আদালতের নির্দেশও তোয়াক্কা করেন না দুর্গাপুর থানার ওসি! বিএনপি নেতার মদদে বৃদ্ধ শিক্ষককে রক্তাক্ত: বহাল তবিয়তে শার্টের কলার উড়িয়ে সন্ত্রাসীরা
এসএম রুবেল অনুসন্ধানী প্রতিবেদক ইনভেস্টিগেশন টিম-অফ ক্রাইম সিন ২৯ এপ্রিল, ২০২৬।
৫ লাখ টাকা চাঁদা না দেওয়ায় বর্বরোচিত হামলা-? মামলা নিতে ওসির গড়িমসিতে ক্ষুব্ধ বিচার বিভাগ ও জনতা! ক্রাইম ডেস্ক: রাজশাহীর দুর্গাপুরে এক প্রভাবশালী বিএনপি নেতার ছত্রছায়ায় থাকা দুর্ধর্ষ ‘গুন্ডা বাহিনী’র তান্ডবে লণ্ডভণ্ড হয়ে পড়েছে একটি পরিবার। অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণ শিক্ষক মো. ইন্তাজ উদ্দিনকে (৭০) পিটিয়ে রক্তাক্ত করার পর এখন উল্টো ভুক্তভোগী পরিবারকেই এলাকাছাড়া করার হুমকি দিচ্ছে এই মাফিয়া চক্রটি। মর্মান্তিক এই ঘটনায় জেলা ও দায়রা জজ আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রহস্যজনক কারণে মামলা রেকর্ড করছেন না বলে গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। যেটি এখন বিচার বিভাগকে সরাসরি ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি’ দেখিয়ে পুলিশের এই নির্লিপ্ততা নিয়ে এলাকায় তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনার ঝড় বইছে! সর্বত্র ও চায়ের আড্ডায় এখন দুর্গাপুর থানার ওসিকে ঘিরে।
অনুসন্ধানে জানা যায়, এই পুরো ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং দীর্ঘদিনের পরিকল্পিত চাঁদাবাজি, এলাকায় চুরি ছিনতাই, জালিয়াতি, ভূমিদস্যু, জবরদখলসহ বহু অভিযোগ রয়েছে এদের বিরুদ্ধে। তবে এই এলাকার শীর্ষ গুন্ডা তালিকায় উঠে আসাসহ অভিযুক্ত সাইনাল মিয়া (শাহিন), জালাল, দেলোয়ার ও হেলাল,নাহিদুর রহমান, বিদয়, মানিক, তাইবুর, রোমানসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে আসছে দীর্ঘদিন যাবত। তাদের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে, ২০১৪ সালের একটি পুরনো মামলাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে তারা দীর্ঘদিন ধরে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. ইন্তাজ উদ্দিন ও তার ছেলে নাহিদ ইসলামের কাছে ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে আসছিল। তবে চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানানোই প্রবীণ এই শিক্ষকের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। এখন মৃত্যুর শয্যায় এই প্রবীণ শিক্ষক। গত ২৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পূর্বপরিকল্পিতভাবে ওত পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা বাঁশের লাঠি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে বৃদ্ধ শিক্ষক ইন্তাজ উদ্দিনের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। সত্তরোর্ধ্ব এই বৃদ্ধকে প্রকাশ্য দিবালোকে, এই মাফিয়া বাহিনী রাস্তার ওপর ফেলে লাথি ও লাদ্না দিয়ে এলোপাাড়ি পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্তাক্ত জখম করা হয়! অতর্কিত হামলায় অজ্ঞান অবস্থায় নিথর দেহ নিয়ে পড়ে থাকে এই শিক্ষক। উল্লেখ্য: এই এলাকার চিহ্নিত ও তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং গুন্ডা হিসেবে রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ ও নানান অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সাথে সরাসরি জড়িত।
অনুসন্ধানে জানা যায়!। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন,তার অবস্থা এতটাই আশঙ্কাজনক ছিল যে কোন তাৎক্ষণিকভাবে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (RMCH) স্থানান্তর করতে হয়। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের বেডে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছেন, যার স্বপক্ষে ভুক্তভোগী পরিবার সকল মেডিকেল নথি ও রিসিভ কপি গণমাধ্যমকে সরবরাহ করেছে। এবং কঠোর ভাবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার, অনুরোধ ও জোর দাবি জানান। সবচেয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য হলো, এই বর্বরোচিত হামলার পর ভুক্তভোগী নাহিদ ইসলাম থানায় এজাহার নিয়ে গেলেও পুলিশ তা গ্রহণ করতে গড়িমসি শুরু করে। পরবর্তীতে উপায়ান্তর না দেখে পরিবারটি আদালতের শরণাপন্ন হয়।
বিচারবিভাগীয় আদেশ উপেক্ষা: দুর্গাপুর থানা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন-? রাজশাহীর দুর্গাপুরে এক ভুক্তভোগীর ওপর হওয়া অন্যায়ের ঘটনাটি বর্তমানে বিচার বিভাগ ও প্রশাসনের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিষয়টি প্রথম নজরে আসে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে, যেখানে ঘটনার ভিডিও বা তথ্য ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিষয়টি জনস্বার্থে ও গুরুত্ব বিবেচনায় আমলে নেন রাজশাহী জেলা সিনিয়র ও দায়রা জজ আদালতের বিজ্ঞ বিচারক। তিনি দ্রুত তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) মামলা নথিভুক্ত করার স্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করেন। তবে আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও দুর্গাপুর থানা পুলিশ মামলাটি নিতে রহস্যজনকভাবে কালক্ষেপণ করছে বলে অভিযোগ তুলেছেন ভুক্তভোগীরা। অভিযোগ উঠেছে, আদালতের আদেশনামা থানায় পৌঁছানোর পরও জনৈক প্রভাবশালী স্থানীয় বিএনপি নেতার সরাসরি তদবির ও রাজনৈতিক চাপের মুখে ওসি মামলাটি গ্রহণে অনীহা দেখাচ্ছেন। ওসির এমন বিতর্কিত ও পক্ষপাতমূলক আচরণে ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। একটি আইনি আদেশের ওপর রাজনৈতিক প্রভাবের এমন অনাকাঙ্ক্ষিত হস্তক্ষেপ সাধারণ জনগণের মনে গভীর ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি করেছে। আদালতের নির্দেশনা কার্যকর না হওয়ায় বর্তমানে বিচার বিভাগের মর্যাদা ও পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ভুক্তভোগীদের দাবি, কোনো অদৃশ্য ‘খুঁটির জোর’ বা রাজনৈতিক তদবির যেন আইনের শাসনকে বাধাগ্রস্ত করতে না পারে, সেজন্য ঊর্ধ্বতন প্রশাসনের অবিলম্বে হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।
এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি! অভিযুক্ত সাইনাল মিয়া ও তার বাহিনী ওই নেতার নাম ভাঙিয়ে এলাকায় একের পর এক অপকর্ম করে যাচ্ছে। পুলিশের এই রহস্যজনক নীরবতা অপরাধীদের আরও বেপরোয়া করে তুলছে। তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুললেই মামলা ও হামলার শিকার অনিবার্য। কেন মিডিয়ার সামনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা জানান, আদালতের আদেশ যদি পুলিশ না মানে, তবে সাধারণ মানুষ কার কাছে যাবে? একজন শিক্ষককে এভাবে মারার পর আসামীরা যখন বুক ফুলিয়ে এবং শার্টের কলার উড়িয়ে ঘোরে বেড়াচ্ছেন রাস্তায় প্রকাশ্য দিবালোকে-? তখন বুঝতে হবে আইনের শাসন কোথায় ঠেকেছে। বর্তমানে ভুক্তভোগী পরিবারটি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। বাদি নাহিদ ইসলাম আক্ষেপ করে বলেন,আমার বাবাকে তারা মেরেই ফেলত। আমরা শুধু বিচার চাই। কিন্তু প্রশাসনের এমন আচরণ আমাদের বাকরুদ্ধ করে দিয়েছে। আমরা কি তবে অপরাধীদের কাছেই জিম্মি থাকব-? পা-বো- নাকি তাহলে নাজ্য বিচার-? প্রকাশিত প্রথম পর্ব নিয়ে দ্বিতীয় উন্মোচিত প্রতিবেদন ও অনুসন্ধানিক ক্রাইম সংবাদ প্রকাশের পর সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ প্রশাসনের টনক নড়বে এবং প্রবীণ শিক্ষক তার ওপর হওয়া অন্যায়ের বিচার পাবেন—এমনটাই প্রত্যাশা সাধারণ মানুষ ও বিচার বিভাগের প্রতি জোর দাবি ও আস্থা রাখছেন।
আদালতের আদেশও তুচ্ছ! দুর্গাপুরে বিএনপি নেতার ‘ভাড়াটিয়া বাহিনীর’ তান্ডব, রক্তাক্ত বৃদ্ধ শিক্ষক: মামলা নিতে অনিহা ওসির-? এনিয়ে বইছে সমালোচনার ঝড়! প্রশ্নবিদ্ধ কেন পুলিশ-? রাজশাহীর দুর্গাপুরে এক অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণ শিক্ষক ও তার পরিবারের ওপর দফায় দফায় বর্বরোচিত হামলা, প্রাণনাশের হুমকি এবং অব্যাহত চাঁদাবাজির ঘটনায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী পরিবারটি দ্বারে দ্বারে ঘুরেও প্রতিকার পাচ্ছে না। এমনকি জেলা ও দায়রা জজ আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ থাকার পরও রহস্যজনক কারণে মামলা নিতে গড়িমসি করছেন দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি)। অভিযোগ উঠেছে, স্থানীয় এক প্রভাবশালী বিএনপি নেতা ও তার মদদপুষ্ট গুন্ডা বাহিনীর 'খুঁটির জোর' এবং মোটা অংকের তদবিরের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও থানা পুলিশ।
রাজশাহীর দুর্গাপুরে একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণ শিক্ষকের ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশের রহস্যজনক ভূমিকা এবং বিচারহীনতার সংস্কৃতি এনিয়ে! রাজশাহীর বিখ্যাত এক এ.জেট.এম আদনান কবির মান্নান বিখ্যাত গবেষক ও লেখক তিনি বলেন, রাজশাহীর দুর্গাপুরে আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি এবং পুলিশের পক্ষপাতমূলক আচরণের এক নেতিবাচক চিত্র ফুটে উঠেছে। একজন অবসরপ্রাপ্ত প্রবীণ শিক্ষক ও তার পরিবারের ওপর দফায় দফায় বর্বরোচিত হামলা, প্রাণনাশের হুমকি এবং অব্যাহত চাঁদাবাজির ঘটনায় পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। সবচেয়ে অবাক করার বিষয় হলো, জেলা ও দায়রা জজ আদালতের স্পষ্ট নির্দেশ থাকার পরও দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামলা নিতে গড়িমসি করছেন। এনিয়ে তিনি আরও বলেন সাধারণ মানুষের শেষ আশ্রয়স্থল পুলিশ হলেও দুর্গাপুর থানার ওসির ভূমিকা এখন জনমনে বিশাল প্রশ্নচিহ্ন এঁকে দিয়েছে। আদালতের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা থাকার পরও মামলা রেকর্ড না করাকে আইনের শাসনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন সচেতন মহল। গুঞ্জন রয়েছে, সংশ্লিষ্ট বিএনপি নেতার রাজনৈতিক প্রভাব এবং মোটা অংকের অনৈতিক লেনদেনের কারণেই পুলিশ এই নিষ্ক্রিয়তা প্রদর্শন করছে। প্রশাসনের এমন 'জিম্মি' দশা সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে।
অবসরপ্রাপ্ত স্থানীয় এক সেনা কর্মকর্তা বলেন,এই ন্যাক্কারজনক ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁর একটি বিশেষ মন্তব্য নিচে তুলে ধরা হলো "দুর্গাপুরের এই ঘটনাটি কেবল একজন শিক্ষকের ওপর শারীরিক নির্যাতন নয়, বরং এটি আমাদের বিচারব্যবস্থা ও প্রশাসনিক কাঠামোর ওপর এক চরম আঘাত। যখন একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে আদালতের নির্দেশকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে থানা পুলিশ অপরাধীদের সুরক্ষা দেয়, তখন বুঝতে হবে আইনের শাসন সেখানে নির্বাসিত। একজন আদর্শিক কারিগর—শিক্ষকের রক্ত যখন জনপদে ঝরে এবং রাষ্ট্র যখন সেই আর্তনাদ শুনতে পায় না, তখন সমাজের নৈতিক ভিত্তি ধসে পড়ে। রাজনৈতিক পরিচয়ে অপরাধীকে আশ্রয় দেওয়া এবং অর্থের বিনিময়ে ন্যায়বিচারকে বন্দি করা একটি ভয়াবহ অশনি সংকেত। আমি মনে করি, এখনই উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন, অন্যথায় প্রশাসনের ওপর জনগণের আস্থা চিরতরে বিলীন হয়ে যাবে।
বর্তমান পরিস্থিতি! এই ঘটনায় এলাকায় সমালোচনার ঝড় বইছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও অনেকে পুলিশের এমন ভূমিকার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছেন। ভুক্তভোগী পরিবারটি এখন বিচার পেতে এবং নিজেদের জীবন বাঁচাতে ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপের প্রহর গুনছে। স্থানীয়রা মনে করছেন, অপরাধী যে দলেরই হোক না কেন, দ্রুত ব্যবস্থা ও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তার না করলে! বর্তমান পরিস্থিতি আরও নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে ও এলাকায় ভয়াবহ রূপ নিতে পারে বলে মন্তব্য করছেন সেখানকার স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও সুশীল সমাজের নাগরিকবৃন্দ।
রাজশাহী দুর্গাপুর থানায় প্রবীণ শিক্ষক লাঞ্ছনার অভিযোগ: ওসির বক্তব্য বেরিয়ে এসেছে আসল রহস্য! বিতর্কিত হচ্ছে পুলিশ। রাজশাহীর দুর্গাপুর থানায় এক প্রবীণ শিক্ষকের পরিবারের পক্ষ থেকে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেছে। তদন্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া মাত্রই দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ সর্বাত্মক শ্রম দিয়ে সেবা পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি কুচক্রী মহল পুলিশ প্রশাসনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে ওসি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান, রাজশাহী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের কোনো বিচারক এই বিষয়ে থানাকে কোনো ফোন কল বা লিখিত আদেশ দেননি। আদালতকে জড়িয়ে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার যে চেষ্টা চলছে, ওসি তার তীব্র নিন্দা জানান এবং বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার অনুরোধ করেন। বিচারকের নাম জড়িয়ে চলা গুজবের সরাসরি প্রতিবাদ। জননিরাপত্তা:পুলিশের সেবামূলক মনোভাবের প্রতিফলন। কুচক্র মহলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার স্পষ্ট বার্তা।