â
বিশেষ প্রতিনিধি:
চট্টগ্রাম শহরের প্রাণকেন্দ্র ইপিজেড এলাকার সর্বস্তরের মানুষ আজ সংস্কার নামে জলাশয় ও নর্দমার কাঁদায় বন্ধি ...!
প্রতিদিন যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি তো আছেই সাথে যোগ হয়েছে অসময়ে খোঁড়াখুঁড়ি ও সংস্কার - মেরামত নামে নরক যন্ত্রণা।
শহরের প্রাণকেন্দ্র ও সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকা ইপিজেড এলাকা ,দীর্ঘদিন ধরে ফুটপাত অবৈধ দখল করে রমরমা বানিজ্য চললেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা চোখে পড়েনি, এতে প্রতিদিন চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ জনগণ ও লাখ লাখ গার্মেন্টস শ্রমিক, স্কুল -কলেজ, মাদ্রাসা-বিশ্ববিদ্যালয় গামী শিক্ষার্থী সহ যাত্রীসাধারণ ও নিরীহ জনগণ।
নির্বিঘ্ন চলাচলের জন্য নির্ধারিত ফুটপাত দখল হয়ে যাওয়ায় মানুষ বাধ্য হয়ে মূল সড়ক দিয়ে চলাচল করছেন, যা যানজট ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, ইপিজেড এলাকার হর্কাস ফুটপাতে ভ্যান ও অস্থায়ী দোকানের জন্য মূল সড়কের গাড়ি চলাচল নিদারুণ কষ্ট দায়কে। এর জন্যই
ইপিজেড এলাকা থেকে শহরের দিকে যাওয়ার সময় বিভিন্ন স্পটে প্রতিনিয়িত চরম দুর্ভোগ এবং অনাকাঙ্ক্ষিত যানযট সৃষ্টি করে।
এর সাথে সিডিএ - ম্যাক্স কনাক্টাশন কোম্পানীর অবহেলা , অসময়ে খোঁড়াখুঁড়ি, যথেষ্ট নিরাপত্তা নিশ্চিত না করে উন্নয়ন কার্যক্রম এবং সর্বোপরি চসিকের সাথে সমন্বয়হীনতা রাস্তাঘাট উন্নয়নের জন্য বেহাল দশা চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষ কে..!
একজন সিনিয়র অফিসার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন এতদিন গাড়ি সামলাতে হিমশিম খেতে হয়েছে ম্যাক্স কোম্পানীর নিয়মিত কাজ না করার কারনে, এখন আবারও হিমশিম খেতে হচ্ছে, পিডিবির মাটির তলদেশ দিয়ে ইলেকট্রিক ক্যাবল এর কাজের কারণে, এ বিষয় নিয়ে পিডিবির একজন ইনচার্জ এর সাথে কথা বলতে চাইলে সে তার মোবাইল ফোন রিসিভ করেন নি....!
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পুরো ফুটপাতই সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য অনুপযোগী হয়ে পড়ছে। সচেতন নাগরিকদের মতে, শহরের গুরুত্বপূর্ণ এই এলাকায় ফুটপাত দখল করে ব্যবসা পরিচালনার ফলে নগর ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।
এছাড়া সড়ক ও জনপথ এবং সংস্কার কাজে অত্যন্ত নিম্ম মানের সামগ্রী, পুরাতন ইট, নষ্ট সিমেন্ট ও ময়লা আবর্জনা যুক্ত পানি ব্যবহার করে ডালাই কাজ করার প্রমাণ পাওয়া গেছে।
অনেকেই বলেছেন, এই উন্নয়ন কাজ গুলো পূর্বের সরকারের অধীনে থাকায় কিংবা বিগত বছরের বাজেটের কাজ হওয়াতে বর্তমান সরকারের কেউ মাথা ঘামাচ্ছেন না ,ফলে নয় ছয়ের মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ শেষ করে বা মাঝ পথে কাজ রেখে উধাও হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
এ বিষয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নেওয়া হলে পথচারীদের ভোগান্তি আরও বাড়বে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন নগরবাসী।