভাবে বিষয়টি বর্ণিত পরীক্ষা কেন্দ্রে দায়িত্বরত জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার প্রতিনিধি জনাব সাকিল আহম্মেদকে অবগত করলে তিনি জয়পুরহাট সদর থানা পুলিশকে অবগত করেন। জয়পুরহাট সদর থানা পুলিশ একই তারিখ ১৬৩৫ ঘটিকায় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষার্থী আমির হামজাকে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা-২০২৫ এর পরীক্ষায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের সহায়তায় সৃজন প্রশ্নের উত্তর মোবাইল ফোনে এসএমএস এর মাধ্যমে অসৎ পন্থা অবলম্বন করেছে মর্মে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। এ সংক্রান্তে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার প্রতিনিধি সাকিল আহম্মেদ (৫২), পিতা-মৃত ফজলুর রহমান সরদার, সাং-লক্ষীকোলা, থানা-শিবগঞ্জ, জেলা-বগুড়া, এ/পি- উপজেলা এডুকেশন ট্রেনিং সেন্টার, থানা-ক্ষেতলাল, জেলা-জয়পুরহাট এর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে জয়পুরহাট সদর থানার মামলা নং-০৯ তারিখ-০৯ জানুয়ারি ২০২৬, ধারা-৪/৯/১৩ The Public Examination (Offences) Act-1980 রুজু হয়। উক্ত মামলার তদন্তকারী অফিসারের অধিযাচনের প্রেক্ষিতে ব্যাব-৫, সিপিসি-৩ এর আভিযানিক দল উক্ত মামলার ঘটনায় জড়িত তদন্তেপ্রাপ্ত আসামি আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতারের জন্য তৎপর হয়। অতঃপর ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রিঃ ০১০৫ ঘটিকায় র্যাব-৫. সিপিসি-৩ এর একটি চৌকস আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নওগাঁ জেলার ধামইরহাট থানাধীন খরমপুর এলাকা হতে উল্লেখিত মামলার তদন্তেপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আনোয়ার হোসেনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। গ্রেফতারকৃত আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জয়পুরহাট জেলার সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রেস ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দরা ও প্রমুখ