
সৈয়দ মোহাম্মদ কায়সার চট্টগ্রামঃ
বাংলাদেশের রাজনীতিতে জনগণের আস্থা অর্জন করা সহজ কোনো কাজ নয়। অনেকেই রাজনীতিতে প্রবেশ করেন ক্ষমতা ও ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য, কিন্তু জনগণের জন্য নিজেকে নিবেদিত করে এমন নেতার সংখ্যা খুব বেশি নয়। চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং ওয়ার্ডের মানুষের কাছে আবু রায়হান চৌধুরী এমন একজন মানুষ , যিনি দীর্ঘদিন ধরে নিঃস্বার্থভাবে মানুষের পাশে থেকেছেন এবং মানুষের ভালোবাসা অর্জন করেছেন।জনগণের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া খুব সহজ নয়। রাজনীতির মাঠে অসংখ্য মানুষ আসেন, অনেকেই ক্ষমতার মোহে নিজেদের স্বার্থকেই বড় করে দেখেন। কিন্তু এমন কিছু মানুষ আছেন, যারা জীবনের প্রতিটি ধাপে শুধু মানুষের জন্য, মানুষের কল্যাণের জন্য নিজেদের বিলিয়ে দেন। চট্টগ্রাম নগরীর ৩৮ নং ওয়ার্ডের – প্রিয় মুখ আবু রায়হান চৌধুরী অন্য নেতাদের মধ্যেই একেবারে আলাদা সাদা মনের একজন। আসলে এজন্য মানুষ বলে যেমন বাপ তেমন ছেলে, এবং তিনি কোন জন প্রতিনিধি না হয়ে ও মানুষের সুখ দুঃখে সবার আগে এগিয়ে আসেন। তিনি কখনো নিজের স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেননি; বরং সর্বদা সাধারণ মানুষের সুখ-দুঃখ ভাগ করে নিয়েছেন। উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড হোক বা দুঃস্থ-অসহায়দের সহায়তা, তিনি সর্বত্রই ছিলেন অগ্রণী ভূমিকার অধিকারী। সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষদের সাহায্য করার জন্য তিনি নিজের সামর্থ্যের সীমা অতিক্রম করে এগিয়ে এসেছেন। উদারতার প্রতীক হিসেবে মানুষের কাছে গৌরবের বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। ৩৮ নং ওয়ার্ডবাসী মনে করেন আবু রায়হান চৌধুরী কাউন্সিলর হলে আগামীতে ৩৮ নং ওয়ার্ড হবে, আধুনিক ও দুর্নীতি, চাঁদাবাজ,লোটপাট মুক্ত ওয়ার্ড, ও একজন প্রকৃত জনপ্রতিনিধি। দুর্নীতি, চাঁদাবাজ,লোটপাট এর আগে চিন্তা করবেন তার বাবা সাবেক দুই দুই বারের সফল কাউন্সিলর মৃত আবুল হাসেম চৌধুরীর সম্মানের কথা,সামনে নির্বাচন তাই মানুষের দ্বারে যান না, বরং সারাবছর মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখেন। আবু রায়হান চৌধুরী সেই ধারার একজন উদাহরণ। তিনি সাধারণ মানুষদের সমস্যার কথা শোনেন, সমাধানের চেষ্টা করেন এবং তাদের পাশে দাঁড়ান। এ কারণেই ৩৮ নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করেন, তিনি বি এন পি থেকে মনোনয়ন পেলে জনগণের ভোটে বিজয়ী হবেন।এ ওয়ার্ডের মানুষদের আশা, তিনি কাউন্সিলর নির্বাচিত হলে তাঁর দীর্ঘদিনের , সততা ও ত্যাগের মাধ্যমে স্থানীয় উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নেবেন। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি যুব সমাজের কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও তিনি কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে বিশ্বাস করেন সাধারণ মানুষ।রাজনীতি মানে যদি মানুষের কল্যাণে কাজ করা হয়, তবে আবু রায়হান চৌধুরী তার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি একজন মানবিক মানুষ, একজন সমাজসেবক এবং জনগণের আস্থার প্রতীক। তাই ৩৮ ওয়ার্ডের মানুষের দৃঢ় বিশ্বাস, বি এন পি থেকে মনোনয়ন পেলে তিনি নির্বাচনে বিজয়ী হবেন। এটাই আশা করেন ৩৮ নং ওয়ার্ডবাসী এবং আগের মতোই জনগণের সঙ্গে মিশে থেকে তাঁদের সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করবেন। আবু রায়হান চৌধুরী মানুষের চোখে শুধু একজন নেতা নন; তিনি আশার আলো, তিনি ভরসার প্রতিক, ৩৮ নং ওয়ার্ডের প্রতিটি মানুষের মনে তাঁর জন্য এক অটুট বিশ্বাস জন্ম নিয়েছে। মানুষ মনে করে—যদি তিনি বি এন পি থেকে প্রার্থী হন, তবে তিনিই হবেন আগামী দিনের সত্যিকারের জনপ্রতিনিধি।এ ওয়ার্ডের দরিদ্র, দিনমজুর, শ্রমজীবী, ছাত্র-যুবক—সবাই বিশ্বাস করেন, আবু রায়হান চৌধুরী তাদের মধ্যে একজন। তাঁর হাসি-খুশি মিশুক স্বভাব, মানুষের সঙ্গে আন্তরিক আচরণ, আর নিঃস্বার্থ দানশীলতা তাঁকে সাধারণ মানুষের ঘরের মানুষ বানিয়েছে। তিনি নির্বাচিত হলে শুধু, ঘরে বসে থাকবেন না, বরং মানুষের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবেন এমনটাই আশা মানুষের।রাজনীতি মানে যদি ত্যাগ হয়, যদি রাজনীতি মানে হয় মানুষের পাশে দাঁড়ানো তাহলে আবু রায়হান চৌধুরী তার জীবন্ত প্রতিচ্ছবি। তাঁর জন্য মানুষের প্রার্থনা, তাঁর জন্য মানুষের ভালবাসা।
জনগণের ভালোবাসা আর আস্থায় বি এন পি থেকে যদি তাকে মনোনয়ন দেওয়া হয় তিনি বিপুল ভোটে এগিয়ে যাবেন বলে বিশ্বাস করেন ৩৮ নং ওয়ার্ডের সাধারণ জনগন চারদিকেই বিজয়ের জোয়ার দেখা দিবে।
৩৮ নং ওয়ার্ডের প্রতিটি মানুষের মুখে একই দাবি বি এন পি থেকে আবু রায়হান চৌধুরী প্রার্থী হোক । কারণ মানুষ জানে, তিনি জয়ী হলে শুধু কাউন্সিলর হিসেবে নয়, একজন অভিভাবক হিসেবে মানুষের পাশে থেকে তাদের স্বপ্ন পূরণ করবেন। তার মরহুম পিতা, সাবেক কাউন্সিলর, আবুল হাসেম চৌধুরীর, মত রাজনীতি তাঁর কাছে ক্ষমতা নয়, রাজনীতি তাঁর কাছে মানুষের সেবা। আর এ কারণেই আবু রায়হান চৌধুরী হয়ে উঠেছেন জনগণের আস্থার প্রতিচ্ছবি, ভালোবাসার প্রতীক।তাই এই ৩৮ নং ওয়ার্ডের সাধারণ মানুষের কণ্ঠে এখন একটাই আশা বি এন পি থেকে মনোনয়ন নিয়ে আবু রায়হান চৌধুরী কাউন্সিলর হিসেবে বিজয়ী হবেন আর বিজয় ছিনিয়ে এনে মানুষের স্বপ্ন পূরণ করবেন,,